| স্থায়ী ঠিকানা | গ্রাম: সিংহের কাঠী, পোস্ট অফিস: সিংহের কাঠী, ইউনিয়ন: টুঙ্গিবাড়িয়া, থানা: সাহেবের হাট, জেলা: বরিশাল সদর। |
|---|---|
| বর্তমান ঠিকানা | সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ |
| কোথায় বড় হয়েছেন? (Required) | আব্বুর চাকরি সুত্রে সিলেটে বড় হয়েছি। দেশের বাড়ি বরিশালে হলেও দীর্ঘ ২৪ বছর স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সব সিলেটেই। |
| বায়োডাটার ধরন | পাত্রের বায়োডাটা |
|---|---|
| বৈবাহিক অবস্থা | ডিভোর্সড |
| বর্তমান ঠিকানা | নারায়ণগঞ্জ |
| বিভাগ | ঢাকা বিভাগ |
| স্থায়ী ঠিকানা | বরিশাল |
| বিভাগ | বরিশাল বিভাগ |
| জন্মসন (আসল) | ১৯৯৭ |
| গাত্রবর্ণ | উজ্জ্বল শ্যামলা |
| উচ্চতা | ৫'৯'' |
| ওজন | ৭৫ কেজি |
| রক্তের গ্রুপ | O+ |
| পেশা | প্রাইভেট জব |
| কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? (Required) | জেনারেল |
|---|---|
| আপনি কি হাফেজ? | না |
| দাওরায়ে হাদীস পাশ করেছেন? | না |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান ফলাফল | Golden A+ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ | বিজ্ঞান বিভাগ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন | ২০১৪ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ | বিজ্ঞান বিভাগ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান ফলাফল | Golden A+ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন | ২০১৬ |
| স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা | বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং |
| শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম | শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় |
| পাসের সন | ২০২২ |
| সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা | বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং |
| অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা | Islamic Online Madrasa(IOM) এ আলিম কোর্সে 2412 ব্যাচে অধ্যয়নরত আছি। তারবিয়্যাহ একাডেমী থেকে ইসলামিক অর্থনীতি শেখা চলমান আছে। ড্রয়িং এর হাত ভালো হওয়ায় ভবিষ্যৎতে আরবি ক্যালিগ্রাফি করার ইচ্ছা আছে। মাঝে মাঝে বিভিন্ন অনলাইন লার্নিং প্লাটফর্ম / সেমিনার থেকেও সার্টিফিকেশন কোর্স করি ভালো কিছু শিখতে। পাশাপাশি অবসর সময়ে ইলেকট্রনিক্স ও রোবোটিক্সের কাজ করি শখের বশে। |
| আপনি কি আইওএমের স্টুডেন্ট? | হ্যা |
|---|---|
| আপনার কোর্সের নাম ও ব্যাচ নম্বর: | Bachelor of Dawah and Sunnah Course, Batch - 2412 |
| পিতার পেশা | বেসরকারি কোম্পানীতে রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছে। |
|---|---|
| মাতার পেশা | রব্বাতুল বাইত |
| বোন কয়জন? | বোন নেই |
| ভাই কয়জন? | ১জন |
| ভাইদের সম্পর্কে তথ্য | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত কলেজে গনিত বিষয়ে পড়াশোনা করছে (সিলেটে থাকে) |
| চাচা মামাদের পেশা | চাচা বাড়িতে থাকেন ও আর্টের কাজ করেন। মামা দুজনই দেশের বাইরে কর্মরত আছেন। |
| পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা | আলহামদুলিল্লাহ, আমরা মধ্যবিত্ত পরিবার। সামাজিকভাবে সম্মানিত। চাকরির সুবাদে সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জে ভাড়া বাসায় থাকি। দাদবাড়ি গাছগাছালিপূর্ণ বাড়ি ও কিছু জমি আছে। নানাবাড়িও একইরকম। এছাড়া ঢাকাতে আমাদের আত্মীয় স্বজন আছেন। |
| আপনার পরিবারের দ্বীনি অবস্থা কেমন? (বিস্তারিত বর্ননা করুন ) (Required) | আলহামদুলিল্লাহ, সকলে ইসলাম মেনে চলার চেষ্টা করেন। বিশেষ করে পাত্র নিজে দ্বীনের ব্যাপারে কঠোর ইনশাআল্লাহ। |
| সুন্নতি দাঁড়ি রয়েছে কি? (Required) | জ্বী আলহামদুলিল্লাহ |
|---|---|
| পায়ের টাখনুর উপরে কাপড় পরেন?(Required) | জ্বী অবশ্যই |
| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? | জ্বী অবশ্যই, খুব গুরুতর কারন ছাড়া নামাজ মিছ হয় না |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) | ক্লাস ফাইভ থেকে নামাজ ও রোজা দুটোই আলহামদুলিল্লাহ |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? | অবশ্যই, সবসময়ই চেষ্টা করি, প্রয়োজন ছাড়া মাহরাম মহিলাদের সাথেও কথা কম বলি। চাচাতো, খালাতো, মামাতো ও ফুফাতো বোনদের সাথে কোনো কথাবার্তা ও চলাফেরা নেই আলহামদুলিল্লাহ। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? | আলহামদুলিল্লাহ পারি, আগে রোজায় খতম করেছি কয়েকবার, তবে ভুল ত্রুটি আরো কমানোর জন্য IOM (Islamic Online Madrasa) তে উস্তাদদের কাছ থেকে আরো ভালোভাবে শিখছি। |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? | ঢিলা ঢালা প্যান্ট, টি-শার্ট/ফুলশার্ট, গেঞ্জি, পাঞ্জাবি, শীতে হুডি/জ্যাকেট, অতিরোদে রোদচশমা পড়ি ইত্যাদি |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) | ইসলামিক খিলাফত |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? | নাটক, সিনেমা, সিরিজ এসব দেখি না। গান অন্তরের মদ তাই সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলি। খেলাধুলা দেখে সময় নষ্ট করি না, তবে সময় সুযোগ পেলে বিকালে মাঠে খেলা হয়। |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) | আলহামদুলিল্লাহ নেই |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) | মসজিদে হাদিস পাঠ শোনা ও তাবলীগ জামাতের দাওয়াতের মজলিসে বসা হয়। ত্বলিবুল ইলমের সাথে যুক্ত আছি, দাওয়াত দেয়া ভালোভাবে শিখে সামনে IOM (Islamic Online Madrasa) এর উস্তাদগনের সাথে দাওয়াতের দৃঢ় ইচ্ছা আছে। |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) | কখনোই না |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) | মাজার জিয়ারত করা যায় কবর হিসেবে, কিন্তু মাজারে কিছু চাওয়া, খাবার দেয়া, আগরবাতি দেয়া, উদ্দেশ্য পূরণের ইচ্ছায় কিছু করা ইত্যাদি শিরক, যা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) | বিষয়ভিত্তিক বিশুদ্ধ হাদীস সংকলন (সমকালীন), প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ (আরিফ আজাদ), কিয়ামতের আলামত (সমকালীন), সূরা ইউসুফ - পবিত্র এক মানবের গল্প (সমকালীন), শিকারের সন্ধানে (হামিদা মোবাশ্বেরা), অবাধ্যতার ইতিহাস (শামসুল আরেফিন শক্তি), মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা, বেলা ফুরাবার আগে, মেঘ রোদ্দুর বৃষ্টি (রোদ্রময়ী) ইত্যাদি পড়া হয় |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) | মাওলানা তারিক জামিল, মাওলানা আব্দুলাহ জাহাঙ্গীর, শায়খ আহমাদুল্লাহ, মিজানুর রহমান আজহারী, আবু ত্বোহা মোহাম্মদ আদনান, IOM এর সম্মানিত উস্তাদবৃন্দ |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) | চাকরির পাশাপাশি IOM এ দ্বীন শিক্ষার চেষ্টা করছি নিয়মিত। শখের বসে রোবোটিক্স করি, ইতিপূর্বে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণও করেছি। |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন | আমি খুব সাধারণ মানসিকতার মানুষ। মনের ভিতরে যা বাইরেও একই বিষয় ধ্যান ধারণা রাখি, কারন এর বাইরে গেলেই সেটা মুনাফিকের কাতারে পড়ে। দ্বীনের পথে আসলে ঠিক কতটুকু আছি বা আমার মেহনত আল্লাহর কাছে কতটুকু পছন্দের তা একমাত্র আমার চিরস্থায়ী রবই সবচেয়ে ভালো জানেন। আমার জন্ম খুব সাধারণ একটা পরিবারে। আব্বু সাধারণ বেসরকারি চাকুরীজীবি, আম্মু গৃহিণী। কোনো অফলাইন মাদ্রাসায় পড়াশোনা হয়নি। ছোটবেলায় থাকতে আব্বু সকালে আমার সাথে মাঝে মধ্যে ছেপাড়া নিয়ে বসতো। অনেক সময় পড়া বুঝতাম, অনেক সময় পড়া মাথার উপর দিয়ে যেতো। পরে, ভালোভাবে আরবী বুঝতে পারার জন্য আম্মু আরবি হরফ দেখে দেখে লিখতে দিতেন। প্রতিদিন লিখতাম, যার কারনে একসময় কুরআন থেকেও দেখে দেখে লিখা শিখে ফেলি, দোয়া কালামও শিখি তখনই। একটু বড় হবার পরে স্কুলে ভর্তি হই, তখন ইসলাম শিক্ষা পড়তাম, আগে আরবী পড়া কিছুটা জানা ও লিখতে পারার কারনে ভালোই লাগতো পড়তে। পরীক্ষায়ও ভালো নাম্বার পেতাম। ক্লাস টেন পর্যন্ত ইসলাম শিক্ষা পড়া ও পরীক্ষায় ভালো নাম্বার পাওয়া আর জুম্মার দিন মসজিদে খুতবা শুনা, এতটুকুই ছিলো আমার ইসলামের গন্ডি। কলেজে উঠে দেখি ইসলাম শিক্ষা কোর্স নাই, এর মধ্যে সাইন্সের যা চাপ, এটা কমবেশি আমরা সবাই জানি। কলেজে ফ্রী মিক্সিং কালচারে টিকে থাকা অনেক কঠিন ছিলো। শিক্ষকদের সহায়তা নিয়ে মনযোগ সহকারে পড়াশোনা করি, বন্ধুদের সাথে কোনো মেয়েদের সাথে কথা না বলার বাজি ধরেছিলাম, বাজি হিসেবে ধরলেও পরে বুঝতে পারলাম যে তখন আমি কতটা ভালো একটা কাজ করেছিলাম, ভালো ফলাফলও করি (পড়াশোনা সেকশনে দেখতে পারেন)। দেশের খবরে বিদেশিদের আক্রমণ, মুসলিম হত্যা, অধিকার লঙ্ঘন, অন্যায় অত্যাচার দেখে খুব খারাপ লাগে তখন। একদিন, এক মন্দিরের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। দেয়ালে অনেকটা এরকম লেখা দেখলাম যে, "হিন্দু মুসলিম খ্রিস্টান বৌদ্ধ, মোরা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ - সেক্যুলার"। পরে সেক্যুলার নিয়ে একটু পড়াশোনা করলাম। দেখলাম একজন সেক্যুলারের এর প্রায় সকল বৈশিষ্ট্য আমার নিজের মধ্যেই আছে। আর এটা ইসলামের কোনো নিয়মের মধ্যে নেই বরং একটা পাপী সিস্টেম। তাহলে কীভাবে প্রকৃত মুমিন হতে পারবো সেটা নিয়ে চিন্তা করতে থাকি। মসজিদে এরপর শুক্রবার বাদেও তালিমে বসতে থাকি। আস্তে আস্তে মানসিক অবস্থার আরো পরিবর্তন হয। ইউটিউবে আলেমদের লেকচার শুনে দেখে শিখতে থাকি, জানতে থাকি। ভার্সিটিতে ফিতনার অবস্থা দেখলাম আরো খারাপ। মুসলিম-হিন্দু-বিভিন্নধর্মী রিলেশন, প্রেমের তাড়না ও ধোকায় জীবনে পিছিয়ে পড়া, বিবাহ বহির্ভূত হারাম সম্পর্ক, ব্যভিচারিতা, তথাকথত আধুনিকতার নামে যতরকম অশ্লীলতা আছে সব চলছে, কোনো বাধ্য বাধ্যতা নেই। তো আমরা বন্ধুরা আগেভাগেই ভালো কিছু বন্ধু নিয়ে আমাদের গ্রুপ তৈরি করি, যাদের মধ্যে গায়রে মাহরাম কেউ থাকবে না এবং ভার্সিটি লাইফের পাশ করা পর্যন্ত এভাবেই চলেছে। বাবা, মা ও শিক্ষকদের পরামর্শে এ সময়টুক ভার্সিটি পাশ করে ইন্জিনিয়ার হিসেবে কোম্পানিতে ঢুকলাম আলহামদুলিল্লাহ। এক ভার্সিটি বড়ভাই IOM কে খুব ভালো করে পরিচিত করায়, এখন নিয়মিত আল্লাহর দ্বীন সম্পর্কে শিখছি, জানছি, মেনে বুঝে চলার চেষ্টা করছি। কারন ইলম শিখে আমলহীন থাকা, ফলবিহীন গাছের মতো। আরেকটা ব্যাপার হলো দ্বীন শিক্ষা নিয়ে আমি খুব দ্বীনদ্বার হয়ে গেলাম! / আমি খুব প্রিমিয়াম কোয়ালিটির মুসলিম! / আমি সুনিশ্চিত জান্নাতি! - এরকম কখনোই ভাবি না। কারন, সূরা আলে ইমরানের শুরুর দিকে আল্লাহ বলেছেন যে, তিনি যাকে ইচ্ছা দ্বীনের পথ দেখান, আবার যাকে ইচ্ছা বেদ্বীন রাখেন। তো এইজন্য নিজেকে নিয়ে কখনো কোনো বড়াই করি না, হিদায়াত/সিরাজুল মুস্তাকিমের পথ আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে, আর আমরা যদি সাহাবীদের জীবনীদের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাবো, অনেকেই এত ঈমানের পথে থাকা সত্বেও দ্বীনের পথ থেকে গাফেল হয়ে গিয়েছিলো। আবার, উদাহরণসরুপ হযরত উমর (রা:) এর জীবনী আমরা দেখি যে প্রথমদিকে তিনি ছিলেন একজন কাফির ও কোষ মুক্ত তরবারি দিয়ে মহানবী (সা:) কে হত্যা করতে চেয়েছিলেন অথচ পরবর্তীতে তিনি এতটা হিদায়াত পেয়েছিলেন যে মহানবী সা এর পরে কেউ যদি নবী হতো তাহলে হযরত উমর (রা:) হতো শেষ নবী। আর কুরআনে বলা আছে যে, খুব অল্প মানুষই হকের পথে থাকবে, বেশির ভাগই থাকবে বাতিলের দলে! তাই, আমি যে পেশারই লোক হই না কেন, অল্প পুঁজির হালাল কামাই করে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ইলমের পথের পথিক হতে চাই। একটা দেশের সবাই যদি হাফেজ হয়, সবাই যদি মুফতি হয়, সবাই যদি মাওলানা হয়, তাহলে দেশের ডাক্তার/ইন্জিনিয়ার/পাইলট/ড্রাইভার ইত্যাদি কারা হবে? এজন্য আমি মনে করি, যে যে পেশারই হোক ইসলাম যেন মনে, প্রাণে ও কাজে ধারণ করে। পরিবারের সবাই যেন দাওয়াতি মনোভাব নিজের মধ্যে রাখেন। মুসলমানদের জ্ঞানচর্চার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখবেন তারা শুধুই ইসলাম চর্চাই নয়, এর পাশাপাশি জ্ঞান চর্চা ও গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার তারা করে গেছেন। নফসের ধোঁকা থেকে নিজেকে সবসময়ই দূরে রাখার চেষ্টা করি। হালাল হারাম মেনে চলার চেষ্টা করি কড়াকড়িভাবে, কারন হারামে কোনো বরকত নেই, দোয়া কবুল হয় না। ধৈর্যশীল ও মিতব্যয়ী আলহামদুলিল্লাহ। মিথ্যা অপবাদ অপছন্দ করি। বাসায়ও মাহরাম ও গায়রে মাহরাম মেনে চলি। আমার কাছে সমাজের চেয়ে আল্লাহর বিধান বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সমাজ দাড়ি রাখায় অনেকে কটু কথাই বলে/বলবে, ওসব ধারধারি না। ভালো পরামর্শ দিতে ভালো লাগে কারন জ্ঞান বাড়ে ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে। আব্বু আম্মুর বিশ্বাস কখনো ভাঙ্গার চেষ্টা করিনি। আমি ছোটবেলায় একদম পরিষ্কার বর্ণের ছিলাম। শহরের পড়াশোনা ও কাজের চাপে উজ্জ্বল শ্যামলা বর্ণের বর্তমানে। শরীর চর্চা করা হয় মাঝে মাঝে। আমি তেমন মোটা নই, উচ্চতার কারনে ওজন ৭৫-৮০ কেজি এর মধ্যে থাকে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখি। নিজের সমালোচনা পছন্দ করি, তবে অন্যায়ের প্রতিবাদে আমি আপনলোককেও সমর্থন করি না (ঠিক যেমন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার নিজ মেয়ে ফাতেমা (রা:) চুরি করলেও হাত কাটার কথা বলেছিলেন)। প্রতিশোধ পরায়ণতা নেই তেমন, কারন ক্ষমাশীলকে আল্লাহ পছন্দ করেন, তবে ইসলামের শত্রুর ক্ষেত্রে ভিন্ন কথা। নিজের সম্পর্কে আর তেমন বিশেষ কিছু বলার নেই। |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন | প্রযোজ্য নয় |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? | হানাফি |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) | চেষ্টা করি |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? | সুন্দর একটা ইসলামিক পরিবার তৈরি করা, যেখানে শয়তানের কালো থাবা বসাতে পারবে না, ফিতনার জায়গা থাকবে না। সন্তানরা হবে ইসলামের সৈনিক, ন্যায়বোধসম্পন্ন। ইচ্ছা আছে পারিবারিক লাইব্রেরী করা, সবাইকে নিয়ে রাসূলুল্লাহর দেশে হজ্জ করতে যাওয়া। |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) | বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞানচর্চা করা, মোনাজাত করা, নতুন কিছু শেখা ও জানা, রোবোটিক্স করা, সামাজিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা, সময় সুযোগ করে ঘুরতে যাওয়া ইত্যাদি। |
| কত ওয়াক্ত নামায জামাতের সাথে আদায় করেন? (Required) | বিশেষ কোনো কারন ছাড়া জামায়াত ছাড়া নামাজ পড়ি না, আলহামদুলিল্লাহ ৫ ওয়াক্ত নামাজ জামায়াতে পড়ার চেষ্টা করি। |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) | পরিবারের সদস্যদের ভালো মন্দ দেখা, বড়দেরকে সাহায্য করা, ছোটদেরকে পড়াশোনায় সাহায্য করা, যেকোনো সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা ইত্যাদি |
| আপনি কি ধুমপান করেন? (Required) | কখনো করিনি, কখনো করবোও না ইনশাআল্লাহ |
| আপনার ডিভোর্সের সময়কাল ও কারণ | বিয়ে হয় ২০২৩ এর ডিসেম্বর মাসে। মেয়ের পরিবার মেয়ের বিয়ের আগের প্রেম সম্পর্কে আমাদের কাছে গোপন করে বিয়ে করান। মেয়ে বিয়ের পর বিভিন্ন অযুহাতে দিয়ে কয়েকমাস তাদের বাড়ি থাকে, এজন্য তাকে আমাদের বাসায় তুলে আনতে দেরি হয়। তারপর বাসায় নতুন বৌ নিয়ে আসার পর দুঃখজনক বিষয় যে সে আমাকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করতে পারে নি। প্রথম দিকে ভাবতাম যে নতুন বিয়ে তাই হয়তো এমন হচ্ছে, আস্তে আস্তে সব ঠিক হয়ে যাবে। মেয়ে সরাসরি বলে যে বিয়েটা শুধুমাত্র একটা ঝামেলায় পড়ে ওর বাবা মায়ের সম্মান রক্ষার্থে করেছে। এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে সে গ্রহনযোগ্য কিছু বলেনি। তদন্ত করে আল্লাহর হুকুমে আমরা মেয়ের এলাকায় একটা ছেলের সাথে পরকীয়া সম্পর্কের প্রমাণ পাই। আমি ধৈর্য ধরি আর আল্লাহই সকল সত্য আমার কাছে প্রকাশ করে দেন। মেয়ে ও তার পরিবারকে অন্য ছেলের সাথে সম্পর্কের ব্যাপারে বলার পরেও মেয়ের স্বামী ও সংসারের দিকে কোনো গুরুত্ব নেই। বাসায় আনার পর মেয়ে বাবা মায়ের সাথে দেখা করার কথা বলে বাবার বাড়িতে চলে যায়। দীর্ঘ চার মাসে অনেকবার বলার পরেও বাসায় আসবো আসবো বলে আমাদের পরিবারে আর ফিরে আসেনি। বিয়েটা ছিলো ওর বাবা মায়ের সাথে ওর জেদ, এগুলা আমরা আগে বুঝতে পারিনি। সর্বোপরি, বিয়ে করে আমার প্রতি এমন জুলুম হবে ও বিয়ে নামক একটা নাম হবে - এটা আমি কখনো আশা করিনি। অতঃপর অনেক ভেবে চিন্তে অক্টোবর ২০২৪ এ ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হই। কেউ জানতে চাইলে আরো বিস্তারিত বলা যাবে। |
|---|---|
| বিবাহিত অবস্থায় আবার কেন বিয়ে করতে চাচ্ছেন ? | আমি স্ত্রীকে ডিভোর্স দিতে বাধ্য হই তার পরপুরুষের সাথে সম্পর্কের জন্য। আর এখনতো অবিবাহিত আছি। |
| অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? | জ্বী |
| বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? | বিয়ে একটা ইবাদত। বিয়ের মাধ্যমে একজন নারী ও পুরুষের মধ্যে হালাল ভালোবাসার তৈরি হয়, যা আল্লাহ জান্নাত থেকে প্রেরণ করেন। বিয়ে সমাজ থেকে যিনা, ব্যাভিচার, অশ্লীলতা থেকে রক্ষা করে। বর্তমানে যে যুগ তাতে আমি মনে করি বালেগ হলেই ছেলে মেয়ের অভিভাবকের উচিত দ্রুত বিয়ের ব্যবস্থা করা। |
| বিয়ের পর স্ত্রীর পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? | ইনশাআল্লাহ, স্ত্রীকে পর্দায় রাখা স্বামী কর্তব্য ও গাইরত। |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? | জ্বী, বাসায় থেকে দ্বীনি শিক্ষা অর্জন করতে পারবে |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? | সংসারের দায়িত্ব সামলে ঘরে থেকে কাজ করার মাধ্যমে উপার্জন করতে পারবে, আপত্তি নেই। |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? | চাকরীস্থলে আমার সাথেই |
| বিয়ে উপলক্ষে আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক বা উপহার বা অর্থ আশা করবেন কি না? | না, স্ত্রী ও সবার দোয়া ছাড়া আর কিছু আশা করি না। তবে আমি যেমন এর বাইরে কিছু আশা করছি না তেমনি পাত্রীও যেন সহজ দেনমোহরে বিয়ে করেন (অন্য কারো পরামর্শে নয়)। ইসলামে যৌতুক যেমন হারাম ও জুলুম, তেমনি অনেক বড় দেনমোহরও পাত্রের জন্য জুলুম, দেনমোহর কখনো বিবাহিত জীবনের সিকিউরিটি নয়, বিবাহিত জীবনের মূল সিকিউরিটি স্বামী-স্ত্রীর আন্তরিকতা ও মহব্বত (এটা বোঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ)। দেনমোহর আল্লাহর তরফ থেকে স্ত্রীর জন্য স্বামীর পক্ষ থেকে মূল্যবান কোনো উপহার (এতে চাইলে কেউ সামিলও হতে পারে, সাহাবীদের জীবনীতে আছে)। তাছাড়া, সিরাহ গ্রন্থের মধ্যে সুস্পষ্ট আছে যে মহানবী (সা) বেশি দেনমোহরে বিয়ে করেননি আর বেশি দেনমোহরে কোনো মেয়েকে বিয়ে দেনওনি, দ্বীনদার ও সাংসারিক মানসিকতা হলে অবশ্যই এটা বোঝা উচিত। যে বিয়ে যত সহজ, সে বিয়ে তত বরকতময়। ধার্যকৃত মোহর বিয়ের সময়ই পরিশোধ করতে চাই ইনশাআল্লাহ, বিশাল অঙ্কের দেনমোহর অন্যদের মতো সারাজীবন বাকি/অপরিশোধিত রেখে গুনাহগার হতে চাই না। |
| পাত্র/পাত্রী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো ছাড় দেয়ার মানসিকতা রাখেন? | গায়ের রং ও জেলা |
| বিয়ের পর স্ত্রীর ভরনপোষন চালাতে পারবেন? | হ্যা |
| আপনাার স্ত্রীর প্রতি কি কি দায়িত্ব আছে আপনার? | ১) স্ত্রীকে আল্লাহর ইবাদত ও দীনের উপর অবিচল রাখতে সাহায্য করা, দ্বীনের শিক্ষা দেওয়া ২) তার সাথে সুন্দর নমনীয় আচরণ করা, হাসিমুখে কথা বলা, অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ভালোবাসা ৩) ভারসাম্য পূর্ণভাবে স্ত্রীর জন্য খরচ করা, মোহরানা পরিশোধ করে দেওয়া ৪) স্ত্রীর শারীরিক ও মানসিক বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া ৪) স্ত্রীর মর্যাদা সংরক্ষণ করা ও অনুভূতিকে মূল্যায়ন করা ৫) স্বাভাবিক হাসি-কৌতুক, খেলা-ধুলা ও বৈধ বিনোদনের মাধ্যমে স্ত্রীর মনকে প্রফুল্ল রাখা ৬) স্ত্রীকে যথাসম্ভব সহযোগিতা করা, প্রতিযোগিতা নয় ৭) স্ত্রীর পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণের ক্ষেত্রে তাকে সাহায্য করা। ৮) স্ত্রীর গোপীয়তা রক্ষা করা ৯) স্ত্রীকে সাধ্যমত সময় দেয়া, সুযোগ করে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া ১০) স্ত্রীকে বলার মত বিষয়/সন্দহমূলক বিষয় গোপন না করা ১১) স্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের নিজের পরিবারের মত আপন করে নেয়া ১২) স্ত্রীর কষ্টে শরীক হওয়া, অহেতুক কিছু নিয়ে খোটা না দেয়া ১৩) স্ত্রীকে ইহকাল ও পরকালের বন্ধু হিসেবে দেখা ১৪) স্ত্রী রাগ করলে শান্ত করা, ভালোবাসা দিয়ে সমাধান করা ১৫) অহেতুক সন্দেহ না করা, তবে স্ত্রীও স্বামীকে ঐভাবে আগলে রাখা, যাতে সন্দেহের অবকাশ না থাকে |
| আপনার আহলিয়ার পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? | হ্যা |
| আপনি বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে কোথায় থাকবেন? | একক পরিবারে |
| বয়স (Required) | ১৬-২৩ বছর, ওজন: ৪৫-৬৫ কেজি উচ্চতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ (তবে, সুফু কুফু ভালো মিল হলে বয়স ও ওজন কিছুটা শিথিলযোগ্য) |
|---|---|
| গাত্রবর্ণ | যেকোনো গায়ের রং (সাজগোজবিহীন স্বাভাবিক চেহারা চক্ষুশীতলকারী হলেই যথেষ্ট) |
| নূন্যতম উচ্চতা | ৫ ফুট ২ ইঞ্চি (সবকিছু ঠিক থাকলে কিছুটা শিথিলযোগ্য) |
| নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা | সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের অনলাইন/অফলাইন মাদ্রাসার ছাত্রী হলে বেশি অগ্রাধিকার পাবে। তবে, ইলমের অনুসন্ধান করে / ইসলাম গভীরভাবে শিখতে চায়, কুরআন ও হাদীসের শিক্ষার সাথে লেগে আছে/গভীরভাবে শিখতে চায় এমন, যার ক্যারিয়ার/ভবিষ্যৎ চিন্তা হবে একজন দায়িত্বশীল স্ত্রী হওয়া, আদর্শবান মা হওয়া, একজন স্বামীর শ্রেষ্ঠ মাহরাম হওয়া। এতিম (মা / বাবা / মা-বাবা / কেউ নেই) / নওমুসলিম (ইসলামকে ভালোবেসে নতুন ইসলাম গ্রহণ করেছে এমন) / পারিবারিক সমস্যার কারনে (আপন লোকদের দ্বায়িত্বহীনতা / অবহেলার শিকার) এমন মেয়ে হলে আমার কোনো সমস্যা নেই। |
| বৈবাহিক অবস্থা | অবিবাহিত, শর্ট ডিভোর্সড (উল্লেখযোগ্য কারন দর্শানো সহ) |
| জীবনসঙ্গীর পর্দা সম্পর্কে যেমনটা চান- (Required) | ইসলামে পর্দা ও চক্ষু হিফাজত করা ফরজ। পরিপূর্ণ ইসলামিক পর্দা করার অভ্যাস/মানসিকতা থাকতে হবে। ঘরে হিজাব করে/মাথায় কাপড় দিয়ে চলতে হবে। নন-মাহরাম কোনো মেহমান আসলে যতটা সম্ভব সব ঢেকে চলতে হবে। বাহিরে গেলে পরিপূর্ণ কালো বোরকা ও কয়েক পার্টের নিকাব, হাত মোজা ও পা মোজা সহ, পায়ে মেয়েদের কেডস/আটকানো জুতা পড়তে হবে। ফ্যাশনেবল বোরকা, হার্ট চিহ্ন দেয়া হিজাব ও বাহারি ঝলমলে ডিজাইনের মাস্ক আমার একদম পছন্দ না, এগুলো গেল শরীরিক বাহ্যিক পর্দা। এছাড়া মনের পর্দা, কন্ঠের পর্দা, গাইরত থাকা আবশ্যক। |
| পেশা (Required) | সে আমার ঘরের রব্বাতুল বাইত হবে ইনশাআল্লাহ। আমার আম্মু আব্বুর কোনো মেয়ে নেই, বিয়ে হলে আমার স্ত্রীকে আপন মেয়ে হিসেবে ভালোবাসবে ইনশাআল্লাহ। ইনকাম করতে চাইলে ঘরে থেকে কাজ করে ইনকাম করতে পারবে, তবে তা সংসারের গুরুত্বের পর। |
| অর্থনৈতিক অবস্থা | মধ্যবিত্ত / নিন্মমধ্যবিত্ত (/ উচ্চ মধ্যবিত্ত - যদি পাত্রীর ছাড় দেয়ার মানসিকতা থাকে) |
| পারিবারিক অবস্থা (Required) | পরিবার ইসলাম মেনে চলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আর পরিবার পুরোপুরি ইসলাম না মানলেও অন্ততপক্ষে ভালো, স্বচ্ছ, ইনসাফপূর্ণ ও ন্যায়বোধসম্পন্ন মানসিকতার লোকজন যাতে হয়, হালাল রুজি রোজগার করে এবং সামাজিকভাবে সম্মানিত হয়। আর অন্ততপক্ষে মেয়েটা নিজেও যেন ইসলামকে খুব মন থেকে মেনে চলতে চায় এমন। |
| জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন | সর্বপ্রথম পাত্রীর উদ্দেশ্যে একটা কথা বলবো - "আপনার মা ভালোমন্দ সবসময়ের জন্য আপনাদের ঘরে ঠিক যেমন বৌমা/মেয়ে আশা করেন, আপনিও আমাকে পছন্দ হলে ঠিক তেমন একজন আদর্শবান স্ত্রী হয়ে আমার ঘরে আসতে হবে।" (এই লাইনটা বুঝতে না পারলে বড়দের সাহায্য নিন, বড়রাও বুঝতে না পারলে বুঝদার কারো সাহায্য নিন) আল্লাহ স্বামী ও স্ত্রী একে অপরের জন্য তৈরি করেছেন ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পরিবার গঠন করার জন্য। একজন আদর্শবান স্ত্রী তো সে, যে তার স্বামীকে নিজের বাবা মায়ের চেয়েও বেশি ভালোবাসায় আগলে রাখে! (ইসলামেও আছে এটা: আল্লাহর পরে কাউকে সিজদার বিধান করা হলে স্বামীকে সিজদায় বিধান করা হতো, অন্য কারো নয়। ভালোভাবে ভাববেন এটা)। স্বামী ও স্ত্রী একদম মনের মত মিল কখনোই সম্ভব হয় না কারন প্রতিটা মানুষ আল্লাহর পক্ষ থেকে নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য নিয়ে পৃথিবীতে আসে। তো এক্ষেত্রে খুব সহজ সমাধান হলো ছাড় দেয়া/ত্যাগ স্বীকারের মানসিকতা থাকা। দুজনের ৬০-৭০% মিল হলে, বাকি ৩০-৪০% নিজেদের মধ্যে মিলিয়ে নিলেই ব্যাপারটা ১০০% সুন্দর হয়ে যায়। আমার কখনো প্রেম ভালোবাসা হয়নি। যিনি স্ত্রী হবেন তিনিই হবে আমার একমাত্র প্রেমিকা! জীবনসঙ্গী রোমান্টিক ও একটু সহজ সরল হওয়াটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কারন আমার শোনামতে সহজ সরল মেয়েদের খুশি করা সহজ, তারা অল্পেই অনেক তুষ্ট, অনেক খুশি থাকে। একে অপরের সুখে সুখী হবো, একে অপরের দুঃখে দুঃখী হবো এমন, একে অপরকে প্রতিদিন নতুন করে বেছে নিবো অংশীদারিত্ব করে ইনশাআল্লহ। সাংসারিক জীবনে টাকাটা প্রয়োজন এটা সত্যি কিন্তু মানুষটা ভালো হওয়া তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আশাকরি আমার ভবিষ্যৎ স্ত্রী হবে নিষ্কলুষ হৃদয়ের, আমাকে শুধুমাত্র উপার্জনে নয়, বরং ভালো একজন মানুষ হিসেবে পছন্দ করে বেছে নিবেন ইনশাআল্লাহ। # জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করি: ০. আল্লাহর বিধান, রসূলের সুন্নাহ সমূহ, ইসলামিক নিয়ম, হালাল হারাম যথাযথভাবে মেনে চলবে, গায়রত/লজ্জা/আত্মরুচিবোধ বজায় রাখবে। ১. স্বামীর অসন্তুষ্টি ও কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকা। নম্র, ভদ্রতা বজায় রাখবে। যেন তার আচার, আদব কায়দায়, ব্যবহারে সারাদিন অফিসের যত চাপই থাকুন না কেন, সব শীতল হয়ে যায়, সোজাসুজি বললে চক্ষুশীতলকারী হবে। ২. স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যেকোনো তৃতীয়পক্ষের (আপন/পর) অসৎ অবস্থান / চিন্তা / ফিকির পরিত্যাগ করা, কারন এতেই প্রধান অশান্তি/ভাঙ্গন শুরু হয়। ৩. স্বামীর অকৃতজ্ঞ না হওয়া, স্বামী রাগ করলে বেয়াদবি না করে চুপ থাকা, পরে শান্ত হলে বুঝিয়ে বলা, এতে মুশকিল আহসান হয়। ৪. অবৈধ ক্ষেত্রে স্বামীর আনুগত্য না করা। ৫. স্বামীকে বলার মত বিষয়/সন্দহমূলক বিষয় গোপন না করে সত্য তিতা হলেও বলে দেয়া, ব্যক্তিগত যেকোনো সমস্যা স্বামীর সাথে আলোচনা করার মানসিকতা থাকা। ৬. স্বামীর বর্তমানে তার অনুমতি ব্যতীত রোজা না রাখা। ৭. স্বামীর ডাকে সাড়া দেয়া, মানসিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করা। ৮. স্বামী-স্ত্রীর একান্ত গোপনীয়তা প্রকাশ না করা ৯. স্বামীর ঘর ছাড়া অন্য কোথাও পর্দা খিলাফ না করা। ১০. স্বামীর অনুমতি ব্যতীত কাউকে তার ঘরে ঢুকতে না দেয়া / বাড়ির বাইরে না যাওয়া। ১১. বিপদে মনের অন্তঃস্থল থেকে সাহায্য করা। ১২. স্বামীর হক, পছন্দ অপছন্দের দিকে গুরুত্ব দেয়া। ১৩. মনে পরপুরুষের স্থান না দেয়া, স্বামীকে মন প্রাণ দিয়ে আল্লাহর জন্য ভালোবাসা। ১৪. স্বামীর পরিবারের সদস্যদের নিজের পরিবারের মত আপন করে নেয়া। ১৫. যেকোনো অবস্থায় ধৈর্য ধারন করা, দৃঢ় ও ছাড় দেয়ার মানসিকতা থাকা, যার ধৈর্য যত বেশি সে তত বেশি সুখী। একটু ধৈর্য, ভালোবাসা হয়েই আবার আল্লাহর পক্ষ থেকে ফেরত আসবে ইনশাআল্লাহ। ১৬. সংসারের দ্বায়িত্বের প্রতি মনযোগী ও শ্রদ্ধাশীল হওয়া। # জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করি না: ০ → 📌 রাসূলুল্লাহ (সা.) জানিয়েছেন ৭ টি গুণ বা বৈশিষ্ট্য ইহুদি মেয়েদের মধ্যে আছে আর এই সাতটি গুন যদি কোন মুসলিম মেয়েদের মধ্যে থাকে তবে তাদের হাশর হবে ঐ সকল ইহুদি মেয়েদের সাথে। সেই সাতটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য হলো: ১. অল্পে তুষ্টতা নেই ও সংক্রীর্ণ মানসিকতা। ২. খোটা দেয়া। ৩. স্বামীর খেদমত না করা, উল্টো আরো স্বামীকে দিয়ে খেদমত করিয়ে নেয়া (হযরত খাদিজাতুল কুবরা আল্লাহর নিকট থেকে সালাম পাওয়ার একমাত্র কারণ ছিল স্বামীর খেদমত করা) ৪. নিজেকে বড় করে দেখানো, স্বামীকে ছোট মনে করা। ৫. স্বামীর পছন্দের গুরুত্ব না দেওয়া। ৬. স্বামীকে হারাম ইনকাম করতে বাধ্য করা। ৭. স্বামীর গায়ে হাত তোলা। উপরোক্ত এই সাতটি গুন যেই মেয়েদের মধ্যে থাকবে তারা নামায, রোযা এবং পর্দা করলেও তাদের হাশর কিন্তু হবে ইহুদি মেয়েদের সাথে। [ - ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)] ১ → 📌 পাবলিক কোনো স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন, অথচ সেখানে নিয়মিত উপস্থিতি ছাড়া পড়াশোনা করা যায় না। তারা কীভাবে স্বামীর সাথে নিয়মিত ঘর-সংসার করবেন/সুখে থাকবেন? তারা বরং আশে পাশের কাছের কোনো পাত্র বিয়ের জন্য দেখলে ভালো হয়। [আজ তো উচ্চ শিক্ষার নাম করে প্রচুর বেকার সারাদেশে, ক্যারিয়ারের নামে শুধু বয়স বাড়ানোর ধান্দা আর ফিতনায় ভরা আশপাশ! এটা কাদের চক্রান্ত জানেন? পশ্চিমাদের গভীর ষড়যন্ত্র, পড়াশোনা করুন, আগেকার যুগের অভিভাবকদের জানান। যাই হোক, যারা এমন দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ারে অটল বিশ্বাসী তাদেরকে এমন ক্যারিয়ার গড়ার আমন্ত্রণ] ২ → 📌 এ যুগের বড় বড় কিছু ভয়ঙ্কর ফিতনাহ নাম - ফেমিনিজম (নারীবাদীতা), সেক্যুলারিজম (ধর্ম নিরপেক্ষতা), লিবারিজম, সমকামিতা, ট্রান্সজেন্ডার, পুজিবাদিতা, নারী স্বাধীনতার ও নিজের পায়ে দাঁড়ানোর নামে পশ্চিমাদের যত নোংরামি অনুসরণ করা (যেমন: নারীদের বাইরে যেমন খুশি তেমন পোশাক পড়ার স্বাধীনতা, বন্ধুত্বের নামে পরপুরুষের সাথে ফ্রী মিক্সিংয়ের স্বাধীনতা ইত্যাদি), না বুঝে শুনেই যুগের উন্নতির নামে অসচেতনতার পথে পা বাড়ানো, প্রাণপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া (ফেসবুক, টিকটিক, টুইটার, স্ন্যাপচ্যাট, ইনস্টাগ্রাম, অশ্লীলতা), সারাদিন রিলস, ইউটিউব, চ্যাটিংয়ে পড়ে থাকা, এগুলা সব পশ্চিমা ফাদ! [সবচেয়ে ভালো হয় সাধারণ বাটন ফোন ব্যবহার করা / স্বামীর ফোন স্ত্রীর, আর স্ত্রীর ফোন স্বামীর - এমন পরিস্কার মানসিকতা থাকা, স্বামীকে যদি এতই ভালবাসে, তবে কেনো এতো লুকোচুরি-প্রাইভেসি ও গোপনীয়তা?] ৩ → 📌 বান মারা, যাদু টোনা করা, গনক দিয়ে ভাগ্যগননা করা, বদ জ্বীন দিয়ে ক্ষতি করা, তন্ত্র মন্ত্র নিয়ে থাকা, ফকির তান্ত্রিক ধরা, মানুষ বশীকরন করা নিয়ে থাকা। [শ্রেষ্ঠ শিরক ও কুফরী] ৪ → 📌 অলসতা থাকা। আগের যুগের নানী দাদীরা ১০-১৫ টা করে ছেলে মেয়ে নিলেও বুড়ো হবার পরও শক্তিশালী ছিলো। অথচ এ যুগে অতিরিক্ত শুয়ে বসে থাকা, হাঁটা চলা, কায়িক পরিশ্রম না করায় গর্ভবতীদের সিজার/পেট কাটা অনেক বেড়েছে (যেটা শেষ জামানারও একটা আলামত!) । বিশ্বাস হচ্ছে না? এ ব্যাপারে গভীর পড়াশোনা করুন অভিভাবকের সহায়তা নিয়ে। [অলস ছেলেকে যেমন মেয়েরা পছন্দ করে না, তেমনি অলস মেয়েকেও ছেলেরা পছন্দ করে না] ৫ → 📌 কী রকম পর্দাশীল আপনি? - পর্দাশীল অথচ ফ্রি মিক্সিং কালচারে (ছেলে মেয়ে মিশ্রিত পরিবেশে) জর্জরিত ও বিভিন্ন ধর্মের ছেলেদের সাথে মিশে অহরহ ভালোবাসার ফাঁদে পড়েন ও ব্যাভিচারিনী। - পর্দাশীল অথচ লোকের কাছে বলে ছেলে কাজিনরা (গায়রে মাহরাম) আমার ভাই! অথচ ঠিকই তাদের সাথে বিবাহ বহির্ভূত প্রেম চলে বছরের পর বছর। - পর্দাশীল অথচ ধূমপান, নেশা ও মাদকাসক্তে আসক্ত - পর্দাশীল অথচ স্বামী/অবিভাবকের অনুপস্থিতিতে অন্যত্র পরপুরুষের সাথে পরকীয়া সম্পর্ক করে (হোক ম্যাসেজে/ফোন কলে/বাইরে গিয়ে) - পর্দাশীল অথচ পর্দা করেও যেন নগ্ন অবস্থায় আছে বলা যায় (মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা: এ ব্যাপারে সতর্ক করে গিয়েছেন, যা এখন সর্বত্র দেখা যাচ্ছে) - পর্দাশীল অথচ মনের ভিতরে কোনো পর্দা নেই। যেমন: খোলা জায়গায় কন্ঠের হেফাজত করে না, গায়রত/লজ্জা বলতে কিচ্ছু নেই ইত্যাদি - পর্দাশীল অথচ সমকামীতা তথা মেয়ে-মেয়ে / ছেলে-ছেলে সম্পর্ক সমর্থন করে, যাতে কোনো দুনিয়া/আখিরাত নেই এগুলা পর্দাশীলতা / দ্বীনদ্বারিতা না, শ্রেফ লোকদেখানো ভদ্রতা ও বেহায়াপনার সেফটি, ফরজ বিধান পর্দাকে অপমান করা। ৬ → 📌 পাত্রকে পাত্রীর নিজের পছন্দ না হলে শুধুমাত্র বাবা-মা/আত্মীয়ের পছন্দে/চাপে/উস্কানিতে করা বিয়েতে সংসারে শান্তি আসে না কখনোই, এরা যোগাযোগ করবেন না। ৭ → 📌 নিজের বাড়ির লোকজনকে স্বামীর/শশুর বাড়ি কারো নামে অহেতুক মিথ্যা নালিশ/বিচার দিয়ে ঝামেলা বাধানো মানসিকতার মেয়ে। স্বামীকে যাচাই না করেই অহেতুক সন্দেহ/অবিশ্বাস করা, গীবত/চোগলখোরী/পরনিন্দা করা, হিংসা-অহঙ্কার করা। এমন মানসিকতা হলে যোগাযোগ করবেন না। ৮ → 📌 সংসার জীবন সম্পর্কে কোনো কিছু না জানা / না বোঝা মেয়ে। (অনেকে বলে "মেয়ে বিয়ের পর সব শিখে নিবে!" কেন? "ছেলে বিয়ের পর নিজের পায়ে দাঁড়াবে এটা সমাজ কেন মেনে নেয় না!?" বিয়ের আগে ছেলেদের যেমন বিয়ের প্রস্তুতি নিতে হয়, নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য ঘাম ঝড়ানো কষ্ট করতে হয়, তেমনি মেয়েরো উচিত পরিবারে বাবা-মা/বয়োজ্যেষ্ঠদের থেকে আদব-কায়দা, ঘর-সংসার ও জীবন ঘনিষ্ঠ সবকিছু সম্পর্কে সাধারণ ধারণা রাখা, তাহলে স্বামী স্ত্রীর দুজনের বোঝা না বোঝার কোনো সমস্যা থাকে না) [তবে যদি ধৈর্য সহকারে সংসার শিখতে/জানতে আগ্রহী হয় ও পাত্রীর বাবা মা সাপোর্টিভ হয়, তবে আপত্তি নেই] ৯ → 📌 কারো খারাপ পরামর্শে সংসার চালানো মেয়ে সংসারের শান্তি নষ্ট করে। যেসব মেয়ে ভালোমন্দ সিদ্ধান্ত নেবার যোগ্যতা নেই, সেসব মেয়ের বিয়ে না করে বাবার ঘরে থেকে যাওয়াই ভালো। ১০ → 📌 এখনকার সময়ে অনেকেই একটা কথা বলেন যে, "মা তো মা ই, আর শাশুড়ি তো শাশুড়ি ই, তাই শাশুড়ি কখনো মা হয়না, কারন শাশুড়ি মা হলে স্বামী নাকি হয় ভাই!" কিন্তু তারা এটা ভাবে না যে, ভাই বোনের যে সম্পর্ক তার চেয়েও অত্যন্ত গভীর সম্পর্ক হলো স্বামী স্ত্রীর মধুর সম্পর্ক! সে হিসেব করলে স্বামীর শাশুড়ি তাঁর নিজ আপন মায়ের মতোই (সেও মা), আর স্বামীও আপন ছেলের মতো (ছেলে)। তেমনিভাবে স্ত্রীর শাশুড়িও তার নিজ মায়ের মতো (সেও মা), আর স্ত্রীও আপন মেয়ের মতো (মেয়ে)। তো উপরের এই কথাটা মূলত পারিবারিক সম্পর্কে ভাঙন ধরানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে। তারপরেও যারা ভাবেন - "শাশুড়ি কখনো মা হয় না", তাদের প্রতি আমার অনুরোধ বাসায় মায়ের শিশু মায়ের কাছেই থাকুন। ১১ → 📌 পাত্রীর কোনো ছেলে/বন্ধুবান্ধব এর সাথে অবৈধ যেকোনো ইতিহাস আছে এমন হলে দয়া করে যোগাযোগ করবেন না। কেননা সত্য কখনো গোপন থাকে না, আর মিথ্যা বলে আর প্রতারনা করে কেউ কখনো সুখী হতে পারে না। শেষকথা, এ দুনিয়ায় কেউই পারফেক্ট হয় না। যাদের ভালো ছেলে পছন্দের চাহিদা কখনো শেষ হয় না, যাদের উদ্দেশ্যের কোনো ঠিক নেই আর বলে, - "আমি আরো ভালো পাত্র ডিজার্ব (প্রাপ্য) করি জীবনে"। তাদের উদ্দেশ্যে বলবো - আসলেই ভালোর কোনো শেষ নেই, আমার চেয়েও পারফেক্ট ছেলে আছে, খুঁজুন, পাবেন ইনশাআল্লাহ। [ তবে, আমি আমার স্ত্রীর কাছে একজন পারফেক্ট মানুষ হতে চাই, আর আমার স্ত্রীও হোক আমার জীবনের একজন পারফেক্ট মানুষ ] |
| জীবনসংঙ্গীর জেলা যেমনটা চাচ্ছেন? (Required) | ঢাকা, বরিশাল, সিলেট (যেহেতু সিলেট আমি বড় হয়েছি, এখানের অনেক কিছু আমার জানা, তাই সিলেটে আগ্রহ দেখিয়েছি) এসব বিভাগের আশে পাশে হলে ভালো হয়। তবে, এসব এলাকার বাইরে হলেও বিবেচনা করা যেতে পারে দ্বীনদ্বারিতা* সাপেক্ষে। |
| পেশা সম্পর্কিত তথ্য (Required) | আমি বর্তমানে একটি প্রসেস ইন্ডাস্ট্রিতে এসিস্ট্যান্ট ইন্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত আছি, জব সিকিউরড এবং স্টাবল আলহামদুলিল্লাহ। |
|---|---|
| বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান | 💡 আমার জীবনে স্ত্রীকে তার অবাধ্যতা ও পরকীয়ার জন্য ডিভোর্স দিতে হবে - এমন একটা এক্সিডেন্ট হবে এমনটা কখনো আশা করিনি। ১ম স্ত্রীকে ভালোবাসার সৌভাগ্য আমার হয়নি, আল্লাহর ইচ্ছায় আবার বিয়ে হলে আর যেন এমন কেউ জীবনে না আসুক, এটাই চাওয়া। অফুরন্ত ভালোবাসা আমার ভবিষ্যৎ সৎ স্ত্রীর জন্য। 💡 যোগাযোগের আগে কয়েকবার খাস নিয়তে ইস্তেখারার নামাজ ও দোয়া করে নিবেন যে - "পাত্র ও পাত্রী একে অপরের জীবনের জন্য উত্তম কি না" এভাবে। আর পাত্রের বায়োডাটা অভিভাবককে ভালোভাবে জানাবেন, তারা যদি সবকিছু ঠিকঠাক মনে করে ও পছন্দ করে থাকলে তখন ইমেইল/ফোন করবেন। ইমেইল অ্যাক্টিভ থাকে সবসময়। আর পাত্রের অবিভাবকের ফোন নাম্বার দেয়া আছে (ফজরের পর থেকে সকাল ১০ টা, আসরের পর থেকে রাত ১০টা - এই সময়ের মধ্যে পাবেন ইনশাআল্লহ) 💡 আল্লাহ স্বামী ও স্ত্রীর ভালো মন্দ সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো জানেন। তারপরও বিয়ের পূর্বে রক্ত, ওজন ও বিবাহ পূর্ববর্তী স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে নেয়া প্রয়োজন কেননা স্বামী ও স্ত্রীর ভবিষ্যৎ ও সন্তান সন্ততির অবস্থা দুজনের শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে। তাই স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথা বলা হলো, বিস্তারিত অনলাইনে পাবেন খুঁজলে। |
| বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তা অভিভাবক জানেন? | হ্যা |
|---|---|
| আল্লাহ'র শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিচ্ছেন সব সত্য? | হ্যা |
| কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার দুনিয়াবী ও আখিরাতের দায়ভার ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি রাজি? | হ্যা |
এই বায়োডাটার অভিভাবকের মোবাইল নাম্বার এবং ইমেইল পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
অভিভাবকের সাথে যোগাযোগসর্বমোট ভিউ: 1472 ভিউস