female

বায়োডাটা নাম্বার

AH-108503

পাত্রীর বায়োডাটা

অবিবাহিত

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম বিভাগ

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম বিভাগ

২০০৪

উজ্জ্বল শ্যামলা

৫'২''

৪৪ কেজি

O+

ছাত্র/ছাত্রী

নেই।


ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা বাঁশখালী,চট্টগ্রাম।
বর্তমান ঠিকানা চক্রেসো আবাসিক,বায়েজিদ বোস্তামি,চট্টগ্রাম
কোথায় বড় হয়েছেন? (Required) আমার জন্ম গ্রামে এবং বেড়ে উঠাও গ্রামে।ক্লাস ৬ এর পরে পড়াশুনার জন্য চট্টগ্রামে আসা হয়।বর্তমানে চট্টগ্রামে থাকি।
সাধারণ তথ্য
বায়োডাটার ধরন পাত্রীর বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
বর্তমান ঠিকানা চট্টগ্রাম
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
স্থায়ী ঠিকানা চট্টগ্রাম
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
জন্মসন (আসল) ২০০৪
গাত্রবর্ণ উজ্জ্বল শ্যামলা
উচ্চতা ৫'২''
ওজন ৪৪ কেজি
রক্তের গ্রুপ O+
পেশা ছাত্র/ছাত্রী
মাসিক আয় নেই।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? (Required) জেনারেল
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? হ্যাঁ
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান ফলাফল A
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ বিজ্ঞান বিভাগ
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন ২০২১
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? হ্যাঁ
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ বিজ্ঞান বিভাগ
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান ফলাফল Golden A+
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন ২০২৩
স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএসসি অনার্স(মনোবিজ্ঞান)
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
পাসের সন বর্তমান।
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে অধ্যয়নরত।
অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখযোগ্য তেমন কিছু নেই।
IOM তথ্য
আপনি কি আইওএমের স্টুডেন্ট? না
আপনার কোর্সের নাম ও ব্যাচ নম্বর: আমি আইওএমের স্টুডেন্ট না।
পারিবারিক তথ্য
পিতার পেশা রিটায়ার্ড আর্মি।বর্তমানে ব্যবসা করেন।
মাতার পেশা গৃহিণী
বোন কয়জন? ১জন
ভাই কয়জন? ভাই নেই
বোনদের সম্পর্কে তথ্য ছোট বোন ক্লাস সেভেনের স্টুডেন্ট। স্কুল:বায়েজিদ বোস্তামি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড উচ্চ বিদ্যালয়।
চাচা মামাদের পেশা বাবা-চাচারা মোট ৪ ভাই,বাবা সবার বড়। মেজো চাচা:আর্মি সাজেন্ট,বর্তমানে তিনি ইউএন মিশনে আছেন। সেজো চাচা:পুলিশের এএসআই ছোটো চাচা:র‍্যাবে আছেন।
পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা মধ্যবিও এবং সামাজিকভাবে সম্মানিত
আপনার পরিবারের দ্বীনি অবস্থা কেমন? (বিস্তারিত বর্ননা করুন ) (Required) আমার পরিবারে দ্বীনের অবস্থান মোটামুটি তবে এটি পুরোপুরি আল্লাহর পথে চলার মতো নয়। কিছুটা দ্বীনি প্রভাব আছে, কিন্তু কখনো কখনো এটি পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির কারণে বাধাগ্রস্ত হয়। পরিবারে কিছু সদস্য আছেন যারা দ্বীনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং তা পালন করার চেষ্টা করেন, তবে পুরোপুরি দ্বীনের প্রতি অনুসরণ করেন না। আমার অভিভাবকরা ভালো মানুষ হলেও, তাদের মধ্যে দ্বীনি চেতনা এবং তা অনুসরণের ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমার মা সালাত আদায় করেন,তবে বাবা সালাতে নিয়মিত নন।পরিবার আমি ছাড়া অন্য কেউ মাহরাম-নন মাহরাম মেইনটেইন করেন না তবে ওনারা আমাকে মানতে সাহায্য করেন।বাইরে গেলে বোরকা,নিকাব পরেন তবে শরয়ী পর্দা নয়।তবে আলহামদুলিল্লাহ ওনারা সবাই শিরক,বিদআত থেকে দূরে থাকেন।
ব্যক্তিগত তথ্য
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? জ্বী আলহামদুলিল্লাহ।হঠাৎ কাযা হয়ে যায়।যখন হয় সাথে সাথে পড়ে নিই।
নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) প্রায় ৪ বছর যাবত।এর আগেও পড়া হতো তবে নিয়মিত না।
মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? জ্বী আলহামদুলিল্লাহ।
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? পুরোপুরি না।মাঝে মাঝে তিলাওয়াতে আটকে যায়।এখন তাজউইদ শেখায় চেষ্টারত আছি।
ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? বোরকা,হিজাব,নিকাব,হাত মোজা,পা-মোজা।আলহামদুলিল্লাহ আমি চোখ ঢেকে পর্দা করি
কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) ইসলামী খিলাফাত।
নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? না আলহামদুলিল্লাহ।
মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) না।তবে চোখে চশমা পরি।
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) না।
আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) না।
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) শিরক।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) মুহস্বনাত,কুররাতু আইয়ুন ১,২,সীরাহ(রেইনড্রপস মিডিয়া),ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ২.০,ধূলিমলিন উপহার রমাদান।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) শায়েখ হারুন ইজহার(হাফিঃ),শায়েখ আহমাদুল্লাহ(হাফিঃ),ড.খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহিঃ)।
বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) প্রি-ম্যারেজ প্রিপারেশন কোর্স(আসলাফ একাডেমি),টাইম ম্যানেজমেন্ট কোর্স(আসলাফ একাডেমি)।উল্লেখযোগ্য আর কোন যোগ্যতা নেই।
নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন আমি খুবই সাধারণ একজন মেয়ে।ছোট থেকে ভীষণ ইন্ট্রোভার্ট টাইপ ছিলাম।কিন্তু বড় হয়ে একটু এক্ট্রোভার্ট হয়ে যায়।আমি মানুষের সাথে কথা বলতে অনেক পছন্দ করি।অনেক মিশুক স্বভাবের।খুবই সাধারণ জীবনযাপন করি।প্রয়োজনের অতিরিক্ত সব জিনিসই আমার জন্য বিলাসিতা মনে হয়।ছোট বেলা থেকে খুবই ভালো স্টুডেন্ট ছিলাম।সব বোর্ড এক্সামে ভালো রেজাল্ট করি এসএসসি ছাড়া।তখন অসুস্থতার কারনে রেজাল্ট খারাপ হয়ে যায়।স্কুল লেভেল পর্যন্ত গার্লস স্কুলে পড়া হয়েছে কলেজে গিয়ে কো-এডুকেশনে ভর্তি হতে হয়।আমার বাবা আর্মি থাকায় আমাকে ক্যান্টনমেন্ট কলেজে ভর্তি করে দেয়।তখন আমার দ্বীনের বুঝ আসে।আলহামদুলিল্লাহ করোনা থাকায় আমি কলেজের সব ফ্রি-মিক্সিং থেকে বেঁচে থাকতে পেরেছি।কখনো নন-মাহরামদের সাথে ইন্টারেক্ট করিনি আর ছেলেরা আমার থেকে দূরে থাকতো।বাবা ভীষণ চাইতো আমি ডাক্তার হবো সেই কারনে মেডিকেলে এক্সাম দেওয়া হয়।সেই সময় আমি জানতে পারি ইসলামে কো-এডুকেশন হারাম।আমার পরিবারে আমার অবস্থান অনেক নাজুক আর বাবা অনেক ডোমিনেটিং তাই বাবার মুখের উপরে কিছু বলা হয়নি।শেষ পর্যন্ত ভার্সিটিতে এডমিট হতে হয়।ভার্সিটিতে এডমিট হওয়ার আগ পর্যন্ত আমার বাসায় চুরি করে পর্দা করা লাগতো।ভার্সিটি চান্স পাওয়ার কারনে বাবা পর্দা নিয়ে একটু শীতল হয়।আমি যথাসম্ভব নিজেকে সব ফ্রি-মিক্সিং থেকে দূরে রাখতে চায় তাই এমন একজন জীবনসঙ্গী চাই যিনি আমার এই অবস্থা গুলো বুঝবেন এবং আমাকে বিয়ের পর সহশিক্ষা ছাড়তে সাহায্য করবেন।আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি দ্বীন সম্পর্কে জানার এবং উপকারী ইলম অর্জন করার।অবসর সময়ে বই পড়া হয়,ঘরের কাজে মাকে সাহায্য করা হয়।ঘরে অবস্থান করা পছন্দ।প্রয়োজন ছাড়া একদমই বের হওয়া হয় না।চারিদিকে শুধু ফিতনা আর ফিতনার মাঝে মনে হয় যেন কিছু একটা ছুটে যাচ্ছে।তাই সর্বদা আল্লাহর কাছে পানাহ চায়।আর ফ্রি-মিক্সিং পরিবেশ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি।আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী চাই যিনি আমার পূর্ণ হেফাজত(পর্দা নিশ্চিতকারী ও গাইরে মাহরাম থেকে) করবেন এবং আমার সন্তানদের উওম অভিভাবক হবেন।এমন একটা পরিবার আমার খুব প্রয়োজন যারা আল্লাহর সাথে কানেক্টেড,সাপোর্টিভ যেখানে আমার দ্বীনের পথে চলা ও পর্দা রক্ষা করে চলা সহজ হবে।যে পরিবারে আমার সন্তানেরা উওম তরবিয়াত পাবে এর সাথে উওম আখলাকে উম্মত বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ।
আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন প্রযোজ্য নয়
কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? হানাফি
নজরের হেফাজত করেন? (Required) হ্যা
দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? দ্বীনি ইলম অর্জন করা।বিয়ের পরে স্বামীর যথাযথ হক আদায় করা।সন্তানদের উওম তারবিয়্যাহ দেওয়া।তাদের দ্বায়ী,মুজাহিদ বানানো।ওরা যেন অনেক গায়রতওয়ালা ও দায়িত্বশীল হয়।ইসলামিক পরিবার গঠন করতে চাই।একজন ভালো মা ও স্ত্রী হতে চাই।
অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) আমার অবসর সময়ে মেহেদী দেওয়া খুবই পছন্দের একটি কাজ। ছোট থেকেই এটা ছিল আমার একমাত্র এবং সবচেয়ে প্রিয় শখ।তবে, বর্তমানে ব্যস্ততার কারণে তেমন সময় পাওয়া যায় না। এছাড়া, পছন্দ-অপছন্দের মধ্যে একটি বড় ইচ্ছা হলো—ঘুরতে যাওয়ার। খুব মন চায় কোথাও একদম শান্ত পরিবেশে ঘুরে আসতে, প্রকৃতির কাছাকাছি কিছু সময় কাটাতে। কিন্তু সমস্যা হলো, ভার্সিটির চাপ এবং অন্যান্য দিক থেকে, আমি খুব কমই বাইরে বের হই। আজকালকার সময়ে চারপাশে এতটা ফিতনা-ফাসাদ যে, মাঝে মাঝে মনে হয়, আমাদের নিজেদের সুরক্ষিত রাখার জন্য অনেক কিছুই গুটিয়ে রাখতে হবে। কখনো কখনো নিজেকে এমনভাবে অনুভব করি যেন, কোনো বড় পাপ করে ফেলেছি, তবে পরবর্তীতে আল্লাহর কাছে তওবা করি, তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি, যেন আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করেন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করেন।
বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) ঘর গোছানো, আম্মুকে কাজকর্মে ও রান্নাবান্নায় সাহায্য করি।
বিয়ে সংক্রান্ত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? জ্বী আলহামদুলিল্লাহ।
বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? বিয়ে আল্লাহর একটি বিধান নবি (ﷺ) এর সুন্নাহ।আল্লাহ সুবহানাল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টির জন্য,রাসুলের সুন্নাহ আদায়ের জন্য,একটি দ্বীনি পরিবার গঠনের জন্য যেখানে সন্তানরা ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত হবে।সর্বোপরি হারাম পরিবেশ থেকে মুক্তির জন্য,দ্বীন পালনের জন্য বিয়ে করছি। কুরআনে আল্লাহ বলেছেন: "তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্যে থেকে জীবনসঙ্গী নিধারণ করেছেন এবং তোমাদের মধ্যে তিনি ভালোবাসা ও দয়া স্থাপন করেছেন, এতে রয়েছে চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শন।" (সূরা রূম: ২১)
আপনি কি বিয়ের পর চাকরি করতে ইচ্ছুক? আমি বিয়ের পর ভার্সিটির পড়ালেখা করতে চাই না।আর চাকরিও করতে চাই না এমন কাউকে চাই না জীবনে যিনি বিয়ের পর নিজের স্ত্রীকে চাকরি করতে দিতে ইচ্ছুক।
বিয়ের পর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান? (ছাত্রী হলে) দ্বীনি ইলম অর্জন করতে চাই।
বিয়েতে কেমন মোহরানা নির্ধারন করতে চান? ছেলের সাধ্যমত আলোচনা সাপেক্ষে
পাত্র/পাত্রী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো ছাড় দেয়ার মানসিকতা রাখেন? গায়ের রং
আপনার স্বামীর প্রতি কি কি দায়িত্ব আছে আপনার? স্বামীর প্রতি প্রথম ও প্রধান দায়িত্বের কথা বলেছেন, আর তা হল স্বামীর জন্য প্রশান্তির জায়গা হওয়া। স্বামীর আনুগত্য করা, ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক নয় এমন যেকোনো বিষয়ে তাঁর বাধ্য হওয়া। রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দাওয়াতি কাজে বাধাসহ নানা সমস্যায় যেভাবে আম্মাজান খাদিজা (রা) তাঁকে সান্ত্বনার সাথে সাহস যুগিয়েছেন, সেটা করতে চাই ইনশাআল্লাহ। শারীরিক মানসিক যেকোনো প্রয়োজনের দিকে খেয়াল রাখা। নিজের সতীত্ব এবং তাঁর সম্পদ ও আমানতের হেফাজত করা, তাঁর মধ্যে কথার আমানত ও উল্লেখযোগ্য, যেহেতু এটার খেলাফের কারণে বড় কোনো সমস্যা হয়ে যায়। তাঁর পরিবারের সদস্যদের দেখভাল করা, আত্মীয়দের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। সন্তানদের উওম তারবিয়াহ দেওয়া।
বিয়ের পর কোথায় থাকতে চান? স্বামীর বাড়ি
যেমন জীবনসঙ্গী আশা করেন
বয়স (Required) ২১-২৭
গাত্রবর্ণ উজ্জ্বল শ্যামলা,ফর্সা
নূন্যতম উচ্চতা ৫'৮"
নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা গ্র্যাজুয়েশন চলমান বা কমপ্লিট বা মাস্টার্স চলমান।
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
পেশা (Required) যেকোন হালাল সম্মানিত পেশা।
অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিও বা উচ্চমধ্যবিও।
পারিবারিক অবস্থা (Required) দ্বীনের বুঝ আছে এবং ফরয বিধানগুলো মেনে চলেন।যে পরিবারে দ্বীন পালনে আমার কোন অসুবিধা হবে না এমন পরিবার হলেই হবে।
জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন একজন দ্বীনদার, তাকওয়াবান মুমিন পুরুষ। একজন মুমিন পুরুষের মধ্যে যা যা বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকা দরকার সেসব বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জনে স্বেচ্ছায়, নিজে থেকেই অনেক তৎপর থাকতে হবে। -মডারেট মুসলিম যাতে না হোন...! উত্তম আখলাক, চরিত্র, আচরণের অধিকারী এবং অর্জনে তৎপর (মোটেও বদমেজাজী বা রাগী স্বভাবের যাতে না হোন)। গোপনে এবং প্রকাশ্যে যাতে আল্লাহকে ভয় করে চলেন। নিজের উপর আরোপিত ফরজ এবং ওয়াজিব বিধানগুলো যাতে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আদায় করেন এবং এ ব্যাপারে কোনভাবেই ছাড় দেওয়ার বা শীতিলতা দেখানোর মানসিকতা না রাখেন! সালাত যাতে নিয়মিত (বিনা ওজরে) জামায়াতে আদায়ের চেষ্টা করেন, জামায়াতে নিয়মিত থাকার জন্য তৎপর থাকেন।কুরআন সুন্নাহ মোতাবেক জীবন পরিচালনায় আগ্রহী হবেন।ব্যক্তিত্ববান, ম্যাচিউর এবং স্ট্রং পার্সোনালিটির অধিকারী। ম্যানলি ম্যান যাতে হোন, অবশ্যই কর্মক্ষম হতে হবে, অলস যাতে না হোন! কারণ একজন মুমিন কখনোই অলস হতে পারে না! পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় হালাল রুজি আয়ে সচেতন হোন এবং পরিশ্রমী হোন। স্ত্রীর প্রতি প্রচুর গাইরতওয়ালা..! স্ত্রীর পর্দা রক্ষা করাটা, পর্দা রক্ষায় সার্বিক সাহায্য করাটা যাতে ওনার নিজের উপর আরোপিত মহা দায়িত্ব হিসেবে নেন! এবং এক্ষেত্রে যেকোন পরিস্থিতির চাপে পড়েও, ছাড় না দেওয়ার মানসিকতা রাখেন! কোনভাবেই যাতে এমন না হয়, বিয়ের আগে আশ্বাস দিলেন, আর বিয়ের পর সেই হক্বটা আদায় গড়িমসি করছেন। পর্দা পালনে শীতিলতা দেখাচ্ছেন, স্ত্রীকে আদেশ বা অনুরোধ করছেন যাতে সে পরিস্থিতি গুলোর সাথে নিজেকে মানিয়ে নেয় বা ছাড় দেয়! দয়া করে এমন প্রতারণামূলক আচরণের লক্ষ্য থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন না! কেননা আমি আমার পর্দাতে, ফরজ বিধান পালনে কোনরূপ ছাড় দিতে পারবো না! আমি নিজের পরিবারের সাথেও একটা সময়ে পর্দা পালনে অনেক যুদ্ধ করেছি! ইভেন সেকুলার প্রতিষ্ঠানে পড়াকালীন সময়ে পর্দা পালনে  অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। সেইম সংগ্রামগুলো আমি আমার জাওযের কাছে গিয়েও আবার করতে পারবো না! আমি আমার দুনিয়া আখিরাত শেষ করতে পারবো না। জাওযের পরিবারের অন্যরা এক্ষেত্রে সাপোর্টিভ না হলেও জাওযের সাপোর্টিভ হওয়াটা অত্যন্ত জরুরী! এক্ষেত্রে শক্তভাবে উনার স্ত্রীর পাশে অবস্থান করাটা উনার দায়িত্ব...! শুধুমাত্র স্ত্রী নন, ওনার মা, বোন এবং ওনার অন্যান্য মাহরাম নারীদের পর্দা রক্ষায়ও যাতে খুব সচেতন হোন। তাদের পর্দা পালনে উদ্বুদ্ধ করেন। পাশাপাশি ওনি নিজেও যাতে কঠোরভাবে ওনার নজরের হেফাজতের চেষ্টা করেন! পরনারীর সাথে যথাসম্ভব সর্বোচ্চ পর্দা মেইনটেইন করার চেষ্টা করেন। (অবশ্যই নিজে থেকে, স্বেচ্ছায় এবং আল্লাহকে ভয় করে!) শুধুমাত্র স্ত্রীর ভয়ে বা তার মন রক্ষার জন্য বা স্ত্রীর প্রেশারে পড়ে ঘরে বাইরে নন-মাহরাম মেইনটেইন করছেন বা বাধ্য হয়ে করছেন... কোনভাবেই যাতে এমন মনোভাব না হয়! ওনাকে মাথায় রাখতে হবে, আমার মতো ওনারও পর্দা মেইনটেইন করা, দৃষ্টির হেফাজত করা ওনারও ওনার রব্বের আরোপিত ফরজ বিধান! ওনাকে অবশ্যই এটা পালন করতে হবে! অনলাইন-অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই এটি। বিয়ের আগে অবশ্যই বিবাহ, দাম্পত্যজীবন, স্ত্রীর হক, ফিমেইল মাইন্ড/সাইকোলজি, ফ্যামিলি মেইনটেইন এবং এবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ বেসিক স্টাডিটুকু অবশ্যই থাকতে হবে। কেননা বিয়ের মতো এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ে কোন প্রকার প্রস্তুতি না নিয়ে, বেসিক স্টাডিটুকু না করে, শুধুমাত্র ফ্যান্টাসি নিয়ে এই জীবনে প্রবেশ করা মারাত্মক বোকামি হতে পারে...! (আল্লাহ হেফাজত করুক)। সত্যি কথা বলতে, আমি নিজেও এই বিষয়টা মাথায় রেখে এই প্রস্তুতি অর্জনে চেষ্টা করছি (আল্লাহ কবুল করে নিক)। আমার ক্ষেত্রে এই প্রস্তুতি অর্জনে প্রতিকূলতা অনেক বেশি! তারপরও আমি চেষ্টা করছি। ওনার যদি এখনও এই বিষয়ে নলেজ না থাকে তাহলে ওনি যাতে অতি শীঘ্রই নিজ দায়িত্বে একটা নির্দিষ্ট লেভেলের স্টাডি করে নেন (বিবাহের পূর্বেই)। ওনি যাতে প্রচুর দায়িত্বশীল হোন। দায়িত্ব-জ্ঞানহীন পুরুষদের আমি খুব অপছন্দ করি। আমি আমার পিতাকে সবসময় আমাদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দায়িত্ববান হিসেবে পেয়েছি। একজন পুরুষ কীভাবে নিজের সীমিত আয়, শক্তি-সামর্থ্য, আন্তরিকতা দিয়ে নিজের স্ত্রী, সন্তান, মা, বোন, আত্মীয়সহ অন্যদের হক আদায়ে, দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ তৎপর থাকতে পারে, তা আমি আমার আব্বুকে দেখে বুঝেছি, আলহামদুলিল্লাহ। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, "প্যারেন্টিং" বিষয়ে স্টাডি, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক। যদিওবা আমি এই বিষয়ে  স্টাডির সুযোগ পাইনি বা এখনো ওভাবে শুরু করা হয়নি। সন্তান প্রতিপালনে পিতা মাতা উভয়ের-ই একইসাথে এই জ্ঞান অর্জন করা জরুরি। তাই আমার ইচ্ছে আছে বিয়ের পর আমার জাওযসহ একসাথে এ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করবো, প্রয়োজনে কোর্স করবো, ইন শা আল্লাহ। তাই ওনিও যাতে এ বিষয়ের মাহাত্ম্য এবং গুরুত্ব বুঝতে পারেন এবং আগ্রহী হন। -দ্বীনির খেদমত এবং দাওয়াতি মনোবল যাতে নিজের মধ্যে তৈরি করেন। রব্ব যাতে তাকে দ্বীনের দায়ী হিসেবে কবুল করে নেন, এজন্য প্রয়োজনীয় মেহনতটুকু এবং দোয়া করেন। এক্ষেত্রে সর্বাবস্থায় আমাকে পাশে পাবেন তিনি, ইন শা আল্লাহ। -ওনি যাতে অনেক সাহসী হোন, শাহাদাতের তামান্না অন্তরে ধারণ করেন (আল্লাহ কবুল করে নিক) -নিজের আপন পিতা-মাতা ভাই-বোন সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য, আত্মীয় স্বজনের হক আদায়ে সচেষ্ট হোন। ওনাদের প্রতি রেসপন্সিবল হোন। পরিবারের সকলের দ্বীন পালনের বিষয়ে ওনি কতটুকু ভূমিকা রাখছেন সে বিষয়ে সচেতন হোন, আত্মা -পর্যালোচনা করেন। কেননা এসব বিষয়ে তাকে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। -স্ত্রীর প্রতি কেয়ারিং, সচেতন, কো-অপারেটিভ, হেল্পিং এবং সাপোর্টিভ মনমানসিকতার যাতে থাকেন। স্ত্রী ভুল করলে সেটা ভালোবাসা এবং সহমর্মিতার সাথে, উত্তম নাসিহতের মাধ্যমে শুধরে দেন। স্ত্রীকে পিতা-মাতা, ভাই বোন বা অন্যদের সামনে শাসন বা অপমান না করেন। হিকমাহ অবলম্বন করে প্রয়োজনে পারসোনালি নিজেদের সমস্যা গুলো আলোচনা করে সমাধ করে নেওয়ার মতো বিচক্ষণতা থাকতে হবে। স্ত্রী এবং পিতা- মাতা ভাই বোনের মাঝে হিকমাত অবলম্বন কবে ইনসাফ করতে  সক্ষম হন। আমি ছোট বেলায় যৌথ পরিবারে বড় হলেও ক্লাস সিক্স থেকে আমি,মা,বোন,বাবা শহরে থাকি।তাই যদি ছেলের পরিবার যৌথ হয় তাহলে যাতে ওনারা আমাকে পর্দা করতে সহযোগিতা করেন কারন একা একা একটা পরিবারে দ্বীন মেনে চলা সম্ভব না।আমি চেষ্টা করবো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তাদের হক আদায় করার। আমার মা-আব্বু আমাকে শিখিয়েছেন কিভাবে পরিবারে,বিশেষ করে শ্বশুর-শাশুরির হক আদায় করতে হয়। আমার মাও নিজে শ্বশুরবাড়ির মানুষের প্রতি যে আন্তরিকতা ও সহযোগিতার মনোভাব রেখে চলেছেন, আমি তার কাছ থেকে সেই শিক্ষা পেয়েছি। তারা কখনোই এমন কিছু শিখাননি যেখানে হাসবেন্ডের পিতামাতাকে অসম্মান করা যাবে বা পরিবারের সদস্যদের প্রতি অবহেলা প্রদর্শন করা হবে। আমি সর্বদা তাদের আদর্শ অনুসরণ করতে চেষ্টা করি। তবে, আমি জানি আমি একজন মানুষ, এবং সকল দিক থেকে নিখুঁত নয়। মা মোটামুটি ঘরের সব কাজ করেন সেজন্য সেভাবে ফ্যামিলি মেইনটেইন করার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা আমার নেই। ঘরের কাজকর্মে আমার তেমন দক্ষতা নেই, সুতরাং কিছু কিছু জায়গায় ভুল হতে পারে। এ কারণে আমি চাই আমার স্বামী যদি বুঝদার, সাপোর্টিভ এবং সহানুভূতির মনোভাব নিয়ে আমার পাশে দাঁড়ান, তবে তা আমার জন্য অনেক সাহায্যকারী হবে। একইভাবে, আমি চাই তিনি হিকমাহ ও বিচক্ষণতার সাথে চলতে পারেন এবং আমাদের সম্পর্ক এবং পরিবারে সবকিছু সুন্দরভাবে ব্যালেন্স করতে সহায়তা করবেন। বিবাহের পর আমি আমার পরিবারের সদস্যদের সাথে দায়িত্বশীল আচরণ করতে চাই এবং সবসময় তাদের হক আদায়ে সচেতন থাকতে চাই। -আমি চাই আমার জাওয আমার আব্বু-আম্মু এবং পরিবারের সাথে উত্তম আচরণ করেন এবং সম্মানজনক ও সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করেন। ওনাদের শারীয়াহর বিষয়ে জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা থাকার কারণে অনেক ক্ষেত্রে ভুল কথা বলে ফেলতে পারেন। এক্ষেত্রে ওনাদের অসম্মানজনক বা আঘাত করে কথা না বলে হিকমাহ এবং বিচক্ষণতার সাথে উত্তম আচরণের মাধ্যমে ওনাদের ভুলটা শুধরিয়ে দিবেন, ইন শা আল্লাহ। কেননা আমার প্যারেন্টসও উত্তম নাসিহাহ পেলে নিজের ভুল শুধরে নিতে আগ্রহী। -আমাকে আমার আম্মু-আব্বু এবং নিজ পরিবারে হক আদায়ে সহযোগীতার মনোভাব রাখেন এবং সাপোর্টিভ হোন, পাশে থাকেন। -বিয়ের পূর্বের "পাত্রী দেখাদেখি" এই স্টেজ এ পাত্র নিজে এবং মহিলারা ছাড়া আর কোন নন-মাহরাম পাত্রীকে দেখতে পারবেন না (পাত্রের পিতাও না)!! এটা বেশ গুরুত্বের সাথে আগেই বলে দেওয়ার কারণ, ওই সময় যাতে ওনার পরিবারের এটাকে কেন্দ্র করে আমার পরিবারের সাথে কোনরূপ দ্বন্দ না হয় বা চাপ প্রয়োগ না করেন! তখন দেখা যাবে আমার পরিবারও হয়তো আমাকে প্রেশারাইজ করছে! -বিয়ের এবং বিয়ের পরবর্তী সময়ে পাত্র এবং পাত্রের পরিবার যাতে আমার পরিবারের কাছে ডিরেক্টলি এবং ইনডিরেক্টলি কোন কিছু দাবি বা আশা না করেন। আমার পরিবার যদি নিজ থেকে কিছু দিতেও চাই তাহলেও পাত্র যেন নিজে থেকে সম্মানের সহিত তা গ্রহণ না করার দৃঢ় মানসিকতা রাখেন। -সর্বোপরি আমি এমন একটা পরিবারের স্বপ্ন দেখি, যেখানে সর্বদা একটা দ্বীনি পরিবেশ বিরাজমান থাকবে। পরিবারের সকলে দ্বীন পালনে উদগ্রীব থাকবে! পরিবারে দ্বীনি হালাকাহ, তালীম চালু থাকবে! -আমার সংসারটাকে যেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা দুনিয়ার বুকে এক টুকরো জান্নাত বানিয়ে দেন, ইন শা আল্লাহ.....! -আমি স্বপ্ন দেখি, আমার জীবনসঙ্গী আমার দ্বীন পালনে সর্বাত্মক সঙ্গী হবেন, আমার অর্ধেক দ্বীন পূরণ করবেন! তিনি আমার হাত ধরে এমন একটা পথ পাড়ি দিবেন, যে পথটা আরশের রব্বের ইশারায় সুদূর জান্নাতে গিয়ে মিশেছে....ইন শা আল্লাহ! -আমার সন্তানরা যেন দ্বীনের রক্ষক হয়। আমার জীবনের একমাত্র সার্থকতা হবে!আমার রব যেন আমাকে উম্মাহর আদর্শ নারীদের ন্যায় আদর্শ স্ত্রী, আদর্শ মা এবং আদর্শ সন্তান হওয়ার তাওফিক দেন.... আমিন! আরো কিছু কথা বলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।এটা আমার জীবনের একটি খন্ডচিত্র, যেখানে আমি নিজেকে খুঁজে পেতে চেষ্টা করছি। আমার ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারের মাঝামাঝি সময়ে দ্বীনের সঠিক বুঝ আসে। এর আগ পর্যন্ত আমি মেয়েদের স্কুলে পড়াশোনা করতাম। আমার এসএসসি এর জিপিএ খারাপ থাকার কারণে বাবার কোটায় ক্যান্টনমেন্টে ভর্তি হয়েছি। শুরু থেকেই আমি ছিলাম ইন্ট্রোভার্ট এবং ঘরকুনো, কিন্তু ক্লাস নাইনে ওঠার পর নিজেকে সবার সঙ্গে মিশিয়ে চলার চেষ্টা করি। কো-এডুকেশনে আগে না থাকার কারণে প্রথমে খুবই আনইজি লাগত। আমার পরিবার অনেক বেশি কনজারভেটিভ, আর বাবাও ছোট থেকে অনেক স্ট্রিক ছিলেন। তিনি কখনো ছেলেদের সঙ্গে মিশতে দিতেন না, এমনকি কথা বলার অনুমতিও ছিল না। করোনা ব্যাচ হওয়ার কারণে কলেজে তেমন যেতে হয়নি। যখনই কলেজে যেতাম, বোরকা ও নিকাব পরতাম, কিন্তু ড্রেস কোডের কারণে কলেজে গিয়ে খুলে ফেলতাম। কলেজে প্রথমবার নিকাব পরতে গিয়ে আমি অনেক অস্বস্তি অনুভব করতাম, কারণ আমার বাবা তখন রিটায়ার্ড হননি, এবং তিনি নিকাব এবং বোরকা পরা পছন্দ করতেন না। আমাদের পরিবারে পর্দা, মাহরাম-নন মাহরাম বিষয়গুলো নিয়ে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। পরিবারে এগুলা আগে কখনো কেউ করেনি।পরিবারে কেউ প্রথমে আমার ব্যাপারগুলো বুঝতে পারেনি, কারণ আমি সবকিছু গোপনে করতাম এবং নিজেকে লুকিয়ে রাখতাম। ২০২১ সালে আমি কোনো ফোনও ছিল না, অর্নাসে উঠার পর প্রথম ফোন পাই। তখনই আমার দ্বীনি পড়াশোনা শুরু করার সুযোগ পাইনি। এদিকে, এডমিশন পরীক্ষার জন্য অনেক চাপ ছিল। দাদুর মৃত্যু, চাচ্চুর বিয়ে, ফুফির বিয়ে, দুই চাচির বেবি হওয়ার মতো অনেক কাজ ছিল বাসাতে। এছাড়া আমি কোনো একাডেমিতেও ভর্তি হতে পারিনি। ভার্সিটিতে পড়াশোনার খরচ বাবা বহন করতেন, তাই সেখানে দ্বীনি পড়াশোনার বিষয়টি আমি আলোচনা করতে পারতাম না। আমি জানতাম না যে সহশিক্ষা হারাম। তখন আমার কাছে কোনো দ্বীনি বন্ধু, বই বা কোনো সহায়তা ছিল না। পরিবারের সবাই আমাকে ডাক্তার হওয়ার ব্যাপারে অনেক বেশি আগ্রহী ছিলেন, কিন্তু আমি জানতাম, মেডিকেল সেক্টর দ্বীনের সাথে খাপ খাইয়ে চলা কঠিন। সেই জন্য ভার্সিটিতে ভর্তি হতে চাইছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, ভার্সিটিতে চান্স পাওয়ার পর বাবা পর্দা এবং মাহরাম-নন মাহরামের প্রতি অনেক সহনশীল হয়েছিলেন। তবে, বিয়ের পর আমি কো-এডুকেশন ছেড়ে দিতে চাই এবং এটি আমার বিয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য। আমি জানি, আমার পরিবার এখন এই বিষয়গুলো বুঝতে পারবে না, বরং আমার পর্দা নিয়ে হয়তো আরও সমস্যা তৈরি করবে। তাই আমি বিয়ের পর সহশিক্ষা ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে আমার স্বামী ও তার পরিবারের একান্ত সহযোগিতা কামনা করি। আশা করছি, তারা আমাকে বুঝবে এবং এই বিষয়ে আমার সিদ্ধান্তকে সম্মান করবে। এটি আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আমি মনে করি বিয়ের মাধ্যমে আমি জীবনে পরিপূর্ণভাবে দ্বীনের পথে চলার সুযোগ পাবো।
জীবনসংঙ্গীর জেলা যেমনটা চাচ্ছেন? (Required) চট্টগ্রাম, ঢাকা
অন্যান্য তথ্য
পেশা সম্পর্কিত তথ্য (Required) আমি এখনো স্টুডেন্ট।
বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান না আলহামদুলিল্লাহ।
কর্তৃপক্ষের জিজ্ঞাসা
বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তা অভিভাবক জানেন? হ্যা
আল্লাহ'র শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিচ্ছেন সব সত্য? হ্যা
কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার দুনিয়াবী ও আখিরাতের দায়ভার ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি রাজি? হ্যা
যোগাযোগ

এই বায়োডাটার অভিভাবকের মোবাইল নাম্বার এবং ইমেইল পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

অভিভাবকের সাথে যোগাযোগ

সর্বমোট ভিউ: 412 ভিউস