| স্থায়ী ঠিকানা | নড়াইল |
|---|---|
| বর্তমান ঠিকানা | নড়াইল |
| কোথায় বড় হয়েছেন? (Required) | নড়াইলে। |
| বায়োডাটার ধরন | পাত্রীর বায়োডাটা |
|---|---|
| বৈবাহিক অবস্থা | অবিবাহিত |
| বর্তমান ঠিকানা | ঢাকা |
| বিভাগ | ঢাকা বিভাগ |
| স্থায়ী ঠিকানা | নড়াইল |
| বিভাগ | খুলনা বিভাগ |
| জন্মসন (আসল) | ২০০৫ |
| গাত্রবর্ণ | উজ্জ্বল শ্যামলা |
| উচ্চতা | ৪'১০'' |
| ওজন | ৩৯ কেজি |
| রক্তের গ্রুপ | B- |
| পেশা | ছাত্র/ছাত্রী |
| মাসিক আয় | নেই |
| কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? (Required) | জেনারেল |
|---|---|
| আপনি কি হাফেজ? | না |
| দাওরায়ে হাদীস পাশ করেছেন? | না |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান ফলাফল | Golden A+ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ | বিজ্ঞান বিভাগ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন | ২০২১ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ | বিজ্ঞান বিভাগ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান ফলাফল | A |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন | ২০২৩ |
| স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা | BA Honors in English চলমান |
| শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম | Bangladesh University of Professionals(BUP) |
| পাসের সন | অনার্স চলমান |
| সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা | অনার্স চলমান |
| অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা | নেই |
| আপনি কি আইওএমের স্টুডেন্ট? | না |
|---|---|
| পিতার পেশা | অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য। বর্তমানে বাজারে স্টক মালের ব্যবসা করেন(পাট,সরিষা,ধনিয়া,তিল ইত্যাদি)। |
|---|---|
| মাতার পেশা | স্থানীয় গার্লস স্কুলের শিক্ষিকা |
| বোন কয়জন? | বোন নেই |
| ভাই কয়জন? | ১জন |
| ভাইদের সম্পর্কে তথ্য | ভাই আমার থেকে তিন বছরের ছোট,অবিবাহিত, স্টুডেন্ট।২০২৫ এ এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সিভিল ইন্জিনিয়ারিং এ চান্স পেয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। |
| চাচা মামাদের পেশা | *চাচা মামাদের পেশা:বড় চাচা-মাদ্রাসার শিক্ষক ও ব্যবসায়ী *মেজো চাচা- হাই স্কুল শিক্ষক ও ব্যবসায়ী *সেজো - আমার বাবা *বাকি তিন চাচার একজন সার ও কৃষিপণ্যের ব্যবসা করেন,একজন ব্যাংকার আর অপরজনের একটা বড় মুদী দোকান এবং ব্যবসা আছে। *বড় মামা- ইন্তেকাল করেছেন *মেজো মামা- বয়স হয়ে গেছে, বিশেষ কিছু করেন না। *ছোট মামা - মালয়েশিয়া প্রবাসী ছিলেন। এখন বয়স্ক হয়ে গেছেন এবং বিশেষ কিছু করেন না। |
| পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা | গ্রামের স্বচ্ছল মধ্যবিত্ত পরিবার বলা যায় আলহামদুলিল্লাহ।গ্রামে নিজেদের দোতলা পাকা বাড়ি আছে এবং মাঠে সামান্য কিছু জমিজমা আছে আলহামদুলিল্লাহ। |
| আপনার পরিবারের দ্বীনি অবস্থা কেমন? (বিস্তারিত বর্ননা করুন ) (Required) | কঠোর প্রাকটিসিং মুসলিম পরিবার না। সাধারণ মধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবারের মতো। আম্মুর দীনের যথেষ্ট বুঝ আছে এবং ইবাদতে নিয়মিত। বাবা আর ভাই মোটামুটি।তবে তাদের সবাই দীনের বিষয়ে সাপোর্টিভ,বিশেষ করে আম্মু। মা বাবা দুজনেই অনেক পরোপকারী মানসিকতার আলহামদুলিল্লাহ। মানুষকে যথাসাধ্য অনেক হেল্প করেন নানান বিষয়ে। |
| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? | হ্যা,পাঁচ ওয়াক্তই পড়া হয়। মাঝে মধ্যে ঘুমের কারণে হঠাৎ কোনো ওয়াক্ত কাযা হয়ে যায়। |
|---|---|
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) | যতদূর মনে আছে ২০২০ সাল থেকে নিয়মিত । মানে প্রায় ছয় বছর হতে চললো। |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? | হুম, যথাসাধ্য মেইনটেইন করে চলি ইনশা আল্লাহ। মানার ধরন ও কেমন পাত্র প্রত্যাশা করি সেটা ক্লিয়ারলি বোঝাতে একটু বিস্তারিত লিখছি। সোশ্যাল মিডিয়ায় কখনোই নিজের ছবি বা এ ধরনের কিছু আপলোড করিনি। এটা আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ যে, তিনি আমাকে পুরুষের স্পর্শ থেকে পবিত্র রেখেছেন। কোনো ছেলের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ, রেস্টুরেন্ট, পার্ক, রিকশায় ঘোরাঘুরি বা আড্ডাবাজির কোনো অস্তিত্বই আমার জীবনে নেই আলহামদুলিল্লাহ। প্রতিবেশী, আত্মীয়া, ক্লাসমেইট, রুমমেইট, বাড়িওয়ালা বা টিচারদের থেকেও জিজ্ঞেস করে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আমিও এরকম জাওজ প্রত্যাশা করি, যিনি নিজেও এসব থেকে বিরত ছিলেন ইনশা আল্লাহ। আমি ভার্জিনিটিকে স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের হক মনে করি, তাই নিজের জন্যও অবশ্যই ভার্জিন ছেলে চাই ইনশা আল্লাহ। একান্ত ইমারজেন্সি ছাড়া আমার ছেলে কাজিনদের সাথেও যোগাযোগ হয় না, এবং কখনো কোনো ক্লোজ রিলেশন ছিল না। কোনো ছেলে ক্লাসমেইট বা কাজিন আমার ফ্রেন্ডলিস্টেও ছিল না। একাডেমিক প্রয়োজনে কখনো যদি জরুরি কিছু বলতে হয়, শুরুতে ভাই সম্বোধন করে প্রয়োজনীয় কথাটুকু বলি, তারপর বিরত থাকি। অহেতুক গল্পগুজবের সুযোগ দিই না। আমার তেমন কোনো ক্লোজ বান্ধবীও নেই। দরকার ছাড়া কারো সঙ্গে খুব একটা কথা বলি না, মিশিও না। একা একাই থাকতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। তাই সবাই আমাকে ইন্ট্রোভার্ট হিসেবেই চেনে। তবে দু-একজন প্রাকটিসিং আপু ও বান্ধবীর কাছে আমি অনেক মিশুক ও চঞ্চল। মা–বাবা-ভাই ছাড়া সবার ক্ষেত্রে ইন্ট্রোভার্ট বললেই চলে। এজন্য আত্মীয়দের অনেকে আমাকে অহংকারী বা অসামাজিকও ভাবে। ফেসবুক বা অন্য কোনো সোশ্যাল সাইটে কিংবা কলেজ-ভার্সিটির কোনো গ্রুপ পিকচারে আমাকে খুঁজে পাবেন না ইনশা আল্লাহ, কারণ এসব থেকে দূরেই থাকি। তবে সম্পূর্ণ ঘরে থাকা সম্ভব না হওয়ায় নানা কারণে বাইরে যেতে হয়, এজন্য নিজেকে খাস পর্দানশীন বলতে পারি না। খাস পর্দানশীন বোনদের তুলনায় আমি নিজেকে নর্দমার কীটের চেয়েও নিকৃষ্ট মনে করি—এতে কোনো সন্দেহ নেই। তাড়াতাড়ি এই অনার্স শেষ করতে চাই ইনশা আল্লাহ। আম্মু অন্য বাচ্চাদের তুলনায় আগেই স্কুলে ভর্তি করিয়েছিলেন বলে ১৯ বছর বয়সেই অনার্স ফার্স্ট ইয়ার শেষ হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ, যেটা সবার ক্ষেত্রে হয় না। বাকিটাও দ্রুত শেষ হোক—এটাই দুয়া করি। জাজ করার আগে বলবো, সহশিক্ষায় কেন আছি সেটা ব্যক্তিগত তথ্যের অংশে পড়ে নেবেন, তারপর যত খুশি জাজ করবেন। (এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরে বিস্তারিত জানানো যাবে; এখানে শুধু সারাংশ দিলাম।) সহশিক্ষা হারাম জেনেছি বেশি দিন হয়নি, আর স্পষ্ট হারাম জানার পর থেকে আমি একে সমর্থন করি না। বর্তমানে আমি নিজেই এই নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি এবং যত দ্রুত সম্ভব এর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করছি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা আমার ও অন্য বোনদের জন্য সহজ করুন। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? | একেবারে পুরোপুরি শুদ্ধভাবে পারিনা। তাজউইদ সহ শেখা চলমান। দেখে তিলাওয়াত করতে পারলেও মাঝে মাঝে হঠাৎ আটকে যাই তাই আরও সাবলীল করে শিখতে চাই ইনশা আল্লাহ। উচ্চারণ পুরোপুরি শুদ্ধ না হলেও শেষ পারার কিছু সূরা এবং ফজিলতপূর্ন কিছু কিছু আয়াত মুখস্থ হয়েছে আর সামনে আরও মুখস্থ করার ইচ্ছে আছে ইনশা আল্লাহ |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? | কালো ও কালোর কাছাকাছি রঙের(নেভি ব্লু ও গ্রে) বোরকা বা খিমার,হাত পা মোজা,সিম্পল নিকাব। |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) | মাদখালী শায়েখদের অপছন্দ করি।গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক প্রথা ও দলগুলোকে গার্বেজ এবং ইসলামিক গণতন্ত্রকেও ধোকা মনে করি।খিলাফত ও শরীয়াহ শাসনে বিশ্বাস করি;গণতন্ত্রকে কুফরি ও শিরকী ব্যবস্থা বলে মনে করি এবং মোটেই সমর্থন করি না। |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? | না,আলহামদুলিল্লাহ।বিরতই থাকি।মাঝে মধ্যে দেশ বিদেশের নিউজ, সার্ভাইভাল ও সেফটি নিয়ে সচেতনতা বিষয়ক কন্টেন্ট ,সায়েন্স বা টেকনোলজি রিলেটেড ভিডিও দেখা হয় । তবে বেগানার ফিতনা উদ্রেককারী কিছু সামনে আসলে স্কিপ করে যাই বা চোখ সরিয়ে নিই। |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) | জানামতে তেমন সিরিয়াস কিছু নেই আলহামদুলিল্লাহ।দূরের জিনিস দেখতে একটু সমস্যা হয় তাই আপাতত চশমা ইউজ করি । তবে বিয়ের আগেই ট্রিটমেন্ট করে চশমা ছেড়ে দেবো ইনশা আল্লাহ। তাই এটা নিয়েও চিন্তা নেই। অবশ্য চশমা থাকায় চোখের পর্দায় সহায়ক হয় কিছুটা হলেও। তাই চোখ সুস্থ হয়ে গেলেও বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় পাওয়ার বিহীন ইউভি প্রটেকশনের চশমা ইউজ করার ইচ্ছে আছে। |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) | না |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) | না |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) | মাজার একটা সিম্পল কবর বৈ আর কিছু না। এটা কাউকে কিছু দিতে বা কিছু কেড়ে নিতে পারে না। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) | দীনী বই খুব কমই পড়া হয়েছে।বই পড়ার চেয়ে ক্ষেত্রবিশেষে অডিও লেকচার শুনতে বেশি ভালো লাগে। কুরআনের তাফসিরের পরে পছন্দের তালিকায় থাকা কিছু বইয়ের নাম লিখছি যেন মন মানসিকতা বুঝতে সুবিধা হয় ইনশা আল্লাহ : রিয়াদুস সালিহীন, তাফসীরে সূরা তাওবাহ্, সীরাহ্, নেক সুরতে শয়তানের ধোকা, ইসলাম ও গণতন্ত্র, তাওহীদের মূলনীতি,ইসলামি জীবনব্যবস্থা,নবী ইউসুফের আ: পাঠশালা,চিন্তাপরাধ,হাদিসের নামে জালিয়াতি, চোখে দেখা কবরের আযাব, সালাফের জীবন থেকে, বিপদ যখন নিয়ামত, আফগানিস্তানে আমার দেখা আল্লাহর নিদর্শন, ধূলিমলিন উপহার রমাদান, আল্লাহর সাথে সততা, আফগানিস্তানে আমি আল্লাহকে দেখেছি, পাশ্চাত্য ইসলাম বিরোধী ষড়যন্ত্র,সবুজ পাতার বন ইত্যাদি। এসব বইয়ের নির্যাস জানার ইচ্ছে। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) | পছন্দের আলিম ও দায়ীদের মধ্যে রয়েছেন: আব্দুল্লাহ আজজাম রহি:, আহমাদ মুসা জিবরিল হাফি:,আসসিম আল হাকিম হাফি:, তামিম আল আদনানী হাফি:,ডক্টর খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহি:,জসিম উদ্দিন রহমানি হাফি:,মওলানা তারিক জামিল হাফি:,ডক্টর জাকির নায়েক হাফি:,শায়েখ হারুন ইজহার হাফি:, শায়খ আহমাদুল্লাহ হাফি: প্রমুখ ।এনাদের মধ্যে স্যার ডক্টর জাকির নায়েকের প্রতি আমি বিশেষ কৃতজ্ঞ কারণ আমার দীন যাত্রার শুরুটা হয়েছিলো ওনার লেকচার শুনে । এছাড়াও নিচের এ ব্যক্তিদের পাশাপাশি অনুরূপ সমসাময়িক মুসলিম একটিভিস্ট ও দায়ীদের লেখা মাঝে মধ্যে পড়া হয়: আসিফ আদনান, শামসুল আরেফিন শক্তি, মেহেদী হাসান,তানজিল আরেফিন আদনান, আতিক-উল্লাহ,জাকারিয়া মাসুদ, শিবলি আহমেদ, আহমেদ রফিক, সরোয়ার হোসাইন, প্রমুখ আরও এরকম কমিউনিটির যারা আছেন । |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) | উল্লেখ করার মতো কিছু নেই |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন | নিজের সম্পর্কে বলার মতো বিশেষ কিছু নেই। আমি রবের এক অতি নগন্য বান্দি।ছোট থেকেই আম্মুর তাগিদে মক্তবে আরবি শিখতে যেতাম। সালাত মাঝে মাঝে পড়তাম কিন্তু ইরেগুলার ছিলাম। পরে রবের অসীম অনুগ্রহে ২০২০ এর দিকে দীনের আরও বুঝ পাই আর শুরু হয় যাত্রা। শুরুতে স্যার ডক্টর জাকির নায়েকের লেকচারগুলো টিভিতে প্রচারিত হতো যেগুলো দেখে আমি অনেক প্রভাবিত হই। এভাবে ধীরে ধীরে দীনের পথে চলা শুরু আর আজও এভাবেই ইমানের চড়াই উৎরাই এর মধ্য দিয়ে জীবন চলছে। নিজের সম্পর্কে বলার মতো বিশেষ কিছুই নেই।নেগেটিভ দিক ছাড়া পজিটিভ কিছু খুঁজে পাই না। খুব করে চাই রবের কাছে প্রিয় এক দাসী হতে। কিন্তু এখনো আমলে আখলাকে নিজেকে সে পর্যায়ে নিতে পারিনি। চেষ্টা করছি নিজেকে আরও ডেভেলপ করার ইনশা আল্লাহ। রাগ অভিমান ইগো আবেগ, জীদ দুষ্টুমি সবই আছে কম্বিনেশন আকারে। এমনিতে ঠান্ডা মেজাজের মানুষ, চুপচাপ থাকতে পছন্দ করি। ইন্ট্রোভার্ট টাইপ। তবে মানসিকতা মিললে বা স্পেইস পেলে একটু সময় নিয়ে ভালোই মিশতে পারি। রসিকতা বা দুষ্টামি পছন্দ করি তবে অতিরিক্ত না। মিথ্যার চর্চা, গিবত চর্চা,কারো বাহ্যিক রূপ, সৌন্দর্য বা গড়ন,দুনিয়াবি যোগ্যতা নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা,অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ অপছন্দ করি।ভুল বুঝতে পারলে স্বীকার করি ও ক্ষমা চাওয়ার মানসিকতা রাখি। উম্মাহের বর্তমান করুন অবস্থা আমাকে বাকরুদ্ধ করে। আবার তাদেরই মুখে কখনো হাসি দেখলে তা আশাবাদী করে। তাদের জন্য সামর্থ্যের মধ্যে সামান্য যতটুকু সহজে পারি করার চেষ্টা করি। জাওজের বিষয়ে আমার প্রোটেকটিভ জেলাসি অনেক বেশি। নিজের ইমোশনকে কন্ট্রোল করার চেষ্টা করছি, নিজেকে আরও ম্যাচুরড করা ও প্রাকটিকাল লাইফে স্কিল ডেভেলপের চেষ্টা করছি।হাইট কম বলে অনেকে উল্টো পাল্টা অনেক কিছুই বলে কষ্ট লাগলেও কী করার!আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল। হালকা পাতলা গড়নের, চেহারা নিয়ে আত্মীয়া ও বান্ধবীদের থেকে সাধারণত পজিটিভ রিভিউ ই পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ। চুল লম্বা রাখতে ভালো লাগে। রান্না বান্না, ঘরের কাজে আরও গোছালো হওয়া, নিজের হেলথ কোয়ারে আরও যত্নবান হওয়ার নিয়ত আছে ইনশা আল্লাহ। প্রকৃতি অনেক পছন্দ করি বিশেষ করে ফসলের মাঠ, নদী, গাছপালা, ফুল, পাখি,বৃষ্টির শব্দ ইত্যাদি। জাওজের সাথে মাঝে মাঝে এসব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের ইচ্ছে আছে। ঘোরাঘুরির অনেক শখ কিন্তু সেভাবে সুযোগ হয়নি যাওয়ার তাই জাওজ এ বিষয়ে সাপোর্টিভ থাকলে মাঝে মধ্যে ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছে আছে। বিশেষ করে বায়তুল্লাহ সফর ও মাদীনাতে নিজেকে দেখতে পাওয়া বিশাল এক স্বপ্ন। মা বাবা আর ভাইকে সবসময় হাসিখুশি দেখতে পছন্দ করি। নিজ পরিবার ও উম্মাহের পাশাপাশি জাওজ ও তার পরিবারের জন্যও দোয়া করি। একজন চক্ষু শীতলকারী, এক স্ত্রী নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার মানসিকতা সম্পন্ন মনোগামী লাইফ পার্টনার পাওয়ার বড় স্বপ্ন যিনি একই সাথে হবেন চরিত্রবান,লাভিং,কেয়ারিং এবং ফ্রেন্ডলি যিনি শারীরিক গড়ন বা সৌন্দর্য নিয়েও কষ্টদায়ক বা অপমানজনক কিছু বলবেন না। বাইরের লোকের সাথে গম্ভীর হলেও আমার সাথে হবেন হাস্যজ্জ্বল, নিজের আবেগ অনুভূতি ভালোলাগা গুলো শেয়ার করবেন, প্রশংসা করবেন, ভুল হলে স্বীকার করবেন আবার অভিমান করলে যত্ন নিয়ে ভাঙাবেন।আমার ছেলেমি বা ইম্যাচুরড আচরণগুলোকে নখরামি বা ন্যাকামি মনে করে বিরক্ত হবেন না বরং এগুলোর মধ্যেই সুকুন খুজবেন এমন কেউ। আর অপছন্দনীয় কিছু পেলে সেটা সরাসরি মুখের ওপর বলার পরিবর্তে কৌশলে স্নেহের সাথে বলবেন যেন নিজেকে নিয়ে ইনসিকিউরড ফিল না করি বরং আরও খুশির সহিতই সংশোধন হতে পারি এরকম হলে ভালো হয়।এগুলো সব হয়তো একজনের মধ্যে থাকবে না তবে চেষ্টা থাকলে ভালো। শুধু ইচ্ছেগুলো প্রকাশ করলাম যে এরকম জাওজ পাওয়া স্বপ্ন। এতো বড় বড় লেখা পড়ে ভয় পাওয়ার দরকার নেই!! রাসুল সা: দ্বীনের ব্যাপারে সহজ পন্থা অবলম্বন করার জন্য বলেছেন।আমি ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রে ফিকহের বিষয়ে হানাফি ফলো করলেও একেবারে পুরোপুরি সেভাবে ফলো করি না সবক্ষেত্রে। হুরমত, তালাক,নারীদের প্রাকৃতিক পবিত্র অপবিত্রতা বিষয়ক মাসয়ালা এবং এরকম আরও কিছু প্রসঙ্গে সালাফি মাজহাবের মত অনুসরণ করি।অর্থাৎ যখনই এরকম পরিস্থিতি আসে যে কুরআন বা হাদিসে সরাসরি কিছু বলা নেই বা আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে এরকম বিষয়গুলোতে যেটা বেশি সহজ ও সুবিধাজনক সেটাই ফলো করি। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা (দ্বীনের ব্যাপারে) সহজ পন্থা অবলম্বন করবে, কঠিন পন্থা অবলম্বন করবে না, মানুষকে সুসংবাদ শোনাবে, বিরক্তি সৃষ্টি করবে না।(Bukhari/069)। |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন | প্রযোজ্য নয় |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? | হানাফি |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) | হ্যা |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? | নিজের তাকওয়ার উৎকর্ষ ও ব্যক্তিগত আমল বাড়িয়ে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে চাই। আল্লাহ ইচ্ছা করলে জাওজের সঙ্গে বায়তুল্লাহ ও মাদীনাহ জিয়ারতের অনেক বড় স্বপ্ন আছে।বিশেষ করে সন্তানদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন আছে।শুরু থেকেই তাদের মধ্যে যথাসাধ্য দীনের আদব ও ব্যাসিকটা গেঁথে দিতে চাই।তাদেরকে ভালো আলিম,হাফিজ,দায়ী ও দীনের সৈনিক হিসেবে দেখতে চাই যাদের হাত ধরে উম্মাহের বড় বড় কল্যান অর্জিত হবে ইনশা আল্লাহ।মেয়ে বাচ্চাদেরদের হোমস্কুলিং করাতে চাই,যথাযথ দীন শিক্ষা দিয়ে বড় করা এবং বালেগা হওয়ার পর দ্রুত পাত্রস্থ করতে চাই ইনশা আল্লাহ।তারা যেন দুনিয়ায় হয় আমাদের চোখের শীতলতা এবং আখিরাতে উঁচু মর্যাদা লাভের মাধ্যমে ইনশা আল্লাহ।সন্তানদের এভাবে আল্লাহর পথে গড়ে তুলতে জাওজের কাছ থেকেও একই মানসিকতা প্রত্যাশা করি—যাতে প্রয়োজন হলে শিশুদের শিক্ষার পেছনে প্রয়োজনীয় সময়,খরচ বা স্যাকরিফাইসের মানসিকতা রাখতে পারেন।যেন তিনি সন্তানের জন্য আদর্শ বাবা হওয়ার চেষ্টা করেন কেননা ইমানের বিষয়ে সন্তান সাধারণত মা-বাবারই অনুগামী হয়।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা ই উত্তম পরিকল্পনাকারী। |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) | তেমন নির্দিষ্ট কিছু করা হয়না। মাঝে মাঝে কেক, পুডিং ইত্যাদি বানাই। |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) | যখন বাড়িতে থাকি তখন টুকটাক মা বাবার কাজে হেল্প করি। ওনারা সাধারণত তেমন কিছু করতে বলেন না। ভারী কিছু করতেও হয় না আমাকে।।আপাতত মেসে থাকায় সেখানে নিজের খাবার রান্না, কাপড় পরিষ্কার, জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখা এসব নিজেকেই করতে হয়। |
| নারী-পুরুষ সমঅধীকার বিষয়টাকে আপনি কিভাবে দেখেন? (Required) | সেকুলার সিস্টেমের সমঅধিকারের নামে কাধে কাধ মিলিয়ে চলা,টক্সিক ফেমিনিজম, নারী পুরুষে কোনোই ভেদাভেদ নেই এরূপ শরীয়তের সাথে সাংঘর্ষিক বিষয়গুলো আমি সমর্থন করি না।আমি সমঅধিকারে নয়,বরং নায্যঅধিকারে বিশ্বাস করি ।ইসলাম নারী ও পুরুষকে আলাদা আলাদা ভাবে মর্যাদা দিয়েছে ও সম্মানিত করেছে এবং পবিত্র কুরআনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তো বলেছেনই যে,কেউ নেককাজ করলে হোক সে পুরুষ কিংবা নারী,তিনি কারো কর্মফল নষ্ট করেন না।অর্থাৎ নারীও যদি নিজ আমলে এগিয়ে থাকে কোনো পুরুষের চেয়ে, তবে সেই নারী বেশি প্রতিদান ভোগ করবে, সিম্পল। এক্ষেত্রে লিঙ্গের ঊর্ধ্বে অনেক বিষয়ে নারী পুরুষে মিল থাকলেও আবার লিঙ্গ ভেদেই অনেক বিষয়ে নারী পুরুষের দায়িত্ব ও অধীকার আলাদা আলাদা ভাবে ইসলামে বিন্যস্ত করা হয়েছে। সর্বোপরি, ইসলাম যেহেতু বিশ্ব জাহানের রবের মনোনীত জীবনব্যবস্থা,কাজেই এতে যেভাবেই বলা হয়েছে,যেভাবে দায়িত্ব ও অধিকার বণ্টন করা হয়েছে, সেটা অবশ্যই ব্যালান্সড এবং ন্যায়সঙ্গত। এর বিপরীত আচরণ ব্যক্তি সমাজের জন্য বিপর্যয় বৈ কল্যানকর নয়। |
| অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? | হ্যা,রাজি ইনশা আল্লাহ |
|---|---|
| বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? | রাসুল সাঃ এর সুন্নাহ পালনে, নিজের চারিত্রিক হেফাজত সহজ করতে, দীন পালনে এবং বাচ্চাদের সঠিক পথে গড়ার যাত্রায় সমমনা একজন সাপোর্টার পেতে, নিজের সর্ব সময়ের সঙ্গী হবে এবং সবকিছু শেয়ার করা যাবে এমন মাহরাম পেতে। নিজের একটা আলাদা পছন্দের মানুষ পেতে যার মাধ্যমে বৈধ ফ্যান্টাসিগুলো পূরণ হবে এবং সর্বোপরি আখিরাতের ইনভেস্টমেন্ট হিসাবেই বিয়ে করতে চাওয়া ইনশা আল্লাহ। |
| আপনি কি বিয়ের পর চাকরি করতে ইচ্ছুক? | না,ইচ্ছুক নই।আমাদের দেশে কর্ম প্রতিষ্ঠানগুলো পর্দা বান্ধব নয়।এসব জায়গায় সত্যিকারের পুরো পর্দা মেইনটেইন হয় না আসলে। তাই আল্লাহ না করুন, একান্ত বাধ্য হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে পড়লে আর জাওজ অনুমতি দিলে করার চিন্তা আসতে পারে তাই ছাড়া জব করার বিশেষ আগ্রহ নেই। সাংসারিক বহুত দায়িত্ব রয়েছে। বিশেষ করে বাচ্চাদের পেছনে এখন প্রচুর সময় দেয়া দরকার।মুসলিম নারী হিসাবে আমার সংসারজীবনই ফার্স্ট প্রায়োরিটি, একে আমার রাখালি মনে করি ইনশা আল্লাহ,কেননা আমাকে তো এ বিষয়েই জবাবদিহি করতে হবে । সংসার-বাচ্চা সামলে,পর্দা মেইনটেইন করে শরীরে কুলালে জাওজের অনুমতি সাপেক্ষে করা যেতে পারে। |
| বিয়ের পর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান? (ছাত্রী হলে) | (পাত্র যদি উত্তম পন্থায় মা বাবাকে পূর্ণ আশ্বস্ত করে মন থেকে রাজি করতে পারেন সহশিক্ষা ছাড়ার বিষয়ে এবং আমাকে ঘরেই হিফজসহ প্রয়োজনীয় দীনী শিক্ষা অর্জনের যথাযথ বন্দোবস্ত করে দেওয়ার পূর্ণ আন্তরিক মানসিকতা রাখেন ও প্রতিশ্রুতি দেন তবে বিয়ের পরই ইনশা আল্লাহ অবশ্যই সহশিক্ষা ছেড়ে দিতে চাই। অন্যথায় এটলিস্ট অনার্সটা শেষ করতে চাই।) সেক্ষেত্রে পড়ার খরচ আমার পরিবারই দেবে।প্রথমেই বলে রাখি,সহশিক্ষাকে আমি সমর্থন করি না।সহশিক্ষা হারাম জেনেছি বেশি দিন হয়নি, আর এখন এমন পরিস্থিতিতে আছি যে চাইলেও বের হতে পারছি না, বিকল্পও খোলা নেই।আমি ক্লাস ওয়ান থেকে টেন পর্যন্ত প্রতিটি ক্লাসেই টপার ছিলাম। তাই আমাকে নিয়ে মা-বাবা,শিক্ষক,আত্মীয় সবার প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি। টিচাররা প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকতেন, আর বাবা সব জায়গায় গর্ব করে বলতেন আমার কথা।ছোট থেকেই স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করার। আত্মবিশ্বাসও ছিল যে চান্স পাবো। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লার পরিকল্পনা ছিল ভিন্ন। আলহামদুলিল্লাহ আ’লা কুল্লি হাল।বোর্ড পরীক্ষা শেষে বাবা খুলনার একটি সনামধন্য মেডিকেল কোচিং সেন্টারে ভর্তি করিয়ে দেন। তখন এইচএসসি রেজাল্ট দিতে বাকি প্রায় দুই মাস। খুলনায় বাসা ভাড়া নেওয়া হয়,আমার পেছনে প্রচুর খরচ করেন তারা।আম্মুর চাকরি ও অসুস্থতার কারণে আমার সাথে থাকতে পারতেন না, তাই বাবা নিজের সব কাজ-ব্যবসা ফেলে নড়াইল থেকে বাইকে কয়েক ঘণ্টা চালিয়ে খুলনায় আসতেন।আম্মুর পাঠানো খাবার শেষ হলে বাবা নিজে রান্না করতেন, কখনো হাতও পুড়িয়ে ফেলতেন,তবুও আমাকে কিছু করতে দিতেন না যেন আমার পড়ার ক্ষতি না হয়। মাঝে মাঝে নিজে হাতে খাইয়েও দিতেন কোচিংয়ে যাওয়ার আগে।ক্লান্ত চোখে ফোনের আলোয় আমার বই দাগিয়ে দিতেন,কখনো ঘুমিয়ে পড়তেন সেভাবেই।বাবার এমন ডেডিকেশন আসলেই ভোলার মতো না।মা হাঁটুর ব্যথার জন্য রেগুলার এত দূরে আসতে পারতেন না,তবুও সুযোগ পেলেই কষ্ট করে আসতেন। তাদের এই কষ্ট আর ত্যাগ ভুলে থাকা অসম্ভব।কিন্তু রেজাল্টের দিন এলো অপ্রত্যাশিত ধাক্কা। A+ মিস হয়ে যায়।পরীক্ষাটা ভালোই হয়েছিল, তাই নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।পরে উপলব্ধি করি যে হাতের লেখার কারণেই সম্ভবত মার্ক কাটা গেছে,আবার ইন্টারে প্রথম মেসে থাকা শুরু করি,সেখানে খাওয়ায় অনিয়ম সহ নানা কারণে অসুস্থ থাকায় পড়াশোনায় অনেক বেশি গ্যাপ পড়ে যায়।বিশেষ করে পরীক্ষার আগের রাতগুলোতে মাথা ব্যথায় পড়তে পারতাম না,শুয়ে কাঁদতাম,আম্মু মাথা ম্যাসাজ করতেন, রিভিশনও দিতে পারতাম না ঠিক মতো,ওভাবেই পরীক্ষা দিতাম।A+ না পাওয়ায় মেডিকেলে চান্সের সম্ভাবনাও ওখানে বাদ দিতে হয়। আত্মীয়রা,যারা আগে প্রশংসা করতো,তারা তখন দেখালো আসল রূপ।মা-বাবাকে নানা ভাবে অপমান করতে শুরু করলো। নিম্ন স্টুডেন্টের সাথে তুলনা করে আমাকে নিয়ে তাচ্ছিল্য করা আর নানা কটূক্তি। কেউ মুখের ওপর বললো,বাবা-মা তাদের মেয়েকে মানুষ করতে পারেনি।কেউ আবার মুখ বিকৃত করে মাকে তাচ্ছিল্য করলো।একেই তো লাইফে প্রথম এমন অপ্রত্যাশিত রেজাল্টে আমি নিজে বাক রুদ্ধ, মা বাবা ভেঙে পড়েছে।তারওপর কাছের মানুষদের এমন কটুক্তি ও অপমান!লাইফে আমি তখন প্রথমবার অসহায়ের মতো দেখলাম মা-বাবাকে আমার জন্য কাঁদতে। মা বলতেন, “তোর বাবা রাতে শুয়ে শুয়ে কাঁদে।”লোকেদের কটুক্তিতে আম্মুও আমার সামনে এসে কাঁদতো! যারা আমার জন্য এতো স্যাকরিফাইস করলো,এতো খরচ করলো,হাত পুড়িয়ে রান্না করলো,অসুস্থ শরীরে সেবা দিলো,আজ তাদেরকে আমার কারণে চোখের সামনে এভাবে কাঁদতে দেখবো আমি কল্পনাও করিনি।এসব মনে পড়লে আমি নিজেকে ক্ষমা করতে পারি না।তাদের মুখে আবার হাসি আনতেই ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার চিন্তা করি।তখন BUP সম্পর্কে জানতে পারি,এখানে ওই বছর থেকে নিকাবের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে,ছাত্র রাজনীতিমুক্ত পাবলিক প্রতিষ্ঠান,কড়া সিকিউরিটি,নষ্টামির সুযোগ কম আর ক্যান্টমেন্টের গাছপালা ও লেকের শান্ত সৌন্দর্য,একটু হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারবো। এসব ভেবে মা-বাবাকে শান্তনা দিই।দুই ফ্যাকাল্টিতে এক্সাম দিয়ে দুটোতেই ভালো সাবজেক্টসহ চান্স পাই আলহামদুলিল্লাহ। আর নন-মাহরামের সামনে মুখ দেখাতে হয়নি,এটাও ছিল বড় স্বস্তি।বাবা-মায়ের মুখেও তখন একটু হাসি ফোটে।পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে ইংরেজি ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হই, আর কোথাও এক্সাম দিইনি ইচ্ছে করেই।এখানে ম্যাক্সিমামই ফিমেল স্টুডেন্ট আর টিচারও ১/২ জন বাদে সবাই মহিলা। নিকাব নিয়েও এখনো কোনো সমস্যায় পড়িনি, আলহামদুলিল্লাহ।তবুও আজও কিছু আত্মীয় আছে যারা মেডিকেলে না পড়ার কারণে তুচ্ছ করে কথা বলে,এমনকি আম্মুর সামনে। মা কাঁদে, আমি চুপ করে দোয়া করি —আল্লাহ হিদায়াত দিন।আমি চাইলেও এখন পড়াশোনা ছাড়তে পারবো না। বাবা বোঝেন না, চান আমি ভালো বড় পদে জব করি। আগে এসব শুনে রাগারাগি হতো বাবার সাথে,এখন আর কিছু বলি না,বললে কষ্ট পান। তাই চুপচাপ পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি।আমি স্পষ্ট করে বলছি — আল্লাহ না করুন, একান্ত বাধ্য হওয়ার মতো সিচুয়েশন ছাড়া জব করার পক্ষপাতী নই। আমাদের দেশের কর্মক্ষেত্রগুলো পর্দাবান্ধব নয়, তাই মুসলিমা হিসেবে সংসার ও সন্তানই আমার প্রথম অগ্রাধিকার।কিন্তু কিছু আত্মীয় আছে, যাদের কাজই যেন সুযোগ পেলে সমালোচনা করা।এদের আর বলার কিছু নেই, আল্লাহই যথেষ্ট আমাদের জন্য। আম্মু আব্বু আমার প্রতি এতো অনুগ্রহ করেছেন যে তাদের কৃতজ্ঞতা আদায় আমার পক্ষে কখনো সম্ভব না।আমি আর মানুষ দুটোকে কাঁদাতে চাই না।তাদের ত্যাগ ও অপমানের প্রতিদান দিতে না পারলেও অন্তত অনার্সটা শেষ করতে পারলে তারা একটু স্বস্তি পাবেন ইনশা আল্লাহ।সহশিক্ষা হারাম জেনেছি বেশি দিন হয়নি, কিন্তু এখন বের হওয়া এত সহজ নয়। আমি পরিস্থিতির শিকার, একে নাতো সাপোর্ট করি,নাতো কাউকে এতে উৎসাহিত করি। বরং আমি নিজেই অশান্তিতে থাকি এবং আল্লাহর কাছে মুক্তির জন্য দোয়া করি।সবচেয়ে খারাপ লাগে, যখন শুনি কোনো বোন সহশিক্ষা ছেড়ে দিতে সফল হয়েছেন, আর আমি এখনো এর ভেতরে পড়ে আছি।তবুও ১৯ বছর বয়সেই আলহামদুলিল্লাহ অনার্স ফার্স্ট ইয়ার শেষ হচ্ছে, চাই বাকিটাও দ্রুত শেষ হোক ইনশা আল্লাহ।আমি আশা করি, জাওজ আমার বাস্তব অবস্থাটা বুঝবেন এবং আমাকে এটলিস্ট অনার্সটা শেষ করার অনুমতি দেবেন।প্রয়োজনে পড়ার খরচ আমার বাবা দেবেন, ইনশা আল্লাহ।এই বিষয়টা একটু কনসিডার করলে আমার জন্য অনেক সহজ হবে। |
| বিয়ের পর চাকরি চালিয়ে যেতে চান? (চাকরিজীবী হলে) | প্রযোজ্য নয় |
| বিয়েতে কেমন মোহরানা নির্ধারন করতে চান? | ছেলের সাধ্যমত আলোচনা সাপেক্ষে |
| পাত্র/পাত্রী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো ছাড় দেয়ার মানসিকতা রাখেন? | গায়ের রং ও জেলা |
| আপনার স্বামীর প্রতি কি কি দায়িত্ব আছে আপনার? | রবের সন্তুষ্টিকে কেন্দ্রে রেখে জাওজের দীনি যাত্রায় সাপোর্টিভ থাকা, সাংসারিক দায়িত্বে সহায়তা করা, সন্তানদেরকে দীনি শিক্ষায় রবের পথে গড়ে তুলতে সহায়তা করা,ওনার অনুপস্থিতিতে নিজের চরিত্র এবং তার সম্পদের হিফাজত করা,বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষা করা ,ওনার বৈধ চাওয়াগুলো আমার মাধ্যমে সাধ্যমতো পূরণের চেষ্টা করা। যথাযথ সম্মান ও আদব বজায় রাখা, লোকেদের সামনে ওনার আত্মমর্যাদা ও গায়রতের বিষয়ে খেয়াল রাখা এবং দুর্বলতা বা ত্রুটিগুলো গুলো বাইরে প্রকাশ না করা । সর্বাবস্থায় ওনাকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে সাপোর্ট দেওয়া এবং সর্বোপরি ওনার চক্ষুশীতলকারীনি হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া |
| বিয়ের পর কোথায় থাকতে চান? | স্বামীর বাড়ি |
| বয়স (Required) | ২২-৩০ |
|---|---|
| গাত্রবর্ণ | কালো,শ্যামলা, উজ্জ্বল শ্যামলা |
| নূন্যতম উচ্চতা | ৫'৪" |
| নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা | এটলিস্ট এইচএসসি পাশ বা সমমান |
| বৈবাহিক অবস্থা | অবিবাহিত (Never married+ যে কখনো গোপনেও বিয়ে করেনি) ও ভার্জিন ছেলে |
| জীবনসঙ্গীর দাড়ি বা ইনকাম সম্পর্কে যা চান- (Required) | সুন্নতি নিয়ম মোতাবেক দাড়ি,ট্রিমড বা স্টাইলিশ নয়। ইনকামের বিষয়ে ব্যক্তিগত চাহিদার কথা বলতে গেলে, শহরে একটা মধ্যবিত্ত পরিবার কারো কাছে হাত পাতা ছাড়াই মোটামুটি স্বাচ্ছন্দ্যে চলতে পারবে এরকম হলে ভালো হয়। |
| পেশা (Required) | হালাল ও সম্মান জনক পেশা যা মোটামুটি আমাদের পারিবারের স্ট্যাটাসের সাথে যায় এমন। তবে প্রবাসী বা প্রবাসে যাওয়ার চিন্তা আছে এমন বা গাইনী ডাক্তার,নিশ্চিত হারাম লেনদেন/ জুলুমবাজি করতে হয় এমন জবহোল্ডার কাউকে প্রত্যাশা করি না।পাত্রের সহশিক্ষায় শিক্ষকতার বিষয়টা ব্যক্তিগতভাবে একদমই পছন্দ করি না। তবে অন্য বিষয়গুলোতে কুফু মিললে তখন শিক্ষকতার বিষয়টি আলোচনা সাপেক্ষ। |
| অর্থনৈতিক অবস্থা | মধ্যবিত্ত বা স্বচ্ছল মধ্যবিত্ত পরিবার |
| পারিবারিক অবস্থা (Required) | সামাজিকভাবে সম্মানিত পরিবার এবং মোটামুটি আমাদের সাথে কুফু মেলে এমন। যাদের ইসলামের প্রতি সফট কর্নার আছে অর্থাৎ দীনের বিষয়ে অন্তত সাপোর্টিভ হবেন বৈ বাধা দেবেন না এমন। বিশেষ করে পর্দার গুরুত্ব বোঝে, আত্মীয়দের সম্মান বজায় রাখতে জানে এবং কৃপণ বা লোভী মানসিকতার নয় এমন পরিবার প্রত্যাশা করি। রবই উত্তম পরিকল্পনাকারী। |
| জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন | ★★ ১ ও ২ নম্বরে বলা বৈশিষ্ট্যগুলো আবশ্যক। এরপরে লেখা বৈশিষ্ট্যগুলো এটা বোঝানোর জন্য যে কেমন পাত্র পছন্দ। একজন ভালো প্রাকটিসিং মুসলিমের থেকে এগুলো কাম্য বলে মনে করি। এগুলোর সব হয়তো একজনের মধ্যে পাওয়া অনেক কঠিন তবে এ বৈশিষ্ট্যগুলো যত বেশি থাকবে ততোই ভালো। ★★ ★১) ফরজ ও ওয়াজিবগুলো যথাযথভাবে আদায় করার সাধ্যমত চেষ্টা করেন। সবসময় টাখনুর ওপরে কাপড় পরিধান করেন এবং সুন্নতি নিয়মে দাঁড়ি আছে। কমপক্ষে ফরজে আইন পরিমাণ ইলম রাখেন বা অর্জনের আগ্রহ আছে এমন।হারাম উপার্জন থেকে বেঁচে থাকার বিষয়ে সচেতন। ★২) ভার্জিন ও যথাসাধ্য নিজের নজরের হিফাজত করে চলেন এমন ছেলে। কোনো মেয়ের সাথে প্রেমঘটিত দেখা সাক্ষাৎ, একসাথে আড্ডাবাজি,ঘোরাঘুরি ইত্যাদির ইতিহাস নেই এমন। গোপন পাপে আসক্ত নন এমন অর্থাৎ জিনাহ থেকে বেঁচে থাকার দৃঢ় মানসিকতা রাখেন এমন।(ভার্জিন না হলে বা কোনো মেয়েকে স্পর্শ করে নষ্টামি জাতীয় কিছু করে থাকলে বা পূর্বে অনলাইনে /অফলাইনে গোপনে বা প্রকাশ্যে বিয়ের ইতিহাস থাকলে এরূপ কাউকে আমি না জেনে প্রস্তাব পাঠালে তখন অন্য যেকোনো অযুহাতে হলেও আমাকে শুরুতেই রিজেক্ট করে দেবেন দয়া করে। এতে করে আমিও প্রতারিত হওয়া থেকে বেঁচে যাবো, আবার আপনার গুনাহও প্রকাশিত হবে না)।রূচি বহির্ভূত ফ্যান্টাসি বা বিকৃতকামী নয় এমন। ৩) ভুল হলে স্বীকার করার মানসিকতা রাখেন এবং নিজেকে রাগের সময় কন্ট্রোল করার ক্ষমতা আছে এমন পুরুষ প্রত্যাশা করি। অশ্লীল গালিগালাজের স্বভাব নেই এমন। কৃপণ নন আবার অহেতুক খরচকারীও নন। নেশাখোর নন এবং অহেতুক বাড়ির বাইরে দীর্ঘ সময় আড্ডাবাজি করার অভ্যাস নেই। ৪)নিজে গায়রতওয়ালা এবং স্ত্রীর গায়রতের বিষয়েও সচেতন পুরুষ।কখনোই কোনো নন মাহরামের সামনে যেতে জোরাজুরি করবেন না, বরং উল্টো নিজেই আরও পর্দা রক্ষায় সাপোর্ট করতে সচেষ্ট মানসিকতার। নিজের স্ত্রীর দোষ ত্রুটি বা দুর্বলতা অন্যের কাছে প্রকাশ করবেন না বরং ভুল ত্রুটি পেলে নরম ভাষায় স্নেহের সাথে সংশোধনের মানসিকতা রাখেন এমন। স্ত্রীর শারীরিক, মানসিক ও দৈনন্দিন প্রয়োজনের বিষয়ে যত্নবান পুরুষ। ৫) সন্তানদেরকে দীনের পথে গড়তে চান এবং এর জন্য সাধ্যমতো প্রয়োজনীয় অর্থ ও সময় বিনিয়োগের মানসিকতা রাখেন এমন পুরুষ প্রত্যাশা করি। কোনো গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের সদস্য বা সমর্থক নন এমন, কোনো পীর আলিম বা শায়েখের অন্ধ ভক্তি করেন না এমন পুরুষ। ৬) মাসনা, বহুবিবাহ, দাসী ইত্যাদি নিয়ে যার বিশেষ আগ্রহ বা ফ্যান্টাসি বা মাতামাতি নেই বরং এক স্ত্রী নিয়েই সন্তুষ্ট থাকার মানসিকতা রাখেন এমন পুরুষ বিশেষ পছন্দ । আইডিতে কোনো নন মাহরাম ফ্রেন্ড নেই এবং জায়েজ কারণ ছাড়া কোনো নারীকে ফলো দেন না,বেহায়ার মতো অদরকারে কোনো মেয়েদের সাথে চ্যাট করে না এমন। ( ৬ নম্বর পড়ে অনেকে ভুল বুঝতে পারেন বিধায় এখানে একটা বিষয় ক্লিয়ার করে রাখি।:- ইসলামের একাধিক বিয়ের বিষয়টির উপর আমার কোনো আপত্তি নেই।ইনসাফের সহিত কেউ একাধিক স্ত্রী রাখতে পারলে কোনো মুসলিম এই ব্যাপারে অপছন্দ বা আপত্তি করতে পারে না যেহেতু শরীয়তে জায়েজ। কিন্তু আমার নিজের স্বামীর ক্ষেত্রে তার ভাগ আমি অন্য কাউকে দেয়া সহ্য করতে পারবো না যতক্ষন বেঁচে আছি। এবং মন থেকেও মেনে নিতে পারবো না যতোক্ষণ আমি তার স্ত্রীর ভূমিকা পালনে অপারগ না হই। তাই প্রথমা জীবিত থাকতেও একাধিক বিয়ের চিন্তা বা ফ্যান্টাসি রাখেন এমন কেউ আমার ব্যাপারে না আগানোর অনুরোধ।) |
| জীবনসংঙ্গীর জেলা যেমনটা চাচ্ছেন? (Required) | স্থায়ী ঠিকানা খুলনা বিভাগের মধ্যে যে কোনো জেলা হলে সুবিধা হয় পরিবারের জন্য । (বি:দ্র:৷((পাত্র যদি উত্তম পন্থায় মা বাবাকে পূর্ণ আশ্বস্ত করে মন থেকে রাজি করতে পারেন সহশিক্ষা ছাড়ার বিষয়ে এবং আমাকে ঘরেই হিফজসহ প্রয়োজনীয় দীনী শিক্ষা অর্জনের যথাযথ বন্দোবস্ত করে দেওয়ার পূর্ণ আন্তরিক মানসিকতা রাখেন ও প্রতিশ্রুতি দেন তবে বিয়ের পরই ইনশা আল্লাহ অবশ্যই সহশিক্ষা ছেড়ে দিতে চাই। অন্যথায় এটলিস্ট অনার্সটা শেষ করতে চাই এবং সেক্ষেত্রে ২০২৮ সাল পর্যন্ত ঢাকায় থাকবেন এমন কাউকে প্রত্যাশা করছি ইনশা আল্লাহ। মিরপুরের আশেপাশে হলে আরও ভালো হয়। অনার্স শেষ করা পর্যন্ত ঢাকায় আছি মেয়েদের ফ্ল্যাটে যেটা ভার্সিটির খুব কাছেই। (পড়াশোনার বিষয়ে আগে বিস্তারিত বলা হয়েছে কেনো সহশিক্ষায় পড়তে হচ্ছে)। তাই পড়াশোনা কন্টিনিউ করতে হলে পাত্রের বর্তমান ঠিকানা ঢাকায় হোক সেটা চাইছি যেন দু'জন একসঙ্গে থাকতে পারি।সফর পরিমাণ দূরত্বে যাতায়াতের ক্ষেত্রে বাবাই সবসময় আনা নেওয়া করেন। |
| পেশা সম্পর্কিত তথ্য (Required) | প্রযোজ্য নয় |
|---|---|
| বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান | আমার জানামতে সঠিক তথ্যই দিয়েছি ইনশা আল্লাহ।মিথ্যা বলিনি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমার অনিচ্ছাকৃত ভুলত্রুটিগুলো মাফ করুন। সরাসরি যোগাযোগের পূর্বে মেইলে বায়োডাটা পাঠানোর অনুরোধ। |
| বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তা অভিভাবক জানেন? | হ্যা |
|---|---|
| আল্লাহ'র শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিচ্ছেন সব সত্য? | হ্যা |
| কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার দুনিয়াবী ও আখিরাতের দায়ভার ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি রাজি? | হ্যা |
এই বায়োডাটার অভিভাবকের মোবাইল নাম্বার এবং ইমেইল পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
অভিভাবকের সাথে যোগাযোগসর্বমোট ভিউ: 402 ভিউস