| স্থায়ী ঠিকানা | Vurarghat, Fathepur Rangpur Sadar, Rangpur 5402 |
|---|---|
| বর্তমান ঠিকানা | 21 No Ward, New Adarshapara, Alamnagar, Rangpur Sadar, Rangpur 5402 |
| কোথায় বড় হয়েছেন? (Required) | Rangpur |
| বায়োডাটার ধরন | পাত্রের বায়োডাটা |
|---|---|
| বৈবাহিক অবস্থা | অবিবাহিত |
| বর্তমান ঠিকানা | রংপুর |
| বিভাগ | রংপুর বিভাগ |
| স্থায়ী ঠিকানা | রংপুর |
| বিভাগ | রংপুর বিভাগ |
| জন্মসন (আসল) | ১৯৯৬ |
| গাত্রবর্ণ | শ্যামলা |
| উচ্চতা | ৫'৬'' |
| ওজন | ৭০ কেজি |
| রক্তের গ্রুপ | O+ |
| পেশা | প্রাইভেট জব |
| মাসিক আয় | 10000 |
| কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? (Required) | জেনারেল |
|---|---|
| আপনি কি হাফেজ? | না |
| দাওরায়ে হাদীস পাশ করেছেন? | না |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান ফলাফল | A- |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ | বিজ্ঞান বিভাগ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন | ২০১৪ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ | মানবিক বিভাগ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান ফলাফল | B |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন | ২০১৫ |
| স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা | স্নাতক (সম্মান) |
| শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় |
| পাসের সন | ২০২০ |
| সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা | স্নাতক (সম্মান) |
| অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা | ১) বেসিক কম্পিউটার কোর্স সম্পূর্ণ করেছি। ২) আর একটি ভিডিও এডিটিং কোর্স সম্পূর্ণ করেছি। |
| আপনি কি আইওএমের স্টুডেন্ট? | না |
|---|---|
| পিতার পেশা | পোলট্রি খামারী |
|---|---|
| মাতার পেশা | গৃহিণী |
| বোন কয়জন? | ১জন |
| ভাই কয়জন? | ভাই নেই |
| বোনদের সম্পর্কে তথ্য | আমার বোন আমার বয়সের ছোট এবং সে বিবাহিত। আমার বোন ইতিহাস বিভাগ থেকে অনার্স সম্পূর্ণ করেছে রংপুর সরকারি কলেজ থেকে এবং মাস্টার্স অধ্যায়ন রয়েছে কারমাইকেল কলেজে। মহান আল্লাহ যদি চায় তাহলে সে মাস্টার্স সম্পূর্ণ করবে ইনশাআল্লাহ। তার দিক থেকে সে ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করার চেষ্টা করে এবং সে যথাসাধ্য পর্দা মেইনটেন করে চলার চেষ্টা করে। কিন্তু মারহাম/ নন মারহাম ঠিকভাবে মেনে চলে না। তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ্ সে মাদ্রাসায় পড়ে। এবং তার স্বামী একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরী করে। |
| চাচা মামাদের পেশা | আমার বড় আব্বুদের পেশা:- আমার বাবা হলেন ৫ ভাই ৩ বোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট। আমার বাবার সবচেয়ে বড় ভাই মহান আল্লাহ তা'আলার হুকুমে এই দুনিয়া থেকে চির বিদায় নিয়ে চলে গিয়েছে। আমার ফুফুদের মধ্যে ছোট যিনি তিনিও এই দুনিয়ায় আর নেই। আর বাকি ৪ ভাই ও ২ বোন এখনো আল্লাহ তা'আলার দয়ায় জীবিত আছে। আমার বাবা ও আমার বড় আব্বুদের বেড়ে ওঠা গ্রাম কেন্দ্রীক হওয়ায় সকলেই কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িত। এবং তারা সকলেই মোটামুটি কমবেশি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল। আমার মামাদের পেশা:- আমার ৩ জন মামা আছে যারা আমার মা এর ছোট। এবং তারা সকলেই কর্মমুখী মানুষ। তারাও গ্রামে থাকে এবং আমার নানাভাই এর রেখে যাওয়া আবাদি জমিগুলোতে কৃষিকাজ করে। এর পাশাপাশি বড় দুই মামা যানবাহনের ড্রাইভিং পেশায় নিযুক্ত আছে। আর ছোটজন সেও কৃষিকাজে জড়িত। তারা মোটামুটি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল। |
| পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা | নিম্নমধ্যবিত্ত |
| আপনার পরিবারের দ্বীনি অবস্থা কেমন? (বিস্তারিত বর্ননা করুন ) (Required) | আমাদের পারিবারিক দ্বীনি পরিবেশ হলো এখনো আমরা শেখার প্রক্রিয়ায় চলমান রয়েছি। আমার মা প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করার চেষ্টা করে। আবার কোনো কোনো সময় কোনো ওয়াক্তের সালাত কাযা হলে তা কাযা দেওয়ার চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে কুরআন শরীফ পাঠ করে কিন্তু রেগুলার না। আর মা বাহিরে গেলে যথাসাধ্য পর্দা মেনে চলার চেষ্টা করে। মারহাম/ নন মারহাম তেমনভাবে মানে না। |
| সুন্নতি দাঁড়ি রয়েছে কি? (Required) | জি হ্যাঁ |
|---|---|
| পায়ের টাখনুর উপরে কাপড় পরেন?(Required) | জি হ্যাঁ |
| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? | জি হ্যাঁ পড়ি। কিন্তু মাঝেমাঝে কোনো ওয়াক্তের নামাজ আমার কাযা হয়। তাই সেই ওয়াক্তের নামাজ কাযাও দেই। |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) | হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ্ আমি এখন পর্যন্ত ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করে আসছি। আনুমানিক ২০২০ সাল থেকে ৫ ওয়াক্ত নামায পড়ে আসছি। |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? | আলহামদুলিল্লাহ্ চেষ্টা করছি। মাঝেমধ্যে ভুলত্রুটি হয় তাই ভুলগুলোকে শুন্যর কোটায় নিয়ে আসার চেষ্টায় চলমান আছি। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? | না পারি না। |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? | শ্যাট, টি-শ্যাট, প্যান্ট, পাঞ্জাবী |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) | দেশে ইসলামী খিলাফত প্রতিষ্ঠা হোক সেইটা চাই। |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? | একসময় নাটক / সিনেমা / সিরিয়াল / গানের প্রতি আসক্তি ছিলাম। কিন্তু দ্বীনের পথে আসার পর থেকে এগুলো থেকে বিরত থাকার চেষ্টায় আছি। তবে আমি এখন ইসলামিক হালাল বিষয়গুলো দেখার বা শোনার চেষ্টা করি বেশি করে। যেমন:- কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, নাসিদ, গজল, ভালো আলেম-ওলামা, জনপ্রিয় মুফতি এবং ইসলামিক স্কলারদের ইসলামিক কথাগুলো শুনতে বেশ ভালোই লাগে। |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) | আলহামদুলিল্লাহ্ আমার তেমন কোনো বড় শারীরিক সমস্যা নেই আল্লাহর রহমতে। তবে জীবিকা নির্বাহের জন্য সারাদিন কম্পিউটারের মনিটর স্কিনে চোখ রেখে কাজ করতে হয় তাই চোখ একটু জ্বালাপোড়া করে। তার মানে চোখের বড় কোনো সমস্যা আছে তা নয়। চোখ আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছে। চোখের দৃষ্টিশক্তির ও কোনো সমস্যা নেই। আর হালকা এলার্জি আছে যদি অতি মাত্রায় সেইসব খাবার গুলো খাই যেগুলো খেলে এলার্জি সক্রিয় হয়। |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) | এখনো হই নি। |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) | না। |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) | মাজার পূজা শিরক। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) | ১) আর রাহিকুল মাখতুম, ২) কিতাবুত তাওহীদ ৩) এহইয়াউস সুনান |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) | ১) আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী, ২) ড. মিজানুর রহমান আজহারী, ৩) শায়খ আহমদুল্লাহ্, ৪) আল্লামা লুৎফর রহমান। |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) | এখনো হয়নি। |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন | আমার নিজের সর্ম্পকে বলতে গেলে আমি খুব সাধারণ টাইপের ছেলে। চলাফেরা, জীবনযাপন সবকিছুই সাধারণ ভাবে করার চেষ্টা করি। জীবনে অনেক উত্থান-পতন দেখেছি। জীবনযাপন করতে অনেক কষ্ট, সংগ্রাম করেছি। এখনো তা চলমান আছে। ইনশাআল্লাহ্ একদিন সফলতার মুখ দেখার তৌফিক আল্লাহ্ তা'আলা আমায় দিবেন। যাইহোক আমার ব্যক্তিজীবনে আমি যে ভালো আর্দশগুলো অনুসরণ করি তার একটি হলো পরিচিত বা অপরিচিত সকল বয়জোষ্ঠ মুরুব্বি বা আমার সমবয়সী বা বয়সের ছোট ব্যক্তিকে পথে-ঘাটে অন্য কোনো জায়গায় দেখা হলে আগে সালাম আদান-প্রদান করি। তারপর তাদের সঙ্গে বিনয়ী ভাবে কথা বলি বা কুশল বিনিময় করি। আর আমার একটা আলাদা বৈশিষ্ট্য হলো খুব অল্প সময়ের মধ্যে পরিচিত-অপরিচিত জনের সাথে ভালোভাবে মিশে যাই। আমার ছোটবেলায় একটা স্বভাব ছিল আত্মীয়স্বজন বা কোনো পাড়া-প্রতিবেশীর বাসায় যেতে লজ্জা বা সংকোচবোধ হতো। সময়ের সাথে সাথে এই বিষয়টি কিছুটা কেটে গিয়েছে। কিন্তু হ্যাঁ পরিচিত আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীদের সাথে সম্ভব হলে খোঁজ-খবর নেই, কথা বলি। এর পাশাপাশি ছোট বাচ্চাদের দেখলে আদর-দুষ্টামি করতে খুব ভালো লাগে। আমার ব্যক্তিগত লাইফ থেকে শুরু করে একাডেমীক লাইফ পর্যন্ত মেয়ে মানুষের সাথে চলাফেরা বা কথাবার্তা খুব কম হয়েছে। দয়াকরে বিষয়টিকে কেউ নেগেটিভ ভাবে নিবেন না। মানে হয় না এমন অনেক ছেলে-মেয়েদের বন্ধু-বান্ধবী সার্কেল থাকে। আমার ছোটবেলা থেকে আজ অব্দি ছিলো এর উল্টোটা। আমার যা ছিলো সব ছেলে বন্ধু সার্কেল। প্রাইমারি, হাইস্কুল, কলেজ লাইফে মেয়েদের সাথে কথা বলতে লজ্জা কাজ করতো বা দ্বিধাবোধ হতো। তাই এই বিষয় থেকে সবসময় দূরে থাকার চেষ্টায় ছিলাম। আর আমি কিন্তু একজন জেনারেল ব্যাকগ্রাউন্ডের ছেলে। মানে আমার পড়াশুনা সবকিছুই জেনারেলেই এ হয়েছে। দ্বীনের সঠিক জ্ঞান আসার পর থেকে আল্লাহ তা'আলার দ্বীনের রাস্তায় চলার চেষ্টা করছি। ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো থেকে শুরু করে অন্যান্য বিষয়গুলো জানার ও বুঝার জন্য মেহনত করছি। এই দ্বীনের রাস্তায় চলতে অনেক সময় কিছু বাঁধার সম্মুখীন হয়েছি হয়তোবা ভবিষ্যৎতেও হতে পারি। হকের পথে থাকলে এমন বাঁধা আসবে এটাই স্বাভাবিক। আল্লাহর রাসূলের সময়কালে আমাদের রাসূল (সঃ) আল্লাহর দ্বীন প্রচার করতে গিয়ে কতই না কষ্ট পেয়েছেন কাফিরদের কাছ থেকে। আবু লাহাব, আবু জেহেলরা যে পরিমাণ অপমান করেছে, লাঞ্ছিত করেছে, শরীর থেকে রক্ত ঝড়িয়েছে। তাই তার তুলনায় আমার বাঁধাগুলো অতি নগণ্য বা খুব ছোট আকারের। তাই আমিও আমার স্ত্রী,সন্তান,মা-বাবা,ভাই-বোন, আত্মীয়- স্বজন,পাড়া-প্রতিবেশী, বন্ধুমহলে যারা আছেন তাদের সকলকে নিয়ে আমরা আমাদের আল্লাহর সুন্দর সৃষ্টির স্থান জান্নাতুল ফেরদৌসে যেতে পারি এইটাই চাওয়া। এজন্য চিন্তা করলাম আল্লাহর জান্নাত পাইতে হলে তো আল্লাহর রাস্তায় মেহনত করতে হবে। নিজেকে দ্বীনের পথে আনতে হবে। আল্লাহ্ ও আল্লাহর রাসূলের প্রতি পূনাঙ্গ ঈমান আনতে হবে। সকল প্রকার গুনাহ্ থেকে দূরে থাকতে হবে। আর নিজের চরিত্রকে সৎ ও পবিত্র রাখতে হবে। সার্বিক দিক বিবেচনা করলে দেখা যায় যে একজন অবিবাহিত পুরুষের মধ্যে যেসকল গুনাহ্ গুলো বেশি হয় সচরাচর সেগুলো কিন্তু সঠিক সময় আমার রাসূলের সুন্নাহ্ বিয়ে না করার ফলে হয়। তাহলে এর থেকে বুঝা যায় যে সেই অবিবাহিত পুরুষ যদি সঠিক সময় বিবাহ করতো তাহলে তার বিবাহ সংক্রান্ত কোনো প্রকার গুনাহ্ হতো না। সে তার চরিত্রকে সৎ ও পবিত্র রাখতে পারতো। তাই তার দুনিয়া ও আখিরাতও ধ্বংস হতো না। আর হ্যাঁ এখানে অবশ্যই একজন দ্বীনি পর্দানশীল, চক্ষুশীতলকারী স্ত্রীরও ভূমিকা আবশ্যক। কারণ যেমন-তেমন পাত্রীকে বিবাহ করা যাবে না, যার মাঝে আল্লাহ্ ভীরুতা নেই, যে গুনাহ্তে লিপ্ত। এককথায় যাকে সংসারে নিয়ে আসলে স্বামীর দুনিয়া ও আখিরাত দুটোই ধ্বংস হবে এমন কাউকে নিয়ে আসা যাবে না। তাই আমি মনে করি আমার দুনিয়া ও আখিরাত ঠিক রাখতে হলে একজন উত্তম দ্বীনি পর্দানশীল জীবন সঙ্গীনীর প্রয়োজন। যে আমাকে আমার আল্লাহর দ্বীন পালনে সাহায্য করবে। আমার রাসূল (সঃ) সুন্নাহ্ মানতে সাহায্য করবে। আমার প্রতি তার ভালবাসা,মায়া-মহব্বত থাকতে। তার প্রতি আমারও ভালবাসা,মায়া-মহব্বত থাকবে। সে আমার ঘর সামলাবে যেমনঃ- আমাদের সন্তান-সন্তানাদীদের বাসার ভিতরে-বাহিরে সুন্দরমতো খেয়াল রাখবে, আদরযত্ন করবে এবং তার শ্বাশুরীর প্রতিও ভালবাসা দিয়ে যত্নবান হবে। আসলে শেষ জামানায় যেমন আম্মাজান খাদিজা (রাঃ),আম্মাজান আয়েশা (রাঃ), ফাতেমা (রাঃ) মতো দ্বীনি, চরিত্রবান, আল্লাহ্ ভীরু কন্যা সন্তান প্রয়োজন। তেমনি হযরত ওমর (রাঃ), হযরত আলী (রাঃ), খালিদ-বিন-ওয়ালিদ, সালাহ্-আদ-দ্বীন আইয়ুবীর মতো বীর ছেলে সন্তানও প্রয়োজন। যারা আমাদের আল-আকসাকে আবার দখলদার জা/য়া/ন/বাদীদের কাছ থেকে রক্ষা করবে। কালিমার পতাকা আবার উড়াবে বা আল্লাহর দ্বীনকে আবার সমগ্র দুনিয়ায় প্রতিষ্ঠা করবে। তাই এমন আল্লাহ্ ওয়ালা বীর সন্তান-সন্তানাদী যদি আল্লাহ্ তা'আলা আমানত হিসাবে আমাদের সংসারে দেয় তাহলে আমি ও আমার স্ত্রী সবচেয়ে বেশি সৌভাগ্যবান হবো এই দুনিয়ায় ও আখিরাতে। এজন্য আমি ও আমার পরিবারের সকল সদস্য থেকে শুরু করে পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়- স্বজন, বন্ধুমহলে যারা আছেন তাদের সকলকে নিয়ে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আল্লাহর দ্বীনকে বুকে ধারন করতে চাই, দ্বীনের খেদমত করতে চাই। এককথায় দ্বীনের পথে সবসময় হাঁটতে চাই। উদ্দেশ্য একটাই আল্লাহ্ এবং আল্লাহর রাসূলের উপর পূনাঙ্গ ঈমান এনে দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি লাভ করা। বা মহান আল্লাহ্ তা'আলার সুন্দর সৃষ্টি জান্নাতুল ফেরদৌস লাভ করা। |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন | প্রযোজ্য নয় |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? | হানাফি |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) | চেষ্টা করি |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? | অবশ্যই আমার কিছু দ্বীনের ফিউচার প্ল্যান আছে। সুযোগ ও সময় মিললে এগুলো বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করবো। ইনশাআল্লাহ্। |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) | আমি অবসর সময়ে যদি বাসায় থাকি তাহলে ইসলামিক বই পড়ার ইচ্ছা হলে বই পড়ি। মাঝেমাঝে বাসায় রান্নার কাজ করি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতারও কাজ করি। তাছাড়া ঘর গোছানোর কাজ হয় প্রতিনিয়ত। কিছু সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অতিবাহিত করি যাতেকরে দেশ-বিদেশে কি ঘটলো এগুলো খোঁজখবর নেওয়ার জন্য। এর পাশাপাশি দিনের বেলা ঘুম আসলে কিছু সময় ঘুমাই। আর বাহিরে কোনো জায়গায় হাঁটতে যাই। তবে বাঁজে আড্ডা দেওয়ার অভ্যাস নাই। |
| কত ওয়াক্ত নামায জামাতের সাথে আদায় করেন? (Required) | আমার অফিস থেকে মসজিদ একটু দূর হওয়ার কারণে তাই মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে নামাজ আদায় সম্ভব হয় না। কিন্তু অফিসের বস ও কলিগের সাথে অফিসের মধ্যে জামাতের সাথে নামাজ আদায় হয় কোনো কোনো ওয়াক্তের। |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) | আমার মা শারীরিকভাবে অসুস্থ। ঘরের বেশকিছু কাজ তার দ্বারা করা সম্ভব হয় না। তাই সেই কাগজগুলো আমাকেই করতে হয়। যেমনঃ- ঘর ঝাড়ু দেওয়া, ঘর মোছা, থালাবাসন পরিষ্কার ইত্যাদি কাজ। |
| আপনি কি ধুমপান করেন? (Required) | না করি না। আলহামদুলিল্লাহ্ এইসব হারাম কাজ থেকে বিরত আছি। |
| অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? | জি হ্যাঁ রাজি আছে। |
|---|---|
| বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? | যে কারণে বিয়ে করছি:- আমি বিয়ে করছি কারণ আমি আমার চরিত্রকে পবিত্র বা ঠিক রাখতে চাই এবং গুনাহ থেকে বাঁচতে চাই। কারণ বর্তমান সময়ে হারাম রিলেশনশিপ সমাজের মধ্যে ক্যান্সারের রুপ ধারণ করেছে। এমতাবস্থায় নিজের চরিত্রকে ঠিক রাখাটা খুব কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। চারিদিকে হারাম সর্ম্পক। তাই ডিসিশন নিলাম নিজের ইমান বা চরিত্র ঠিক রাখতে হলে বিভিন্ন প্রকার গুনাহ থেকে বাঁচতে হলে আমার রাসূলের সুন্নাহর পথ বিবাহ ছাড়া কোনো বিকল্প রাস্তা নেই। বিয়ে করলে গুনাহ্ বা চোখের জিনাহ্ ও অনেক হারাম কাজ থেকে নিজেকে হেফাজত করা যাবে। আর হালাল সর্ম্পকের মাঝেও থাকা যাবে। মানে হালালময় জীবন ব্যবস্থার মাঝে থাকা যাবে। মূলত নেককার স্ত্রী ও সন্তান লাভের আশায় একজন দ্বীনি,পর্দানশীল মেয়েকে বিয়ে করা। যাতে করে আমার স্ত্রী, সন্তান এবং পরিবারের মুরুব্বিরা সকলেই যেনো আল্লাহর দ্বীনের পথে থাকে। এবং ইমানের সাথে যেনো এই দুনিয়া ছেড়ে চলে যেতে পারি। যাতেকরে আমরা সকলেই যেনো আমার আল্লাহর সুন্দর সৃষ্টি জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব হয়। আমিন বিয়ে সর্ম্পকে আমার ধারণা:- ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ে হলো একটি পবিত্র বৈধ সামাজিক বন্ধন বা ইবাদত। এটি আমার রাসূলের সুন্নাহ্। এই বিয়ের মাধ্যেমেই পারিবারিক ভিত্তি গঠিত হয়। সামাজিক বন্ধনও এটির মাধ্যমেই তৈরি হয়। এককথায় এই সুন্নতি কাজের মাধ্যেমেই স্বামী- স্ত্রীর হালাল বা বৈধ সর্ম্পক তৈরি হয়। এবং অবশ্যই সেখানে কল্যাণ আছে। যার মাধ্যমে সেখানে নেককার সন্তান লাভ করা যায়। আর শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তি লাভ করা যায়। আর আল্লাহ্ তা'আলা অবশ্যই এই সুন্নতি কাজের মাঝে বারাকাহ্ দেন। এটিই আমার ধারণা। |
| বিয়ের পর স্ত্রীর পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? | ইনশাআল্লাহ্ পারবো। কারণ সে আমার ইজ্জত বা সম্মান তার হেফাজত তো অবশ্যই আমাকেই করতে হবে। এটি আমার দায়িত্ব যেটির আদেশ আল্লাহ্ আমাদের দিয়েছন। আর যদি এই আদেশ পালন না করি কাল হাশরের ময়দানে মহান আল্লাহ্ তা'আলার কাছে কি জবাব দিবো। তাই আমি চাই না আমার ইজ্জত বা সম্মানকে কেউ কু নজরে দেখুক। তাই শালীন কাপড় পরিধান করে পর্দা করা আবশ্যিক আর এই বিষয়ে কোনো ছাড় নেই। পর্দা করার জন্য সর্বোচ্চ সার্পোট থাকবে। আর বেপর্দা মেয়েকে আমি কখনো বিয়েই করবো না ইনশাআল্লাহ। |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? | সে যদি নিজেকে পর পুরুষ থেকে হেফাজত করে পর্দা মেইনটেন করে চলে পড়াশুনা করতে চায় তাহলে আমার সে ক্ষেত্রে সম্মতি আছে। সেটা যদি দ্বীনি শিক্ষা হয় তাহলে আলহামদুলিল্লাহ্ খুবই ভালো হবে। জেনারেল হলেও সমস্যা নেই। আর এমনটি করতে না পারলে তো পড়াশুনা করতে দেওয়া ঠিক হবে না। সে ক্ষেত্রে আমার অনুমিত নেই। আল্লাহকে নারাজ করে কোনো কাজ আমার স্ত্রীকে আমি করতে দিবো না এবং আমিও করবো না। |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? | বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দেওয়ার পক্ষে আমি নেই। চাকরী আমি করবো আর সে যদি পরিবার সামলায় তাহলে আমাদের সংসার আল্লাহর রহমতে অনেক সুখের হবে। এতে করে তার স্বামী, সন্তান, শ্বশুর-শাশুড়ির প্রতি হক আদায় হবে। তাদের সেবা যত্ন করতে পারবে। |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? | স্বামীর বাড়ি বা স্বামীর কর্মস্থল যেখানে তার স্বামী থাকবে সেখানে। |
| বিয়ে উপলক্ষে আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক বা উপহার বা অর্থ আশা করবেন কি না? | আমি প্রথমেই বলে নেই আমি যৌতুকের পক্ষে নই। ইসলামে যেটা নিষেধ আছে এমন কিছু কাজ আমি কখনোই করবো না। আল্লাহ যদি আমাকে তৌফিক দেন তাহলে আমি মোহর পরিশোধ করেই বিয়ে করবো ইনশাআল্লাহ্। আমি পাত্রী পক্ষের কাছ থেকে কোনো প্রকার অর্থ আশা করি না। |
| পাত্র/পাত্রী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো ছাড় দেয়ার মানসিকতা রাখেন? | আর্থিক অবস্থা ও গায়ের রং |
| বিয়ের পর স্ত্রীর ভরনপোষন চালাতে পারবেন? | হ্যা |
| আপনাার স্ত্রীর প্রতি কি কি দায়িত্ব আছে আপনার? | ১) প্রথমেই বলে নেই তার দ্বীনি কাজ পালন করার জন্য তাকে সর্বাধিক সাহায্য করবো। ২) একজন দায়িত্ববান, সার্পোটিভ ও কেয়ারিং হ্যাসবেন্ড হওয়া। যেখানে তার প্রতি ভালবাসা ও শ্রদ্ধাশীলতা থাকবে। ৩) স্ত্রীর মৌলিক অধিকার থেকে শুরু করে তার অন্যান্য অধিকার গুলো বা হকগুলো আদায় করবো। ৪) তার ভালো লাগা বা না লাগার বিষয়গুলোকে যথাযথ মূল্যায়ন করা। |
| আপনার আহলিয়ার পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? | হ্যা |
| আপনি বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে কোথায় থাকবেন? | যৌথ ফ্যামিলিতে |
| বয়স (Required) | ২২- ২৮ বছর |
|---|---|
| গাত্রবর্ণ | শ্যামলা, উজ্জল শ্যামলা, ফর্সা |
| নূন্যতম উচ্চতা | ৫'২" থেকে ৫'৬" |
| নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা | জেনারেল থেকে হলে স্নাতক ১ম বর্ষ থেকে ৪র্থ বর্ষ পর্যন্ত বা স্নাতক পাস ও মাস্টার্স চলমান বা পাস। আর মাদ্রাসা থেকে হলে আলিম পাস বা ফাজিল অধ্যায়ন হলেই চলবে। |
| বৈবাহিক অবস্থা | অবিবাহিত |
| পেশা (Required) | ছাত্রী |
| অর্থনৈতিক অবস্থা | আর্থিকভাবে স্বচ্ছল |
| পারিবারিক অবস্থা (Required) | আর্থিকভাবে স্বচ্ছল ফ্যামিলি যেটিকে বুঝায়। নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যনিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত |
| জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন | ১) অবশ্যই তাকে দ্বীনি হতে হবে। ২) পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করার মন-মানসিকতা থাকতে হবে এবং আদায় করতে হবে। মানে সালাত তার উপর ফরজ হলে তাকে তা আদায় করে নিতে হবে। এই বিষয়ে কোনো ছাড় নেই। ৩) রমজান মাসে তার উপর রোজা রাখা ফরজ হলে তাকে রোজাও রাখতে হবে। এই বিষয়েও কোনো ছাড় নেই। ৪) অবশ্যই তাকে পর্দানশীল হতে হবে এবং এই বিষয়েও কোনো ছাড় নেই। মারহাম/ নন মারহাম মেনে চলতে হবে। ৫) তাকে অবশ্যই ভালো মনের মানুষ হতে হবে। তার ব্যক্তিত্ব যেনো ভালো হয়। আর সে আমার জন্য যেনো চক্ষুশীতলকারী হয়। ৬) তার কথার মধ্যে যেনো বিনয়ী ভাব থাকে। অহংকারী যেনো না হয়। আর মিথ্যা কথার আশ্রয় যেনো না নেয়। মিথ্যাবাদীকে আমি পছন্দ করি না। বাজে অভ্যাস যেমনঃ- অশ্লীলতা, গান, মুভি সিরিজ, নাটক দেখা ইত্যাদি এমন বাজে অভ্যাস থাকা চলবে না। ৭) ধনী গরীবদের নিয়ে কোনো প্রকার ভেদাভেদ যেনো সৃষ্টি না করে। অহংকারী ও ধনী-গরীব ভেদাভেদকারীদের মোটেও পছন্দ করি না। ৮) অসহায় মানুষদের অবশ্যই দান,ছদাকাহ্ বা সাহায্য করার মন-মানসিকতা অবশ্যই থাকতে হবে। ৯) সাংসারিক কাজ করার হালকা অভিজ্ঞা থাকলে ভালো হয়। যেমনঃ- রান্নাকরা, ঘর গোছানো, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি,ইত্যাদি। এগুলো না পারলেও কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু শেখার মন-মানসিকতা থাকতে হবে আমি শেখাতে ফুল সহায়তা করবো। ১০) আমার মা এর সঙ্গে যেনো নিজের মা মনে করে আচার,ব্যবহার করে। তাহলে একটি মা ও মেয়ের সম্পর্ক তৈরি হবে। সে ক্ষেত্রে পরিবারে অশান্তি আসবে না। বিঃদ্র:- আমি জানি এতো সব গুণ একজন মানুষের মাঝে না থাকাটাই খুব স্বাভাবিক বিষয়। এইসব গুনের যদি কোনো একটি একটুক্ষানি ছিটেফোঁটাও থাকে বা নাও থাকে তাহলে কোনো সমস্যা নেই। আমি তার সাথে এই বিষয়গুলো এডজাস্ট করে নিতে পারবো বা আল্লাহর দ্বীন পালনে সাহায্য ও উৎসাহী করবো। দেখুন আমি কিন্তু কঠোর মনের মানুষ মোটেও নই। আমার উপরের কিছু পয়েন্টের কথা কারো কারো কাছে একটু বা বেশি কঠোর মনে হতে পারে। দেখুন আল্লাহ্ তা'আলার আদেশ এর বাহিরে কাজ করা হলো তার হুকুমকে অমান্য করা। সেজন্য আমি আমার রবের হুকুমের বাহিরে মোটেও নই। তাই আমার দৃষ্টিকোণ থেকে মনে হয় ইসলাম খুব সহজ। আমরা যদি তা নিজের ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে আমার আল্লাহর পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা মেনে চলি তাহলে দুনিয়া ও আখিরাতে আমরাই সবচেয়ে সৌভাগ্যবান আমার আল্লাহর বান্দা ও বান্দী হতে পারি। তাই আমরা যদি আল্লাহ সুবহানাল্লাহ তা'আলার ফরজ,ওয়াজিব,সুন্নাহ্ কাজের আদেশগুলো একটু কষ্টকরে পালন করতে পারি তাহলে আমাদের জান্নাতে যাওয়ার পথগুলো সুগম হবে। আল্লাহর রসূল (সাঃ) এর জামানায় আমাদের রাসূল আমাদের থেকে শতশত গুণ বেশি কষ্ট করেছে আল্লাহর দ্বীন প্রচারের জন্য। মক্কার কাফিরদের কতো জুলুম, নির্যাতন, অত্যাচার সহ্য করেছে। নিজের শরীর থেকে রক্ত ঝরিয়েছে। একমাত্র মহান রবকে রাজী-খুশী করার জন্য এবং প্রিয় উম্মতের জন্য দ্বীন পালন যেনো আরো সহজ হয় সেই লক্ষ্যে কতো ত্যাগ করেছেন। তাই তার তুলনায় আমাদের কষ্টগুলো অতি সামান্য বা আমার রাসূল (সাঃ) কষ্টের সাথে তুলনা যোগ্য নয়। তাই আমি মনেকরি প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য জান্নাতে যাওয়ার তামান্না রাখা উচিত আর সেই হিসাবে কাজ করাও উচিত। সেইজন্য আল্লাহ্ তা'আলার আদেশ এবং নিষেধ গুলো মানতে হবে। সেই অনুযায়ী আমল করে যেতে হবে। বাকিটা মহান আল্লাহর ইচ্ছা। |
| জীবনসংঙ্গীর জেলা যেমনটা চাচ্ছেন? (Required) | আমার নিজ জেলা রংপুর হলে ভালো হয়। এছাড়াও আমার রংপুর বিভাগের দিনাজপুর, নীলফামারী, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়। আর যদি সবকিছু ঠিকঠাক মিলে যায় দুইপক্ষের মাঝে। দেশের অন্য জেলা হলেও কোনো সমস্যা নেই। |
| পেশা সম্পর্কিত তথ্য (Required) | আমি মূলত এখন একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে জব করছি। সেখানে আমি ই-কমার্স প্লাটফর্মে কল সেন্টার প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করার পাশাপাশি তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের জন্য ইতিহাসে ঘটে যাওয়া বিষয়গুলোর উপর কন্টেন্ট এডিটিং করি। আমি সেখানে আমার দিক থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি হারাম দিকগুলো পরিহার করা বা বর্জন করা। কারণ আমি আমার কাজের মাঝে হারাম অর্ন্তভুক্ত করলে সেটার তো জবাব আমাকেই দিতে হবে আল্লাহর কাছে। তাই সেইদিক গুলো মাথায় রেখে কাজ করার চেষ্টা করি এবং বাকি জীবন করে যাবো ইনশাআল্লাহ্। এজন্য আমি আমার আল্লাহর কাছে হালাল রিজিক চাই। হালাল রিজিকের মাঝে বারাকাহ্ থাকে মনে সন্তুষ্টি অনুভব হয়। |
|---|---|
| বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান | আমি ও আমার মা আমার বাবার সঙ্গে পারিবারিক দণ্ডের কারণে আমার বাবার সাথে গ্রামে থাকি না। আমি শহরে ভাড়া বাসায় থাকি। মানে আমরা তার কাছ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা থাকি। আমার মা ও বাবার এখনো বিবাহ বিচ্ছেদ হয়নি। সে তার মতো করে গ্রামে থাকে। আমরা মা ও ছেলে আমাদের মতো করে থাকি। আল্লাহ্ তা'আলা হয়তো আমাদের জন্য এই পারিবারিক সমস্যা দিয়েই আমাদের পরীক্ষা নিচ্ছে। এমতাবস্থায় অনেক সচেতন ফ্যামিলি আমাদের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করবে এটাই স্বাভাবিক। বিষয়টি আমার জন্য অনেক তেতো লাগলেও এই বাস্তব সত্যকে আমায় মানতে হবে। তাই কেউ আমাদের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক করতে আসার আগে আমার এই পারিবারিক সমস্যাটির কথা ভেবেচিন্তে দেখবেন। কারণ আপনাদের ও নিজের অনেক আত্মীয়স্বজন থাকবে তাদেরকেও তো আপনাদের জবাবদিহি করতে হবে আমার ফ্যামিলির এইসমস্ত বিষয় নিয়ে। তারা যদি ছেলের পরিবারের এমন সমস্যা জানতে পারে তাহলে আপনাদের অনেক নেগেটিভ কথাবার্তা শুনাবে হয়তোবা। এমতাবস্থায় আপনাদের সমাজে আপনাদের মানসম্মানের উপর কেউ কেউ আঙ্গুলও তুলতে পারে বা প্রশ্ন করতে পারে। যা আপনাদের সহ্য বা হজম করতে খুবই কষ্টকর হবে। তাই আমি মনে করি পাত্রী পক্ষের ক্ষেত্রে বিয়ে সংক্রান্ত এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সবকিছু দিক ভেবেচিন্তে বিবেচনা বা সিদ্ধান্ত নেওয়া সর্বোত্তম কাজ। আর কোনো অভিভাবক যদি আমাকে তার কন্যার জন্য গ্রহণযোগ্য বলে মনে করে বিবেচনা করেন তাহলে অবশ্যই প্রথমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ইস্তেখারার ২ রাকাত নফল নামায আদায় করে নিবেন তাহলে বিয়ে সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আপনাদের জন্য সহজ হবে। আমার পারিবারিক সমস্যা যেটা ছিলো তা উল্লেখ করলাম। এবং সবকিছুই আল্লাহ্ হাতে ছেড়ে দিলাম। এখন তিনিই উত্তম পরিকল্পনাকারী আমার জন্য। |
| বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তা অভিভাবক জানেন? | হ্যা |
|---|---|
| আল্লাহ'র শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিচ্ছেন সব সত্য? | হ্যা |
| কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার দুনিয়াবী ও আখিরাতের দায়ভার ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি রাজি? | হ্যা |
এই বায়োডাটার অভিভাবকের মোবাইল নাম্বার এবং ইমেইল পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
অভিভাবকের সাথে যোগাযোগসর্বমোট ভিউ: 173 ভিউস