| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? |
জ্বী আলহামদুলিল্লাহ। |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) |
প্রায় ৪-৫ বছর আলহামদুলিল্লাহ। |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? |
আলহামদুলিল্লাহ যথেষ্ট কড়াভাবে মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলি আলহামদুলিল্লাহ। অফলাইন/অনলাইন উভয় জায়গায় এই নিয়ম মেনে চলার চেষ্টা করি আলহামদুলিল্লাহ। আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে দ্বীনের বুঝ না থাকায় তখন নন-মাহরাম মেইনটেইন করা টাফ হয়ে যায় আমার জন্য। আল্লাহ সহজ করে দিক, আমিন। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? |
জ্বী আলহামদুলিল্লাহ। |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? |
বোরকা, হিজাব, নিকাব, হাত মোজা, পা মোজা, চোখ ঢেকে— সম্পূর্ণ পর্দা করেই বের হই আলহামদুলিল্লাহ। কোথাও গেলে এভাবেই বের হই আলহামদুলিল্লাহ। বোরকা বা পরিপূর্ণ পর্দা পোশাক আমি কালো রঙের পরিধান করে থাকি। |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) |
নেই। আমি খিলাফাহ তে পুরোপুরি বিশ্বাসী। |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? |
আলহামদুলিল্লাহ দেখা হয় না। |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) |
না আলহামদুলিল্লাহ |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) |
অনলাইনে কিছু দাওয়া প্রতিষ্ঠান এর সাথে যুক্ত আছি আলহামদুলিল্লাহ। এছাড়া অফলাইনে কোনো দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত নেই কিন্তু অফলাইনে দাওয়াহ দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। এছাড়া বিভিন্ন অফলাইন সেমিনার বা দারসে যাওয়ার চেষ্টা করি আলহামদুলিল্লাহ। |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) |
না আলহামদুলিল্লাহ |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) |
মাজার স্রেফ কবর। এছাড়া বিশেষ কিছুই না। মাজারকে নিয়ে যেসব রীতি নীতি প্রচলিত আছে তা সুস্পষ্ট শিরক। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) |
বই আছে অনেক তবে সময় বা বিভিন্ন কারণে পড়া হয় না। চেষ্টা করি বই পড়ার। তার মধ্যে আমার পছন্দের ৩ টি বই হলো: সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া, রূহের চিকিৎসা, নবী জীবনের গল্প। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) |
১। ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর(র.) ২। শায়েখ আহমাদুল্লাহ(হাফি) ৩। মুফতি হারুন ইজহার(হাফি) ৪। মুফতি আবদুল মালেক (হাফি) |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) |
দ্বীনি যোগ্যতা তেমন কিছু নেই। IOM এর আলিম পড়ার নিয়ত আছে ইনশাআল্লাহ। তবে IOM এর অনেক ফ্রি এবং শর্ট কোর্স করা হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। এছাড়া Zad Academy তে কোর্স চলমান। অন্যান্য কিছু প্রতিষ্ঠানের কোর্সও করা হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। দুনিয়াবী যোগ্যতাও তেমন কিছু নেই। পড়াশোনা করছি এবং এই পড়াশোনার গন্ডির ভিতরেই ছিলাম। পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম। ছোটবেলা থেকেই মনের মধ্যে একটা কথা সেট হয়ে গিয়েছিল যে ভালো করে পড়তে হবে। ভালো রেজাল্ট করতে হবে। আব্বু আম্মুর স্বপ্ন পূরণ করতে হবে। ডাক্তার হতে চেয়েছিলাম। যদিও মেডিকেলে চান্স পাইনি। আলহামদুলিল্লাহ সবকিছুর জন্য। পড়াশোনার বাইরে এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিসও করা হয় নি কোনোদিন স্কুলে বা কলেজে থাকতে(শাই আর ইন্ট্রোভার্ট হওয়ার কারণে)। নিজস্ব একটা বাউন্ডারি সেট করা ছিল। সেই বাউন্ডারির মধ্যেই ছিলাম। তাই এসব এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস নিয়ে কোনো এক্সপেরিয়েন্স নেই। বর্তমানে পড়াশোনা করছি ইসলামিক সাইকোলজি নিয়ে। নিয়ত আছে ইসলামিক সাইকোলজির জন্য কিছু করা, এই ফিল্ডে অবদান রাখা এবং অর্জিত জ্ঞান দ্বারা মুসলিম উম্মাহর খেদমত করা। উম্মাহর খেদমত করার সুযোগ পেলে, সুবিধা পেলে, শারীয়াহ অনুযায়ী কাজ করার সুযোগ পেলে আর অবশ্যই স্বামীর অনুমতি থাকলে উম্মাহর খেদমতে নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই ইনশাআল্লাহ। এক্ষেত্রে জীবনসঙ্গীর একান্ত সহযোগিতা কামনা করি। ওয়ামা তৌফিকি ইল্লা বিল্লাহ। আল্লাহ কবুল করে নিক আফিয়্যাহ ও খ্বইরের সহিত। |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন |
আমার আব্বু ভীষণ ধার্মিক একজন মানুষ ছিলেন৷ বুঝ হওয়ার পর দেখেছি উনি নামাজ রোজা বাদ দেন নি। তো আমাদের পরিবারেও নামাজ-কালাম, রোজা এসবের চর্চা হতো। ফ্যামিলি আমার কনজার্ভেটিভ। খুবই রক্ষণশীল ছিলেন আমার আব্বু। আমার আম্মুও সেম মাইন্ডসেটের। আব্বু সবসময় ইসলাম সম্পর্কে জানাতো, শিখাতো। ইসলাম সম্পর্কে আমি বেশিরভাগ শিখেছি আমার আব্বুর কাছ থেকে। শুধু আমি না আমার পুরো ফ্যামিলি। আমার কথা যদি বলি আমি অতি সাধারণ একজন মেয়ে৷ সবসময় সাধারণভাবে, সিম্পলি চলাফেরা করতে, জীবনযাপন করতে পছন্দ করি। এভাবেই চলে আসছি। আমি ভীষণ লাজুক, কাইন্ড অফ ইন্ট্রোভার্টও বলা যায় (তবে সবার ক্ষেত্রে ইন্ট্রোভার্ট নই) আর ইমোশনাল বেশি (যেটা মেয়েরা হয়ে থাকে অবশ্য)। তবে মানুষ, পরিস্থিতি ভেদে নিজেকে প্রকাশ করি। ছোট থেকেই কনজার্ভেটিভ। নিজের ক্রিয়েট করা বাউন্ডারির মধ্যে থাকতাম। নিজস্ব বাউন্ডারি প্লাস কনজার্ভেটিভ ফ্যামিলিতে বড় হওয়া তাই এক প্রকার লাজুক, ইন্ট্রোভার্ট হয়েই বড় হয়েছি। দ্বীনের বুঝ না থাকলেও ছেলেদের সাথে কথা বলা বা বিয়ের আগে রিলেশনশিপ এসবে কোনোদিন যুক্ত ছিলাম না আলহামদুলিল্লাহ। ফ্যামিলিও স্ট্রিক্ট ছিল আলহামদুলিল্লাহ। তার জন্য অনেক অনেক শুকরিয়া। তাছাড়া বড় কথা হলো, আল্লাহর রহমত ছিল বলে এসব থেকে বেঁচে ছিলাম। এখনো বেঁচে আছি এসব থেকে আলহামদুলিল্লাহ। বর্তমানে দ্বীন পুরোপুরি মেনে চলার চেষ্টা করছি হেদায়েত পাওয়ার পর থেকে। যেহেতু জেনারেল ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে বিলং করি তাই অনেকটাই টাফ হয়ে যায় বিশেষ করে নন মাহরাম মেইনটেইন করার বিষয়টা।
আমি রান্না করতে, খাওয়াতে ভালোবাসি। আমার পছন্দের কাজ বলা যায়। আপনজনদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের মাধ্যম বলা যায় এই রান্না করে খাওয়ানোর বিষয়টা৷ সবাইকে নিয়ে একসাথে থাকতে পছন্দ করি। ঝামেলা এড়িয়ে চলি। খুবই আনকম্ফোর্টেবল লাগে আমার ঝগড়া-মনমালিন্য। হিংসা,বিদ্বেষ এসব পছন্দ করি না। আমি সহজেই সেসব মানুষের সাথে মিশে যাই যাদের সাথে আমার মেন্টালিটি ম্যাচ করে। রান্নার পাশাপাশি বই পড়া হয়। সাথে সেলাইয়ের(হাতের কাজ) টুকিটাকি কাজও পারি। আর্ট(ক্যালিগ্রাফি), বেকিং এসবের প্রতি ঝোক আছে। সময়, সুযোগ পেলে এসব শিখার নিয়ত আছে ইনশাআল্লাহ। যদিও সময়, সুযোগের অভাবে শেখা হচ্ছে না। |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? |
হানাফি |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) |
হ্যা |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? |
নিজেকে দ্বীনি ইলমে শিক্ষিত করতে চাই। আমার ফিউচার লাইফ পার্টনার যিনি হবেন উনার থেকেও আমি সেম জিনিসই এক্সপেক্ট করি। দ্বীনি একটা পরিবার গঠন করার নিয়ত আছে ইনশাআল্লাহ। তার জন্য নিজেকে, আমার ফিউচার লাইফ পার্টনারকেও দ্বীনি শিক্ষা অর্জন করতে হবে। আল্লাহ ও তাঁর রাসূল(সা) এর প্রতি ভালোবাসা, দ্বীনের প্রতি ভালোবাসা,দ্বীন নিয়ে কাজ করার মানসিকতা,ইচ্ছা থাকতে হবে। এছাড়া নিজের দুনিয়াবি শিক্ষা দ্বারা উম্মাহর খেদমত করতে চাই। অবশ্যই আমার কাছে ফার্স্ট প্রায়োরিটি আমার পরিবার, স্বামী-সন্তান। দ্বীন আল ইসলাম,মুসলিম উম্মাহ নিয়ে কাজ করার নিয়ত আছে। স্বামীর অনুমতি আর সেই অনুযায়ী যদি ইসলামকে খেদমত করার কোনোদিন সুযোগ, সুবিধা পাই তাহলে করব ইনশাআল্লাহ। ওয়ামা তৌফিকি ইল্লা বিল্লাহ। |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) |
অবসর সময় পেলে গল্প পড়ি, বিভিন্ন ইসলামিক বই, লেকচার, সিরিজ এসব শুনি। ফ্যামিলির সাথে টাইম স্পেন্ড করি৷ তাছাড়া রান্না বান্নার একটা আলাদা শখ আছে। বিভিন্ন রেসিপি ট্রাই করি। ফটোগ্রাফি করি। আমার পছন্দের শখ বলা যায়। ছবি তুলতে ভালোবাসি। |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) |
বাসায় রান্নাবান্নার দায়িত্বটা আমার উপরে। এছাড়া ঘরের কাজ বেশিরভাগ করা হয়ে থাকে। আম্মুকে হেল্প করি যথাসম্ভব আলহামদুলিল্লাহ। ছোট ভাইকে পড়াশোনায় সাহায্য করি। |
| নারী-পুরুষ সমঅধীকার বিষয়টাকে আপনি কিভাবে দেখেন? (Required) |
ইসলামে নারী-পুরুষ সমান অধিকার বলতে কোনো কথা নেই। নারী ও পুরুষের ফিতরাত আলাদা। আল্লাহ তাদের এভাবেই সৃষ্টি করেছেন। আর আল্লাহ নারী ও পুরুষ এর রোল যেভাবে সেট করে দিয়েছেন আমি সেটাতেই বিশ্বাসী। আর ইসলামে রয়েছে ন্যায়সঙ্গত অধিকারের কথা। এবং আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেই নারী ও পুরুষ তার প্রাপ্য সম্মান, অধিকার পাচ্ছে কি না যা ইসলাম দিয়েছে। এছাড়া নারী এবং পুরুষের যে সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে, তা পুরোপুরি ওয়েস্টার্ন মতবাদ, ওয়েস্টার্নদের একটা চাল বলা যায়, যেটা কিনা সঠিক নয়। এই সমঅধিকার বা Equal rights আমাদের উপকার নয় বরং ক্ষতি করছে দিনদিন।
ইসলাম নারী-পুরুষকে মর্যাদা ও সম্মানে সমান স্থান দিয়েছে এবং তাক্বওয়াকে শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠি নির্ধারণ করেছে। তবে দায়িত্ব ও ভূমিকা বিবেচনা করে যদি বলা হয়, ইসলাম নারী ও পুরুষদের আলাদা আলাদা কাজ, দায়িত্ব ভাগ করে দিয়েছেন। আর এমনভাবেই ভাগ করে দেওয়া যে কারো উপর যেন জুলুম না হয়। যেমন: পুরুষদের উপর পরিবারের আর্থিক দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, যেখানে সমস্ত দায়িত্ব, ভরণ-পোষণের দায়িত্ব একজন পুরুষের উপর। তার অধীনস্থে যারা আছে তাদের সকলের দায়িত্ব তার উপর।
অন্যদিকে নারীকে মাতৃত্ব এবং পরিবারকেন্দ্রিক ভূমিকাতে সম্মানিত করা হয়েছে। নারী ঘরে বসে ইলম অর্জন করবে, স্বামীর হ্বক আদায়, সন্তান লালন এবং তাদের হ্বক আদায় করবেন। ইসলাম নারীদের শিক্ষা, কাজ, সম্পত্তি ও মতামতের অধিকার দিয়েছে, যা অন্যান্য জায়গায় বিরল। ইসলাম নারী ও পুরুষ উভয়কেই যে সম্মান, মর্যাদা দিয়েছে, তা অন্য কোথাও নেই। ইসলাম কাউকে ছোট বা বড় নয় বা কাউকে বেশি কাজ দিয়েছে আর কাউকে কম এমন নয় বরং দায়িত্বের মধ্যে সমান মূল্য ও মর্যাদা রয়েছে।
নারী পুরুষ একে অপরের পরিপূরক, একে অপরের প্রতিযোগী নয়। পশ্চিমা মতবাদ অনুযায়ী নারী পুরুষকে একই রকম বলে সমঅধিকারের নামে নারীকে পুরুষের লেভেলে খাটাতে বাধ্য করে তার বিপক্ষে আমি। নারীকে তার স্বাভাবিক ভূমিকায় বিকশিত হতে দিতে হবে, পুরুষের মতো বাইরের কাজ করার মতো করে আল্লাহ তাআলা নারীকে তৈরি করেননি। উভয়কে তাদের ফিতরাত অনুযায়ী বিকশিত হতে দেওয়ায় হবে উভয়ের সাথে ইনসাফ। আল্লাহ তাআলা নারীকে তৈরি করেছেন ঘরের রানী হিসাবে। নারী তার তাক্বওয়া, তার ইলম, তার নারীত্ব দিয়ে ঘরকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে রাখবে এবং পরবর্তী প্রজন্মকে দ্বীনের উপর ভিত্তি করে গড়ে তুলবে কারণ এটাই তার প্রকৃত কাজ যা আল্লাহ সেট করে দিয়েছেন। আর পুরুষও নারীর এই সব কাজে সাহায্য করবে। নারীরা শরঈ পর্দার মাঝে থেকে যতটুক করার করতে পারবে এবং করবে এতে বাঁধা নেই। কিন্তু পুরুষের মতো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, প্রতিযোগিতা করে রাস্তায় নামবে এসব আমি পছন্দ করি না। সমতার বুলির আওড়িয়ে নারী ও পুরুষ উভয়ের সাথে যে জুলুম করা হয় আমি এর বিরোধিতা করি।
আর পশ্চিমাদের তৈরি করা এই সমঅধিকারের মাধ্যমে নারী ও পুরুষকে একে অপরের প্রতিযোগী বানিয়ে ফেলা হচ্ছে, যেটা কিনা ইসলামে নেই। ইসলামে নারী ও পুরুষকে একে অপরের পরিপূরক বলা হয়েছে প্রতিযোগী নয়।
আমি সমঅধিকারে নই বরং ন্যায়সংগত অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নারী এবং পুরুষ উভয়কেই যা যা অধিকার, সম্মান, মর্যাদা দেওয়া হয়েছে, তা সঠিকভাবে, ১০০% নিশ্চিত করাকে বিশ্বাস করি।
আমি মনে করি নারী ও পুরুষের সম্পর্ক প্রতিযোগিতা নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান, দায়িত্ববোধ ও সহযোগিতা। তারা একে অপরের পরিপূরক। সে হিসেবে তারা একে অপরের কাজে আসবে,একে অপরকে সাহায্য করবে। এখানে তারা একে অপরের প্রতিযোগী নয়।
ইসলাম নারী ও পুরুষকে নির্ধারিত যে দায়িত্বগুলো দিয়েছেন তা নিজ নিজ স্থানে নিষ্ঠার সাথে পালন করা এবং একে অপরের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করাটাই আসল কাজ বলে আমি মনে করি।
আল্লাহ আমাদের নিজ নিজ কাজ, দায়িত্ব সততার সঙ্গে পূরণ করার তাওফিক দান করুক, আমিন। |