male

বায়োডাটা নাম্বার

AH-117229

পাত্রের বায়োডাটা

অবিবাহিত

ঢাকা

ঢাকা বিভাগ

নোয়াখালী

চট্টগ্রাম বিভাগ

১৯৯৮

শ্যামলা

৫'৭''

৫৫ কেজি

B+

ছাত্র/ছাত্রী

এখনো শুরু হয়নি।


ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী
বর্তমান ঠিকানা মোহাম্মদপুর, ঢাকা
কোথায় বড় হয়েছেন? (Required) নোয়াখালী
সাধারণ তথ্য
বায়োডাটার ধরন পাত্রের বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
বর্তমান ঠিকানা ঢাকা
বিভাগ ঢাকা বিভাগ
স্থায়ী ঠিকানা নোয়াখালী
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
জন্মসন (আসল) ১৯৯৮
গাত্রবর্ণ শ্যামলা
উচ্চতা ৫'৭''
ওজন ৫৫ কেজি
রক্তের গ্রুপ B+
পেশা ছাত্র/ছাত্রী
মাসিক আয় এখনো শুরু হয়নি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? (Required) জেনারেল
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? হ্যাঁ
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান ফলাফল A+
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ বিজ্ঞান বিভাগ
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন ২০১৬
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? হ্যাঁ
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ বিজ্ঞান বিভাগ
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান ফলাফল A-
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন ২০১৮
স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা BSc in Mathematics
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম Shahjalal University of Science & Technology, Sylhet
পাসের সন 2023
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা MS in Mathematics
অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই।
IOM তথ্য
আপনি কি আইওএমের স্টুডেন্ট? না
পারিবারিক তথ্য
পিতার পেশা প্রবাসী ছিলেন।
মাতার পেশা রব্বাতুল বাইত
বোন কয়জন? ২জন
ভাই কয়জন? ১জন
বোনদের সম্পর্কে তথ্য ১. মাধ্যামিক, বিবাহিতা, গৃহীনি। ভগ্নিপতি: স্নাতক, ব্যবসায়ী। ২. স্নাতক, বিবাহিতা, গৃহীনি। ভগ্নিপতি: স্নাতক, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার।
ভাইদের সম্পর্কে তথ্য শিক্ষা: একাধিক ডিসিপ্লিনে ডিপ্লোমা করেছেন। বৈবাহিক অবস্থা: বিবাহিত (সস্ত্রীক কুয়েতে অবস্হান করছেন)। পেশা: চাকরি + ব্যবসা(কুয়েতে একটি ছোট স্টার্টআপ শুরু করেছেন ২০২৫ এ। আহলিয়াসহ ওখানেই থাকেন)
চাচা মামাদের পেশা ৫ চাচা। সকলেই বিবাহিত, প্রবাসী এবং ব্যবসায়ী। ২ মামা। বিবাহিত, চাকরিজীবি এবং মাদ্রাসা শিক্ষক।
পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা মধ্যবিত্ত। আমরা অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল,আলহামদুলিল্লাহ। তবে আমাদের তেমন কোন জমি নেই। ঢাকায় ভাড়া বাসায় থাকা হয়। বাড়িতে বাবার রেখে যাওয়া ৫ রুমের একটা দালান আছে। আর সব মিলিয়ে হয়ত ১২ শতাংশ জমি আছে। আমরা পাটোয়ারী বংশের। সামাজিকভাবে সম্মানিত পরিবার।
আপনার পরিবারের দ্বীনি অবস্থা কেমন? (বিস্তারিত বর্ননা করুন ) (Required) আল্লাহর অশেষ রহমতে আগের তুলনায় ভনেক ভালো। বাসায় টিভি নেই। দ্বীন পালনে সবার আগ্রহ আছে। সবাই জেনারেল পড়ুয়া। বড় ভাইয়ের আহলিয়াসহ প্রত্যেক সদস্য মাহরাম নন-মাহরাম মেনে চলার চেষ্টা করে। কিন্ত আমরা যে অনেক প্র্যাকটিসিং তা বলা যাবেনা।
ব্যক্তিগত তথ্য
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? হ্যাঁ।
নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) হ্যাঁ, ছোটবেলা থেকেই পড়া হয় আলহামদুলিল্লাহ। তবে গুরুত্ব সহকারে ২০২০ থেকে।
মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? চেষ্টা করি। তবে স্ক্রীনে কঠিন হয়ে যায়।
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? হ্যাঁ(হুজুরকে কয়েকবার দেখিয়েছিলাম)
ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? পাঞ্জবী, টিশার্ট, ট্রাউজার, প্যান্ট
কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) ইমারাহ-খিলাফাহ
নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? না দেখার বা না শুনার চেষ্টা করি। ডকুমেন্টারি, ইসলামিক কন্টেন্ট এবং মাঝেমাঝে ইসলামিক কার্টুনও দেখা হয়। তবে মিউজিক এভয়েড করার চেষ্টা করি।
মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) এলার্জির কিছুটা সমস্যা আছে।
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা’আহ। এলাকায় তাবলীগি মেহনত(একমাত্র পথ বলে মনে করিনা এবং বেশ বাড়াবাড়ি ও ভূলও আছে) এবং ডিপার্টমেন্ট এ সকল দল মতের উর্ধ্বে একটি দ্বীনি কমিউনিটিতে শুরু থেকে যুক্ত আছি।
আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) না।
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) কবর। কিছু চাওয়া বা সিজদা দেওয়া হারাম ও শিরক। তবে জিয়ারত করা যেতে পারে যেন বেশি করে মৃত্যুর কথা স্মরণ হয়।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) ইতিহাসের আয়নায় বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা, ইবনে তাইমিয়ার জীবনী, শহীদ ফারূক রহি: এর জীবনী(চলমান), ইমলামী জীবনব্যবস্থা, যেমন ছিলেন তিনি(সীরাত স:) রাসূলুল্লাহ এর বিপ্লবী জীবন, গল্পে আঁকা সীরাত, চার খলিফার অডিওবুক, ফাহমুস সালাফ, বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল ও দাজ্জাল, ইমাম মাহদির দোস্ত-দুশমন, কারাগারে রাতদিন, ডেসটিনি ডিসরপ্টেড, ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ১,২, চিন্তাপরাধ, সানজাক ই উসমান, মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কি হারালো, সিতক্রেটস অব জায়েনিজম, সূরা তাওবার তাফসীর ১ ও ২, আরব্য রজনীর নতুন অধ্যায়, মাইলস্টোন(অসম্পূর্ণ), বাংলাদেশে ইমলাম, চেপে রাখা ইহিহাস সহ আরো অনেক।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) সকল হক্কানী ‘আলেম। শায়খ হারুন ইজহার হাফি:, মুফতি তারেকুজ্জামান হাফি:, হযরত শাহ তৈয়ব আশরাফ দ: বা:, মাওলানা মাহমুদুল হাসান গুনবি হাফি: শায়খ উসাইমিন রহি:, শায়খ আহমাদুল্লাহ হাফি: শায়খ জসিমুদ্দিন রহমানি হাফি:, শাইখ ড: আব্দুল্লাহ আযযাম রহি:, শাইখ আসেম উমার রহি: ভাই আসিফ আদনান হাফি:, ভাই জাকারিয়া মাসুদ হাফি:, ভাই ডা: শামসুল আরেফিন শক্তি হাফি:সহ আরো আনেকে।
বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) নেই বললেই চলে। তবে কিছু সফ্ট স্কিল শিখেছিলাম। ১. গ্রাফিক্স ডিজাইন (বেসিক) ২. ডিজিটাল মার্কেটিং ৩. Amazon FBA(Private Label) in Australia ৪. বেসিক ওয়েবসাইট ডিজাইন
নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন এই অংশ একট বড়। ভালোভাবে জানার জন্য ধৈর‌্য ধরে পুরোটা পড়ার অনুরোধ। আমি আল্লাহর এক গুনাহগার বান্দা। লোকে আমায় কত ভালো মনে করে অথচ কেবল তিনিই জানেন আমি কতটা গুনাহগার। আল্লাহ আমাকে মাফ করুন। এখানে যা বলবো, যা লিখবো তা আমার পছন্দের। আমি যে হুবহু সেরকম তা কিন্ত নয়। আমি চেষ্টা করি। আমি ছোটবেলা থেকে খুব ইসলামিক ধাঁচে বড় হইনি। নানা আলেম ছিলেন কিন্তু উনাকে পাইনি। তবে নামাজ এবং মিথ্যা না বলার ক্ষেত্রে বাবার অনেক বড় ভূমিকা ছিল। তিনি সবসময় কুয়েত থেকে ফোন দিলেই নামাজের কথা বলতো, নফল রোজা রাখার বয়স না হলেও উদ্বুদ্ধ করতো । আম্মু যদি কখনো বলতো নামাজ পড়েছি, কিন্তু আসলে পড়িনি আর আব্বু যদি বুঝতে পারতো তবে কয়েকদিন কথা বলতোনা আমাদের সাথে বিশেষ করে আম্মুর সাথে। সেই থেকে নামাজ রোজা এবং মিথ্যা না বলার অভ্যাস তৈরী হয়েছিল। কিন্তু পাশাপাশি অন্য গুনাহের কাজও চলতো। ক্লাস ৮ এ উঠে নিজে টাকা জমিয়ে গিটারও কিনেছিলাম, না’উজুবিল্লাহ। পরে আল্লাহর অশেষ মেহেরবাণীতে সেটা শেখা হয়নি। এরকমই চলছিল। ২০২০ এ কোভিডের পর থেকে এ রকম জীবনের অনেকটা পরিবর্তন ঘটে। আল্লাহ অশেষ কৃপায় আমাদের পুরো পরিবারকে অন্তত আগের জীবন থেকে হেদায়াত দেন। আমার ছোটবোন এক্ষেত্রে একটি বড় উছিলা ছিল। এর পর থেকে চেষ্টা করি হারাম পরিহার করে চলার। আমি বই পড়তে পছন্দ করি। ইসলামের ইতিহাস জানতে ভালো লাগে। ইচ্ছে করে পুরো পৃথিবী ঘুরি ইবনে বতুতার মত আর ইসলামের ঐতিহাসিক মানুষগুলোর স্থান ও স্থাপনা দেখি। একসময় লিখতে ভালো লাগতো বিশেষ করে কবিতা ও ছোটগল্প। কাউকে কষ্ট দিতে আমার খুব কষ্ট লাগে। যদি কোথাও আমার ভূল নাও থাকে তবুও আমি সেখানে বিনয়ী হতে পারি। কাউকে কষ্ট দেয়া থেকে বেঁচে থাকতে নিজের পাওনাটুকু ছেড়ে দিতে পারি। আমার এক বন্ধু বলেছিল এজন্য আমায় জীবনে অনেক ভূগতে হবে। অবশ্য আমার কাছে এগুলো ভালো লাগে যেমন ভালো লাগে বাবার সমসাময়ীকরা দেখা হলে বলে, তোর বাবা এই পরিবারের জন্য অনেক করেছে, তোর বাবার জায়গায় অন্য কেউ হলে কোটিপতি থাকতো ইত্যাদি। তখন গর্বে বুকটা ফুলে উঠে। আমার মাঝে অভিমান অনেক বেশি। আমি মুখে খুব কম কথা বলতে পারি। তবে লিখার অভ্যাস ভালো। পরিবারের মানুষগুলোকে যে কি পরিমাণ ভালোবাসি তা কখনো বুঝাতে পারবোনা। আমি কখনো কাউকে বা স্যোশাল মিডিয়ায় বলতে পারবোনা যে ভাই/বাবা/বোন/মা তোমাদের ভালবাসি বরং এমন হয় তাদেরকে আমি বুঝাই যে তাদের জন্য আমার ভাবনা নেই, যেন তারা মনে করে আমি তাদের নিয়ে ভাবিনা। কিন্তু ভিতরে ঠিক উল্টো-ই হয়। আমি নিজেকে মেকিভাবে উপস্থাপন করতে অপছন্দ করি বিশেষ করে স্যোশাল মিডিয়ায়। মাঝেমাঝে নিজেকে এত ছোট করে দেখি যে হীনম্মন্যতায় ভূগি। একটা দোষ বা রোগও বলা যেতে পারে; কে কি ভাববে এ বিষয়টা্ প্রায় কাজ করে আমর মধ্যে। এজন্য নিজের বৈধ অনেক কিছুই ছেড়ে দিই যেন কেউ বলতে না পারে যে আমি নিজের স্বার্থের জন্য ওই কাজটা করেছি। কখনো মনে হয় একদম টুপি পাঞ্জাবীতে মুভ করি কিন্তু ভয় হয় যদি ওই পোশাকের হক আদায় না করি! যদি কেউ বলে ওই দেখ, হুজুর হয়ে কি কাজটা করলো! আমার বন্ধুর সংখ্যা হাতেগোণা। আমি নিজেই এখন কমিয়ে আনতে চাই। আমি অনেক ইন্ট্রোভার্ট। খুব কমই মিশতে পারি মানুষের সাথে। ভার্সিটিতেও নিজ ডেপ্টের ব্যাচমেট ছাড়া খুব কমই আছে আমার পরিচিতজনদের সংখ্যা। আমি একটা স্বপ্ন দেখি যেদিন আমাদের সকল দল-মত নির্বিশেষে সবাই কেবল কালিমার ভিত্তিতে এক কাতারে এসে দাঁড়াবে। সেদিন আমাদের কেউ রুখতে পারবেনা ইন-শা-আল্লাহ। এই উম্মাহ কেন্দ্রীয় অভিভাবক ছাড়া ১০০ বছরেররও অধিক সময় পার করে ফেলেছে। সামনে আবারো সে সময় আসবে ইন-শা-আল্লহ। তবে সেজন্য অনেক ত্যাগ করতে হবে। আমার যিনি অর্ধাঙ্গিনী হবেন উনার সাথে মিলে আমরা একসাথে এই ত্যাগের জন্য নিজেদের তৈরী করবো ইন-শা-আল্লাহ। আমার একটা ভয়ংকর দিক হল; রাগ! আমি শর্ট টেম্পার্ড। আমি সহজে রাগিনা, কিন্তু হঠাত রাগ উঠে গেলে ইচ্ছে করে কষ্ট দিয়ে কথা বলে ফেলি! যদিও লজিক্যালি কথা বলতে পারিনা কারণ আমি সামনাসামনি কমই কথা বলতে পারি। কিন্ত সাথেসাথেই নিজের কাছে ছোট হয়ে যাই, কেন এভাবে বললাম! লোকটা কি ভাববে আমায়! তাই আমি সরি বলে দিই। অনেক সময় চাইলেও বলতে পারিনা। অনেক কিছুই এরকম হয়। ইচ্ছে হয় করি, কিন্তু পারিনা। আড়ষ্ঠতা, অপারগতা, জড়তা কিংবা সাহসের অভাবে; আবার ইন্ট্রোভার্টনেস এর কারণেও হতে পারে। রাস্তায় যেকাউকে যদি দেখি বোঝা নিয়ে যেতে কষ্ট হয় কিংবা কিছু একটা কিনতে গিয়েও দামের জন্য কিনেনা, খুব ইচ্ছে হয়, তার বোঝাটা হালকা করি কিংবা জিনিসটা অতিরিক্ত টাকা দিয়ে কিনে দিই, কিন্তু পারিনা। এমনও হয়, কয়েকজন ছেলে মিলে তাস খেলছে কিংবা সিগারেট খাচ্ছে, খুব করে চাই তাদেরকে বাধা দিতে, পরক্ষণেই মনে হয় নিজেইতো ঠিক নেই, কাকে কি বলবো! দুনিয়াটা খু্ব অল্প সময়ের। যে যতবেশি ইফেক্টিভ করতে পারবে এই সফরকে সে ততই সফলকাম। আল্লাহ আমাকে রিয়া থেকে হেফাজত করুন। সফলতা বলতেতো বাহ্যিক চাকচিক্য নয় বরং অন্তরের বিশুদ্ধতা বুঝায়, রবের তরে সঁফে দেয়া আত্না-ইতো সফল। আমাদের ভালবাসা-ঘৃণা, বন্ধুত্ব-শত্রুতা সবকিছুুই হোক মহান রবের জন্য। সেই রবের কাছে নাজাত পাওয়ার জন্য নিজের জীবনকে নিবেদিত করতে চাই। রিযিক নিয়ে আমার ভয় হয়না। আমি চাই রিযিকের সন্ধানে যেন আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে পারি, সবরের মাধ্যমে মাটি কামড়ে যেন পড়ে থাকতে পারি। বড় বড় দালন কোঠা দেখলে আমার সেই সময়ের কথা মনে পড়ে যায় যখন পাহাড়গুলি, দালানগুলি তুলোর মত উড়তে থাকবে। বস্তুবাদের প্রতি আমার আকর্ষণ নেই। যতটুকু না হলেই নয় ততটুকু হলেই আমি খুশি থাকতে চেষ্টা করি। যদি কখনো আমার ভালো উপার্জন হয়, হবে ইন-শা-আল্লাহ, তখন নিজের প্রয়োজনীয় অংশ রেখে বাকিটা উম্মাহর কল্যাণে ব্যয়ের ফিকির করবো ইন-শা-আল্লাহ। এমন একটা পেশা চাই যার মাধ্যমে হালাল রুজিও হবে আবার প্রয়োজনের সময় উম্মাহর কাজেও লাগবে। সেই পেশা, সেই কাজ যেন এমন হয় যার দ্বারা সৈয়দ কুতুবের মত বলতে পারবো; তোমার কলিমা তোমাকে রুটি জোগায় আর আমার কালিমা আমাকে ফাঁসিতে ঝুলায়। আমি বিলাসিতার অমুখাপেক্ষী। আমার বাসার লোকজন মাঝেমাঝে আমায় কৃপণ বলে। কারণ আমি তাদের পানিটাও অতিরিক্ত খরচ করার জন্য বাধা দিই। সবকিছুতেই চিন্তা করি যেখানে ৩ ইউনিটে আমার হয়ে যাবে সেখানে কেন ৩.৩ ইউনিট খরচ করবো? আল্লাহ হেফাজত করুক এগুলো যেন অহংকার না হয়ে যায়। কারো সামনে আমি আমার বোনদের নাম উচ্চারণ করতেও আনকম্পোর্ট ফিল করি, কারো সামনে বাসায় কথা বলতেও বিব্রতবোধ করি। কেউ যদি আমায় ছোট করে কথা বলে বা অবজ্ঞা করে তখন খারাপ লাগে কারণ আমি কাউকে ছোট করে দেখিনা। কেউ এমন করলে তাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। সবসময় আমানত রক্ষার চেষ্টা করি। সেটা যাই হোক, হতে পারে কারো গচ্চিত কথা, হতে পারে সম্পদ কিংবা কারো অর্পণ করা দায়িত্ব। নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব সর্বোচ্চভাবে পালনের চেষ্টা করি। দায়িত্বকে আগে নিজের বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ করি। যেকোন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে মাশোয়ারা করে নেয়া জরুরী মনে করি। সবার মতামতকে গুরুত্ব দিই। নিজের মতামত উপস্থাপনের ক্ষেত্রে অন্যেরটাকে উপহাস করিনা, খেয়াল রাখি যেন আমার ওই সময়ে, ওই পরিবেশে, ওই অ্যাপ্রোচে কথা বলাটা সমীচিন কিনা। সবার মত আমারও সেই স্বপ্নটি আছে; রাসূলের (স:) রওজা জিয়ারত করা। প্রথমে নিজের হালাল রুজি দিয়ে মা-কে, পরে দুজনে মিলে একসাথে এ মহান কাজটা করার ইচ্ছা। আরো কয়েকটি স্বপ্ন আছে সেগুলো পরে জানানো যাবে ইন-শা-আল্লহ। পরিবারে একসাথে থাকতে গেলে নানান সমস্যা হতে পারে। সেসব ক্ষেত্রে শরীয়তের যে বিধানটা বেশি খাটে কিংবা ক্ষেত্রবিশেষ কেবল অনুমোদিত সেটা গ্রহণ করার চেষ্টা করি। আর আমার পরিবারের সদস্যদের সাথে যতি কখনো মনোমালিন্য হয় তবে সেগুলা ম্যানেজ করার বুঝ আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন শুকরন লিল্লাহ, আমি চেষ্টা করবো কারো উপরই যেন জুলুম না হয়। পারিবারিক সদস্যদের দ্বীনি বুঝ থাকলে এগুলো সহজ হয়ে যায়। আমি আপাতত সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিতে অপারগ যদিও আমার পরিবারের প্রত্যেকেই চায় আমি আমার ফরজ দায়িত্বটা পালন করি। আমার ভাইতো আরো বেশি চায়। কিন্তু আমি ভাইয়ের আয়ে চলি, নিজে টুকটাক টিউশন করাই। আমার আহলিয়াকেও ভাইয়ের আয়ে চালাতে আমার গায়রতে বাধে। তাই আগে নিজের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করতে চাই(ইন-শা-আল্লাহ খুব শীঘ্রই তিনি ব্যবস্থা করে দিবেন)। ততদিনে তিনি না হয় বাবার পরিাবরে থেকেই আসা যাওয়া করলেন। আমার মা, এই পৃথিবীর একটা সরল মানুষদের লিস্ট করলে উনিও সেই লিস্টে থাকবেন। এক কথায় বললে, উনি একজন বাচ্চা যিনি নিজের কোথায় কষ্ট হচ্ছে, ব্যাথা হচ্ছে সেটাও বুঝতে পারেননা। উনাকে একজন বাচ্চার মতই চিন্তা করতে হয়, হবে। উনার প্রতি সদয় থাকবেন। কারো প্রতি যেন জুলুম না হয় সেদিকে আমি সর্বোচ্চ সজাগ থাকবো ইন-শা-আল্লাহ। বি:দ্র: কল করার আগে অবশ্যই বায়োডাটা ইমেইল করার অনুরোধ রইল।
আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন প্রযোজ্য নয়
কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? হানাফি
নজরের হেফাজত করেন? (Required) চেষ্টা করি
দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? উত্তম প্রজন্ম তৈরী করা যারা খুলাপায়ে রাশেদার সেই সোনালী অতীত ফিরিয়ে আনতে নিজেদের সর্বোচ্চটুকু উজাড় করে দিবে।
অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) বই পড়ে, বোনদের ছেলেদের দেখভাল করে, ইউটিউবিং করে
বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) বাবা ও ভাই-র অবর্তমানে পরিবারে একজন পুরুষের সমস্ত দায়িত্বই পালন করে আসছি ২০১৭ থেকে।
বিয়ে সংক্রান্ত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? হ্যাঁ।
বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? প্রথমত আমার জন্য বিয়ে ফরজ, ২য়ত আগামীর জন্য প্রজন্ম তৈরী করা, ৩য়ত মৃত্যুর পর নেক সন্তার রেখে যা্ওয়া, ৪র্থত নিজের মানসিক প্রশান্তির জন্য। বিয়ে মুসলিমদের জন্য একটি অতি প্রয়োজনীয় বিষয়। ক্ষেত্রবিশেষ এটি কারো জন্য সুন্নাতও হতে পারে। তবে বর্তমানে এ সম্ভাবনটা খুবি কম। অধিকাংশের জন্যই এটি এখন ফরজ।
বিয়ের পর স্ত্রীর পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? ইন-শা-আল্লহ।
বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? ইসলামিক অনলাইন মাদ্রাসায় (আইওএম) এবং নিজের তত্বাবধানে।
বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? না।
বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? মায়ের সাথে, যেখানেই কর্মস্থল হয়।
বিয়ে উপলক্ষে আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক বা উপহার বা অর্থ আশা করবেন কি না? অবশ্যই না।
পাত্র/পাত্রী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো ছাড় দেয়ার মানসিকতা রাখেন? আর্থিক অবস্থা ও জেলা
বিয়ের পর স্ত্রীর ভরনপোষন চালাতে পারবেন? হ্যা
আপনাার স্ত্রীর প্রতি কি কি দায়িত্ব আছে আপনার? দায়িত্বতো বলে শেষ করা যাবেনা। ভরণপোষণ দেয়া, মানসিক সাপোর্ট দেয়া, বন্ধু হওয়া, উনার ব্যাক্তিগত ডায়েরী হওয়া, উনার পর্দায় যেন এক বিন্দু ছাড় না হয় সেদিকে লক্ষ রাখা, সন্তানদের দায়িত্ব কেবল উনার উপর চাপিয়ে না দেয়া, পারিবারিক ও সাংসারিক কাজে সহায়তা করা ইত্যাদি। এক কথায় শরীয়ত উনাকে যা যা সম্মান দিতে বলে এবং যা যা বৈধ, সবটুকু দেয়ার মানসিকতা আছে ইন-শা-আল্লহ।
আপনার আহলিয়ার পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? হ্যা
আপনি বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে কোথায় থাকবেন? যৌথ ফ্যামিলিতে
যেমন জীবনসঙ্গী আশা করেন
বয়স (Required) সর্বোচ্চ ২৩
গাত্রবর্ণ শ্যামলা, উজ্জল শ্যামলা, ফর্সা, উজ্জল ফর্সা, আমার চোখে সুন্দর হলেই হবে
নূন্যতম উচ্চতা সর্বোচ্চ ৫’৬”
নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অন্যূন এইচএসসি বা সমমান
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিতা
পেশা (Required) প্রয়োজনীয়/ফরজ জ্ঞান অন্বেষণকারী
অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত, নিন্ম মধ্যবিত্ত।
পারিবারিক অবস্থা (Required) সামাজিকভাবে সম্মানিত পরিবার।
জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন আমি এমন একজনকে চাই যিনি হবেন আমার ব্যক্তিগত ডায়েরী। আমার সব ব্যাথা, দু:খ, কষ্ট, হাঁসি কান্না অনুযোগ, অভিমান সমস্ত কথা সংরক্ষিত থাকবে সে ডায়েরিতে। সেটা হবে একান্তই আমার সম্পদ। এমন একজনকে চাই যার সাথে এ দুনিয়ার সফর শেষ করে জান্নাত পর‌্যন্ত পৌঁছে যাবো। যাকে চিরজীবনের জন্য আমি আগলে রাখতে পারবো। যিনি হবেন একটি রক্তলাল গোলাপ যা কেবলই ফুলসহ্যা নয় বরং তাতে কাঁটাও থাকবে। তবে সে কাঁটায় রক্ত ঝরলেও মিষ্টি লাগবে। যার সাথে আমি সুন্নাহ’র আমলগুলো করতে পারবো, আমলের প্রতিযোগিতা করতে পা্রবো, ভালো কাজের প্রতিযোগীতা করতে পারবো। ”আমাদের মাঝে খুনসুঁটি থাকবে, থাকবে মান-অভিমান হেথা আরো অনেক রঙ-ই থাকবে, তবে অবশ্যই থাকবে; ভালোবাসা-ভক্তি, শ্রদ্ধা ও সম্মন।” ”সকালে রাগ হলে বিকেলেই তা হয়ে যাবে বরফ গলা নদী সন্ধ্যায় আমাদের জীবন-নদীতে খরা হলেও রাতেই হয়ে যাবে তা স্রোতস্বীনী।” তিনি হবেন একজন তাকওয়াবান সচ্চিরত্রা নারী যার আদর্শ হবেন আম্মাজান খাদিজা ও আয়েশা রা:, ইমাম শাফেঈ ও হাম্বলী রহি: দের মা, এ যুগের আফিয়া সিদ্দীকিরা। তিনি হবেন ধের্য্যশীল, তিনি মেনে নেয়ার মানসিকতা ও মানিয়ে নেয়ার সক্ষমতা রাখবেন এবং আমাকেও এগুলোতে সাহায্য করবেন। মাঝেমধ্যে আমি খেই হারিয়ে ফেলি, দলছুট হয়ে যাই, কিছু ময়লার আস্তরন জমে যায় আমাতে(গুনাহের কাজ করে ফেলি), তখন তিনি এক পশলা বৃষ্টি হয়ে ধূয়ে ‍মুছে পাক-সাফ করে দিবেন আমায়। একটু শাসনের সুরে আমার বিচ্যূত পাঁ-যুগল সঠিক ট্র‌্যাকে নিয়ে আসবেন। আমি মাঝেমাঝে নামাজ চুরি করি(দেরীতে জামাতে শরীক হই), আমলে গাফিলতি করে ফেলি, কোন মুভির এক্সপ্লানেশান দেখে ফেলি। যখনই আমার ছোটবোন দেখে তখনই বকা দেয় এবং আমি সরে আসি। যিনি আসবেন তিনি তার মত করে আমায় শাসন করবেন। আমি চাই তিনি আমাকে আগলে রাখবেন আমিও উনাকে আগলে রাখবো। উনার হকের ব্যপারে আমি যথেষ্ঠ পরিমাণ সজাগ থাকবো, তিনিও যেন থাকেন। ভূল হলে স্বীকার করার মানসিকতা আমার আছে, উনারও যেন থাকে। উনি আমাকে সারাজীবন উনার পাশে পাবেন ইন-শা-আল্লহ। যিনি সহশিক্ষাকে তীব্রভাবে অপছন্দ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য যিনি ব্যকুল হবেননা(যদি পরিবারের পীড়াপীড়িতে বাধ্য হন তবে সেখান থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য মাছ যেমন জমিনে ছটফট করে তেমনি করা এবং আল্লাহর কাছে চোখের পানি ফেলা)। ফেমিনিজম, লিবারেলিজম, কম্যূনিজম, হিজাবিজম ইত্যাদি মতবাদকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন যা এ যুগের লাত-উজ্জার বিমূর্ত ভার্সন। যিনি পর্দার ব্যপারে এক বিন্দুও ছাড় দিবেননা(অবশ্যই কালো ঢোলা বোরকা, হাত-পা মোজা), যিনি পুরুষদের সাথে কোমল স্বরে কথা বলবেনানা; কন্ঠের পর্দাও করবেন। মাহরাম নন-মাহরামতো অবশ্যই মানবেন। অবশ্যই তিনি যুহুদ অবলম্বনকারী হবেন। বাবার পরিবারে বনেদী হলেও স্বামীর পরিবারে এসে ন্যূনতম/মাধ্যমিক ভরণপোষণ নিয়ে তুষ্ট থেকে অতিরিক্ত সব উম্মার কল্যাণে ব্যয়ের চিন্তা। যিনি অধিক সন্তানে আগ্রহী এবং তথাকথিত পরিবার পরিকল্পনাকে হারাম মনে করবেন, ইসলামে বৈধ উপায়ের বাইরে যাবেননা। সর্বদা উম্মাহকেন্দ্রিক চিন্তায় বিভোর থাকবেন। গাজ্জা, ইয়েমেন, সিরিয়া, সিংকয়িাং, ইন্ডিয়া, মায়ানমারসহ প্রতিটি নির‌্যাতিত মুসলিম শিশুদের নিজের সন্তানের মত, মায়ের মত, ভাইয়ের মত, বাবার মত চিন্তা করা। উম্মাহর এতএত সমস্যার মধ্যে দাম্পত্য জীবনে অহেতুক বিষয় নিয়ে ভাবার সময় কোথায়(অবশ্যই দ্বিমত থাকবে, ইখতিলাফ থাকবে। তবে এর সাথে থাকবে সম্মান ও শ্রদ্ধা)? ইরানীদের তথা শিয়াদের ব্যপারে স্পষ্ট ধারণা থাকবে। আমার মা অত্যন্ত সরল—প্রায় শিশুর মতো, নিজের কষ্টও বোঝেন না। উনাকে বাচ্চার মতোই খেয়াল রাখতে হয়। উনার প্রতি সদয় থাকবেন।
জীবনসংঙ্গীর জেলা যেমনটা চাচ্ছেন? (Required) বৃহত্তর নোয়াখালী বা ঢাকার আশেপাশে হলে ভালো। এক্ষেত্রে ছাড় দিতে রাজি।
অন্যান্য তথ্য
পেশা সম্পর্কিত তথ্য (Required) আমি এখনো শিক্ষার্থী (২৩-১১-২৫)। মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ। এখনো রেজাল্ট আসেনি। আমি বর্তমানে ঢাকায় পরিবারের সাথে থেকে রিযিকের সন্ধানে আছি। আমি অস্ট্রেলিয়ায় Amazon Private Label করেছিলাম এক বছর। কিছু ভূলের কারণে সেখানে উন্নতি করতে পারিনি। অনেক পরিকল্পনা-ই আছে। তবে যা-ই করি এক পয়সা হারাম ইনকাম করবোনা ইন-শা-আল্লহ। আইটি লাইনে কিছু একটা করার নিয়্যত আছে যা একইসাথে উম্মাহ ও রিযিকের সন্ধানে কাজে লাগবে। এছাড়া্ও টিচিং প্রফেশনে যাওয়ার সুযোগ আছে। কলেজ কিংবা হাইস্কুলে যেন ঢুকতে পারি সেজন্যই মাস্টার্সটা করা। তবে চূড়ান্ত ইচ্ছা পুরোদমে কৃষিতে মুভ করা। ব:দ্র: বর্তমানে সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিতে পারছি না; ভাইয়ের আয়ে চলি। অর্ধাঙ্গিনীকে ভাইয়ের আয়ে চালাতে গায়রতে লাগে, তাই আগে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা চাই (ইন-শা-আল্লাহ খুব শিগগির আল্লাহ ব্যবস্থা করবেন)। ততদিন তিনি বাবার পরিবারে থেকে আসা-যাওয়া করলে সুবিধা হয়। কল করার আগে অবশ্যই বায়োডাটা ইমেইল করার অনুরোধ রইল।
বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান বায়োডাটা লিখার সময়েও আমি বেকার। একটি রিমোট চাকুরী পেয়েছিলাম ইউএসএ তে। কিন্ত নাইট শিফ্ট হওয়ায় চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে আমি পুরোদমে কৃষিতে মনোনিবেশ করতে চাই খুব শীঘ্রই, হতে পারে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই। পাশাপাশি রিমোট জবের জন্যও চেষ্টা করে যাচ্ছি।
কর্তৃপক্ষের জিজ্ঞাসা
বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তা অভিভাবক জানেন? হ্যা
আল্লাহ'র শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিচ্ছেন সব সত্য? হ্যা
কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার দুনিয়াবী ও আখিরাতের দায়ভার ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি রাজি? হ্যা
যোগাযোগ

এই বায়োডাটার অভিভাবকের মোবাইল নাম্বার এবং ইমেইল পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

অভিভাবকের সাথে যোগাযোগ

সর্বমোট ভিউ: 1184 ভিউস